Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১মঙ্গলবার , ১৯ জুলাই ২০২২
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন

প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা রাখুন, সংকট থেকে উত্তরণ অল্প সময়ের মধ্যেই: কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট
জুলাই ১৯, ২০২২ ৫:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

লোডশেডিংয়ের কারণে সরকারের পতন হয়ে যাবে- বিএনপি নেতাদের এমন রঙিন খোয়াব অচিরেই দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার সকালে তার নিজ বাসভবনে ব্রিফিংকালে এ মন্তব্য করেন।

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যারা দেশকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছিল, দিনের পর দিন যাদের শাসনামলে দিনের অর্ধেক সময় লোডশেডিং চলত, শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল, তারা আজ বিদ্যুৎ নিয়ে কথা বলে।’

বিদ্যুৎ নিয়ে বিএনপি কোন মুখে বড় কথা বলে? তাদের কি বিন্দুমাত্র লাজ-শরম নেই? এমন প্রশ্ন তোলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি আমলে জনগণ বিদ্যুৎ পায়নি, পেয়েছিল খাম্বা।জনগণ বিদ্যুৎ-সংযোগহীন খাম্বা দুর্নীতির কথা এখনো ভুলে যায়নি। ভুলে যায়নি বিদ্যুতের দাবিতে মিছিলে গুলির কথা। হারিকেন-কুপি নিয়ে বিক্ষোভ এবং বিদ্যুৎ ভবন ঘেরাও করার কথাও ভোলার নয়। ’

তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে সারা পৃথিবীর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়েছে। বাংলাদেশেও করোনার করাল গ্রাসের সঙ্গে সংগ্রাম করেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে নিজেদের অর্থনীতিকে সচল রেখেছেন। সাম্প্রতিককালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং এর আন্তর্জাতিক পরিণতি বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আবারো কিছুটা হুমকির মুখে ফেলেছে।’

যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির বাজার চরম অস্থিতিশীল হয়ে ওঠায় দেশের অর্থনীতি যাতে বড় কোনো ক্ষতির সম্মুখীন না হয়, সে লক্ষ্যে সরকারকে আগেভাগেই কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে বলে মনে করেন সেতুমন্ত্রী।

ব্রিফিংয়ে বিভিন্ন দেশের বিদ্যুৎ-সুবিধার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘জাপানের মতো উন্নত ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশও তাদের সাড়ে তিন কোটির বেশি মানুষকে নিয়মিত বিদ্যুৎ-সুবিধা দিতে পারছে না। একই অবস্থা অস্ট্রেলিয়ারও। তাই সবাইকে এই সংকটকালে রেশনিং করতে হচ্ছে।’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘যুক্তরাজ্যে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। উন্নত রাষ্ট্র আমেরিকাতেও এসএমএসের মাধ্যমে জনগণকে জ্বালানির ব্যবহার সীমিত করতে বলা হয়েছে।বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। শিল্প ও কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে দেওয়া সম্ভব হবে।’দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানকে চাঙা রাখার লক্ষ্যে সরকার শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করছে বলেও জানান সেতুমন্ত্রী।

দেশ ও জনগণের কল্যাণে সরকারের পদক্ষেপগুলোর প্রতি আস্থা রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংকটকে সম্ভাবনায় রূপ দেন। তার ওপর অতীতে যেমন আস্থা রেখেছেন, এখনো রাখুন।’

কারো কথায় কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অল্প সময়ের মধ্যেই এ সংকট থেকে উত্তরণ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।