শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সিত্রাং আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কেটেছে শরণখোলাবাসীর

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কেটেছে শরণখোলাবাসীর। জানমালের ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কায় উপজেলায় বেশিরভাগ মানুষই জেগেছিলেন সারারাত। উপজেলায় ৯২ টি আশ্রয় কেন্দ্রে  ১০ হাজার মানুষ অবস্থান নিয়েছিলেন মানুষ। ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি ফিরেছেন তারা।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে আবহাওয়া রোদ্রউজ্জল থাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে সাধারণ মানুষের মাঝে। এদিকে সোমবার (২৪ অক্টোবর) সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ভারি বর্ষণ ও ঝড়ো বাতাসে উপজেলায় বিপুল পরিমান  গাছ উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেকের বসতবাড়ি।

উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের বড়তলা সাইক্লোন শেল্টারে,আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা মোঃ হবিব আকন বলেন, “ঘরের অবস্থা ভাল ছিল না। তাই রাতে আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলাম। ছেলেমেয়ে নিয়ে শুধু মুড়ি ও চিড়া গুড়  খেয়ে রাত কাটিয়েছি।

রাজ্জাক হোসেন নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, “বউ-বাচ্চা নিয়ে এসেছিলাম। সারারাত ঘুমাতে পারিনি। খাবার খেয়েছি না খাওয়ার মত। তারপরও সরকারি জায়গায় নিরাপদে থাকতে পেরেছি এটা কম কিসে।”

শরণখোলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন বলেন, শরণখোলা উপজেলার সাউথখাল, খোন্তাকাটা, রায়েন্দা ও ধানসাগর ইউনিয়নে বিপুল পরিমাণ গাছ উপড়ে পড়েছ। বেশকিছু কাঁচাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আমরা সব মিলিয়ে চেষ্টা করেছি মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার। উপজেলার কোথাও কোন মানুষের ক্ষতি হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

বার্তাকণ্ঠ/এন

সিত্রাং আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কেটেছে শরণখোলাবাসীর

প্রকাশের সময় : ০১:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর ২০২২

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কেটেছে শরণখোলাবাসীর। জানমালের ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কায় উপজেলায় বেশিরভাগ মানুষই জেগেছিলেন সারারাত। উপজেলায় ৯২ টি আশ্রয় কেন্দ্রে  ১০ হাজার মানুষ অবস্থান নিয়েছিলেন মানুষ। ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি ফিরেছেন তারা।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে আবহাওয়া রোদ্রউজ্জল থাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে সাধারণ মানুষের মাঝে। এদিকে সোমবার (২৪ অক্টোবর) সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ভারি বর্ষণ ও ঝড়ো বাতাসে উপজেলায় বিপুল পরিমান  গাছ উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেকের বসতবাড়ি।

উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের বড়তলা সাইক্লোন শেল্টারে,আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা মোঃ হবিব আকন বলেন, “ঘরের অবস্থা ভাল ছিল না। তাই রাতে আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলাম। ছেলেমেয়ে নিয়ে শুধু মুড়ি ও চিড়া গুড়  খেয়ে রাত কাটিয়েছি।

রাজ্জাক হোসেন নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, “বউ-বাচ্চা নিয়ে এসেছিলাম। সারারাত ঘুমাতে পারিনি। খাবার খেয়েছি না খাওয়ার মত। তারপরও সরকারি জায়গায় নিরাপদে থাকতে পেরেছি এটা কম কিসে।”

শরণখোলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন বলেন, শরণখোলা উপজেলার সাউথখাল, খোন্তাকাটা, রায়েন্দা ও ধানসাগর ইউনিয়নে বিপুল পরিমাণ গাছ উপড়ে পড়েছ। বেশকিছু কাঁচাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আমরা সব মিলিয়ে চেষ্টা করেছি মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার। উপজেলার কোথাও কোন মানুষের ক্ষতি হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

বার্তাকণ্ঠ/এন