শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মুখে খাওয়ার করোনার টিকা চালু করল চীন

ছবি-সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বে প্রথমবারের মতো মুখে খাওয়ার করোনাভাইরাসের টিকা নেয়ার কর্মসূচি চালু করেছে চীন। বুধবার (২৬ অক্টোবর) দেশটির বাণিজ্য নগরী শাংহাইতে শুরু হওয়া নতুন এ কর্মসূচির আওতায় মুখে টিকা নেয়ার ছবি ও ভিডিও চীনের সরকারি সংবাদ মাধ্যম প্রচার করেছে।

চীন সরকারের দেওয়া তথ্য বলছে, যারা ইতোমধ্যেই দুটি টিকা নিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ে তাদের ‘বুস্টার’ হিসেবে মুখে নেওয়ার টিকা বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে। পরের ধাপে প্রাথমিক পর্যায়ের টিকা দেওয়ার জন্যও এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

বেজিংয়ের দাবি, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে দ্রুত টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি কার্যকরী হবে। এই পদ্ধতিতে এক ব্যক্তিকে টিকা দিতে সর্বোচ্চ ২০ সেকেন্ড সময় লাগে। ফলে দ্রুত টিকা দেওয়া সম্ভব।

গেল দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনার সংক্রমণ রোধে বিশ্বজুড়ে টিকাদান কর্মসূচি চলছে। কিন্তু এখনো পৃথিবীর বড় অংশের মানুষের টিকাদান বাকি।

চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা চাইছেন, আরো দ্রুত টিকাদান করতে। কিন্তু বাধা বর্তমান টিকাদান পদ্ধতি। সেই কারণেই টিকাদানের আরো সহজ কোনো পথ খুঁজছেন তারা। এজন্য সিরিঞ্জের মাধ্যমে প্রথাগত টিকাদান পদ্ধতির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে ইতোমধ্যেই নাকে স্প্রের মাধ্যমে নেওয়া টিকার ব্যবহার শুরু হয়েছে। সেই পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে মুখে নেওয়ার টিকা চালু করল চীন।

মুখে খাওয়ার করোনার টিকা চালু করল চীন

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বে প্রথমবারের মতো মুখে খাওয়ার করোনাভাইরাসের টিকা নেয়ার কর্মসূচি চালু করেছে চীন। বুধবার (২৬ অক্টোবর) দেশটির বাণিজ্য নগরী শাংহাইতে শুরু হওয়া নতুন এ কর্মসূচির আওতায় মুখে টিকা নেয়ার ছবি ও ভিডিও চীনের সরকারি সংবাদ মাধ্যম প্রচার করেছে।

চীন সরকারের দেওয়া তথ্য বলছে, যারা ইতোমধ্যেই দুটি টিকা নিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ে তাদের ‘বুস্টার’ হিসেবে মুখে নেওয়ার টিকা বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে। পরের ধাপে প্রাথমিক পর্যায়ের টিকা দেওয়ার জন্যও এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

বেজিংয়ের দাবি, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে দ্রুত টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি কার্যকরী হবে। এই পদ্ধতিতে এক ব্যক্তিকে টিকা দিতে সর্বোচ্চ ২০ সেকেন্ড সময় লাগে। ফলে দ্রুত টিকা দেওয়া সম্ভব।

গেল দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনার সংক্রমণ রোধে বিশ্বজুড়ে টিকাদান কর্মসূচি চলছে। কিন্তু এখনো পৃথিবীর বড় অংশের মানুষের টিকাদান বাকি।

চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা চাইছেন, আরো দ্রুত টিকাদান করতে। কিন্তু বাধা বর্তমান টিকাদান পদ্ধতি। সেই কারণেই টিকাদানের আরো সহজ কোনো পথ খুঁজছেন তারা। এজন্য সিরিঞ্জের মাধ্যমে প্রথাগত টিকাদান পদ্ধতির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে ইতোমধ্যেই নাকে স্প্রের মাধ্যমে নেওয়া টিকার ব্যবহার শুরু হয়েছে। সেই পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে মুখে নেওয়ার টিকা চালু করল চীন।