Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১সোমবার , ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিষপান করা সেই কিশোরের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার সুমন

জাহাঙ্গীর আলম, ঠাকুরগাঁও
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২ ৫:২৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

তিনটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলার জন্য গত ৮ সেপ্টেম্বরে ঠাকুরগাঁওয়ে আসেন ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমির দল। গতকাল (১১ সেপ্টেম্বর) রোববার শেষ খেলা ছিল। সেই খেলা দেখতে যাওয়ার জন্য পরিবারের কাছে ২০০ টাকা চেয়েছিল লোকমান (১২) এক ছেলে। কিন্তু তাকে কেউ টাকা দেয়নি। ফলে অভিমানে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে লোকমান।
এ কথা জানতে পেরে সেই কিশোরকে দেখতে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ওই কিশোরের দাদির হাতে নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী।এসময় লোকমানের খেলাধুলা ও পড়াশোনার খরচের দায়িত্ব নেন তিনি।
১১ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে শেষ খেলায় ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় কাশিপুর ডিকে কলেজ মাঠে মুখোমুখি হয় ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমি ও রানীশংকৈলের সোহেল রানা ফুটবল একাডেমি। টাকার কারনে ওই খেলা দেখতে না পারায় অভিমানে বিষপান করে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে লোকমান।
লোকমান উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের রত্নাই বারসা গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে।
এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার সঞ্জিব কুমার রায় জানিয়েছেন, বর্তমানে লোকমানের শারীরিক অবস্থা ভালো আছে।
এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ব্যারিস্টার সুমন সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিক আমি ছেলেটির খোঁজ নিতে মেডিকেলে ছুটে আসি এবং তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি কামনা করে চিকিৎসার জন্য ১০ হাজার টাকা দিয়েছি। পরবর্তীতে তার পড়াশোনা ও খেলাধুলার খরচ আমাদের একাডেমি বহন করবে।
এসময় তিনি আরো বলেন, আসলে এই বয়সে ছেলেমেয়েরা একটু অভিমানী হয়। কিন্ত বিষয়টিতে আমার খুব খারাপ লেগেছে। এটা তার পরিবারেরও দোষ না। কারণ তার পরিবার দরিদ্র, তাই টাকা দিতে পারেনি। আমরা যদি সুস্থ ধারার কাজ করে সমাজটাকে গড়তে পারি ও ভালো কাজ করি তাহলে অবশ্যই মানুষের সারা পাওয়া যাবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমি অনেক জেলা ঘুরে বেড়িয়েছি, কিন্তু ঠাকুরগাঁওয়ের মতো এত ভালো মানুষ কোথাও দেখিনি। এখান থেকে যাওয়ার আগে আর একটি কথা বলতে চাই, ঠাকুরগাঁওয়ের বিমানবন্দরটি এখন শুধু আমার কাছে ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের দাবি নয়। আমার কাছে মনে হয়েছে এটি যৌক্তিক দাবি। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন এই বিমানবন্দরের জন্য আন্দোলন করে যাবো।
কারণ ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষকে আমি আত্মীয় মনে করি। আত্মীয় মানে সুখে দুঃখে পাশে থাকা। যেভাবে সিলেটে বন্যার সময় ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছিল, তেমনি এখানকার মানুষ কোনো বিপদে পড়লে আমরা সিলেটবাসীও আপনাদের পাশে দাঁড়াবো। আর আপনারা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।