শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ইবির ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রকল্যাণের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা

ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ে (ইবি) অধ্যয়নরত ময়মনসিংহ জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনটি উপলক্ষে সংগঠনটির সদস্যদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। শনিবার (২২ অক্টোবর) বিশ^বিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংগঠনটি।

ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি হাসিবুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু। সম্মানিত অতিথি ছিলেন বিশ^বিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট শাহ্ মনজুরুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দীন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, বায়োটেকনোলজি এ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিন্নাতুল করিম ও শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি এ বি এম রিজওয়ান উল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন শাকিল আহমেদ ও জান্নাতুল মাওয়া।

অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এছাড়া মধ্যাহ্নভোজের পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিলো বলেই আমরা এই ইসলামী বিশ^বিদ্যালয় পেয়েছি। ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই, মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশে ৬টি বিশ^বিদ্যালয় ছিলো। বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীন ভূখন্ড দিয়েছেন। আর তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদার শিক্ষানীতির ফলে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তার উদার শিক্ষানীতির ফলে আজ সরকারী- বেসরকারী মিলে প্রায় দেড়শ বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই বিশ^বিদ্যালয়গুলো দেশে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে যাচ্ছে। এসব সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধু এই দেশকে স্বাধীন করেছিলেন বলে।

বার্তাকণ্ঠ/এন

 

ব্রায়ান লারার অপরাজিত ৪০০ রানের রেকর্ড, দু’দশক আজ

ইবির ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রকল্যাণের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা

প্রকাশের সময় : ০৮:৩১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২

ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ে (ইবি) অধ্যয়নরত ময়মনসিংহ জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনটি উপলক্ষে সংগঠনটির সদস্যদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। শনিবার (২২ অক্টোবর) বিশ^বিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংগঠনটি।

ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি হাসিবুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু। সম্মানিত অতিথি ছিলেন বিশ^বিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট শাহ্ মনজুরুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দীন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, বায়োটেকনোলজি এ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিন্নাতুল করিম ও শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি এ বি এম রিজওয়ান উল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন শাকিল আহমেদ ও জান্নাতুল মাওয়া।

অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এছাড়া মধ্যাহ্নভোজের পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিলো বলেই আমরা এই ইসলামী বিশ^বিদ্যালয় পেয়েছি। ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই, মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশে ৬টি বিশ^বিদ্যালয় ছিলো। বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীন ভূখন্ড দিয়েছেন। আর তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদার শিক্ষানীতির ফলে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তার উদার শিক্ষানীতির ফলে আজ সরকারী- বেসরকারী মিলে প্রায় দেড়শ বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই বিশ^বিদ্যালয়গুলো দেশে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে যাচ্ছে। এসব সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধু এই দেশকে স্বাধীন করেছিলেন বলে।

বার্তাকণ্ঠ/এন