Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১বুধবার , ৬ জুলাই ২০২২
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন

ত্রানে এগিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার্থীরা

দেলোয়ার হোসেন ।‌ । ঢাকা ব্যুরো ।।
জুলাই ৬, ২০২২ ১২:০০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গতকাল রাজধানী কামরাঙ্গীরচরে “দাওয়াতুল কুরআন তৃতীয় লিঙ্গের মাদরাসার শিক্ষার্থীরা কুড়িগ্রামের বন্যার্তদের জন্য ত্রান ও ঈদ সামগ্রী প্রস্তুত করেন।এতে জুরাইন, মুগদা ও দয়াগঞ্জ শাখার তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও স্বেচ্ছাসেবকগণ তাদের এ কাজে সহযোগিতা করেন। সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন তৃতীয় লিঙ্গের মাদরাসা মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মাদ আবদুর রহমান আজাদ।“মরহুম আহমেদ ফেরদৌস বারী চৌধুরী ফাউণ্ডেশন” এর পৃষ্ঠপোষকতায় 2020 সনের 6 নভেম্বর বিশ্বের প্রথম রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে এ মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার্থীরা শিক্ষার পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায়ও অনেক কাজ করছেন। মাত্র এক সপ্তাহ আগেও তারা সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রায় 6 টন খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। মাদরাসার মহাপরিচালক মুফতি আবদুর রহমান আজাদ বলেন, এখন সারা দেশে “দাওয়াতুল কুরআন তৃতীয় লিঙ্গের মাদরাসার 38টি শাখা রয়েছে। আল্লাহর সন্তুষ্টিই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আমরা তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীকে ধর্মীয় শিক্ষাদানের মাধ্যমে আদর্শ ও সৎ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। তিনি আরো বলেন, আজ আমরা কুড়িগ্রামের বন্যার্তদের জন্য ত্রান ও ঈদ সামগ্রী প্রস্তুত করছি। সেখানকার বানভাসি লোকেরা কষ্টের মাঝেও যেন হাসিমুখে ঈদ করতে পারে, সেজন্য আজকের এ আয়োজন। আজকে আমরা প্রতিটি প্যাকেটে 10টি আইটেম দিচ্ছি। সেগুলো হচ্ছে- চিনি, প্যাকেট লাচ্চা সেমাই, প্যাকেট দুধ , কেজি পোলার চাউল,প্যাকেট লবন, টা করে সাবান , সাধারণ চাউল ,খেজুর ,চিড়া , প্যাকেট মুড়ি। এ ছাড়া কিছু শাড়ি কাপড়ও দেয়া হয়। মুফতি আবদুর রহমান আজাদ আরো বলেন, বানভাসি মানুষের জন্য আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ- পানি শুকিয়ে যাবার পর আমরা তাদের পুনর্বাসনের কাজও করবো। আপনারা আমাদের ও আমাদের ফাউন্ডেশনের জন্য দুআ করবেন, আমরা যেন ইখলাসের সাথে এ খেদমত চালিয়ে যেতে পারি। দয়াগঞ্জ শাখার শিক্ষার্থী মিতু বলেন, আজ আমরা গর্বিত যে, আমরা আর্তমানবতার সেবা করতে পারছি। মুগদা শাখার শিক্ষার্থী রুবি বলেন, দাওয়াতুল কুরআন মাদরাসা ও বারী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমরা সামাজিকভাবে অনেক দূর এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি। মান্ডা শাখার প্রধান কথাকলি বলেন, এই মাদরাসার মাধ্যমেই হিজড়া জনগোষ্ঠী আজ মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে। জুরাইন শাখার গুরু ফুলকুলি বলেন, আমরা আজীবন এ মাদরাসার জন্য দুআ করবো। কারণ, এ মাদরাসার মাধ্যমেই আমরা সঠিক পথের সন্ধান পেয়েছি। বাইতুল হালিম জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবু সুফিয়ান মোমেনী বলেন, বানভাসি মানুষদের জন্য কাজ করতে পেরে আমরাও নিজেদেরকে ধন্য মনে করছি।এ সময় মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান, হাফেজ মাওলানা রায়হান, মাওলানা মাঈনুদ্দীন বিন মুসলিম সহ অনেক আলেম উপস্থিত ছিলেন, জুরাইন, মুগদা, মান্ডা ও দয়াগঞ্জ শাখার শিতৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার্থীরা।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।