
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) উপাচার্যের কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সুপারিশ করেছে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন। রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিশ^বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আন্নুর জ্ায়েদ বিপ্লবকে অনুরোধ করা হয়েছে।
এদিকে উক্ত ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে বিশ্ববিদ্যালের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী পিএস উপ-রেজিস্ট্রার আইয়ুব আলী ও সহকারী রেজিস্ট্রার মনিরুজ্জামান মোল্লা।
অভিযোগ পত্রে তারা উল্লেখ করে, গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা টিটু মিজান ও রাসেল জোয়ার্দারের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন উপাচার্যের পিএস-১ আইয়ুব আলী ও পিএস-২ মনিরুজ্জামান মোল্লাকে রুমে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে আইয়ুব আলীর রুমে ঢুকে ভাঙচুর ও অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথি তছনছ করে এবং গালিগালাজ করে রুম থেকে বের করে দেয়।
এদিকে ভাংচুর হওয়া কক্ষটিতে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও ক্যামেরার হার্ডডিস্ক অচল থাকায় গত ৬ এপ্রিল থেকে কোনো ফুটেজ রেকর্ড হয়নি।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক সাহেদ আহমদ জানান, পিএসের অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ ছিলো, তাই ঘটনার কোনো ভিডিও ফুটেজ পাওয়া যায় নি। পরে ক্যামেরা চালু করলে দেখা যায় ক্যামেরার হার্ডডিস্ক নষ্ট।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে দৈনিক মজুরিতে বিভিন্ন দপ্তরে কাজ করে আসছিল। পরে তারা চাকরী স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। এরই জেরে শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে অস্থায়ী চাকরিজীবী পরিষদের সভাপতি টিটু মিজান ও সাধারণ সম্পাদক রাসেল জোয়ার্দারের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন কর্মচারী মিলে ভিসির পিএসের কক্ষে যান। সেখানে অবস্থানরত পিএসের তাদের ফাইল সম্পর্কে জানতে চান । এসময় ফাইল সম্পর্কে কিছু জানেনা বললে পিএস আইয়ুর আলীর সাথে তারা বাকবিতÐায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তারা অফিসের চেয়ার টেবিল ভেঙ্গে টেবিলে রাখা গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও ফাইলসমূহ ফেলে দেয়। এছাড়াও তাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করে তারা। পরে কয়েকজনের সহযোগিতায় তিনি কক্ষ থেকে বের হয়ে রেজিস্ট্রারের কক্ষে আশ্রয় নেন।
পরে অভিযুক্তরা পিএস এর বিএনপি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এনে তার পদত্যাগ দাবি করে। সে পদত্যাগ না করলে বিশ^বিদ্যালয়ের সকল নিয়োগ বোর্ড বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয় তারা। এসময় তারা সকলেই নিজেদের ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মী দাবি করে।
মামলা দায়ের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আন্নুর জায়েদ বিপ্লব বলেন, আমরা কাগজপত্র হাতে পেয়েছি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ে উপাচার্যের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায় নি।
বার্তা/এন
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho