Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১সোমবার , ২০ জুন ২০২২
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন

বিড়ি শিল্পকে সুরক্ষার দাবিতে পাবনায় শ্রমিকদের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুন ২০, ২০২২ ১:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বৃদ্ধিবিড়ির উপর অর্পিত অগ্রিম ১০ শতাংশ আয়কর প্রত্যাহারবিড়ি শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের সুরক্ষা আইন প্রণয়ন এবং সরেজমিনে পরিদর্শন ব্যতিরেকে বিড়ি কারখানার লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন বিড়ি শ্রমিকরা। সোমবার (২০ জুন) বেলা ১১ টায় পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ের সামনে পাবনা জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এসব দাবি জানানো হয়। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

পাবনা জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের সভাপতি হারিক হোসেনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোশারফ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমানসহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিনসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল গফুরপ্রচার সম্পাদক শামীম ইসলামকার্যকরী সদস্য আনোয়ার হোসেনসদস্য লুৎফর রহমান প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, “বিড়ির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হলো নিম্নস্তরের সিগারেট। বর্তমানে নিম্নস্তরের সিগারেট বাজারের ৭৫ শতাংশ দখল করে আছে। এসব নিম্নস্তরের সিগারেটের সিংহভাগই বিদেশি কোম্পানির। প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে নিম্নস্তরের ১০ শলাকা সিগারেটে মূল্যস্তর ৩৯ টাকা থেকে ৪০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। যা খুবই সামান্য। তাছাড়া সিগারেটে কোনো সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়নি। ফলে বিড়ির বাজার দখলকারী সিগারেট কোম্পানিগুলো একচেটিয়া ব্যবসার সুযোগ পাচ্ছে। এবছর বাজেটে যদি নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য ও সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি কার না হয় তবে দেশীয় বিড়ি শিল্পের অস্তিত্ব চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে। নিম্নস্তরের সিগারেটের ভোক্তা বেশি থাকা সত্বেও শুল্কারোধ বৃদ্ধি না করলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হতে বঞ্চিত হবে।

বক্তারা আরো বলেন, “বিড়ি শতভাগ দেশীয় প্রযুক্তি নির্ভর শিল্প। অন্যদিকে সিগারেটের সবকিছু বিদেশ থেকে আমদাদিকৃত ও প্রযুক্তি নির্ভর। বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানী এদেশের মানুষের ফুসফুস পুড়িয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করছে। সিগারেটে অগ্রীম আয়কর ৩ শতাংশ হলেও বিড়িতে অগ্রিম আয়কর ১০ শতাংশ। এই বৈষম্যমূলক অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করতে হবে। একই সাথে সরেজমিনে পরিদর্শন ব্যতিরেখে অস্তিত্বহীন বিড়ি কারখানার লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করতে হবে। দেশের বহু হতদরিদ্রস্বামী পরিত্যক্তানদী ভাঙ্গন কবলিত জনগণ ও শারীরিক বিকলাঙ্গসহ সুবিধা বঞ্চিত শ্রমিকদের অন্নসংস্থানের একমাত্র মাধ্যম এই বিড়ি শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করে এই শিল্পকে রক্ষা করতে হবে। না হলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।