শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

‘বিএনপির সময়ে বিদ্যুতের দাবিতে আন্দোলনে গুলি চালানো হয়েছিল’

ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন-জ্বালানি সংকট ও সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের বিষয়ে সরকারের পদত্যাগ দাবি তাদের বিএনপির মুখে মানায় না। তিনি বলেছেন, বিএনপির সময়ে বিদ্যুতের দাবিতে আন্দোলন করায় জনগণের বুকে গুলি চালানো হয়েছিল, যারা জাতীয় গ্রিডে এক ইউনিটও বিদ্যুৎ জোগান দিতে পারেনি, তারা আজ সংকট নিয়ে অর্বাচীন মন্তব্য করবে—এটাই স্বাভাবিক।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় প্রতিটি বিরোধী দলের দেশ ও জনগণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। কিন্তু মির্জা ফখরুল ইসলামরা দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন না করে তাদের চিরায়ত মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তির রাজনীতি অব্যাহত রেখেছেন। দেশবাসী ভুলে যায়নি, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা ‘হাওয়া ভবন’ খুলে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল, গণবিরোধী নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। জনকল্যাণের অঙ্গীকারকে পরিহার করে তারা গোষ্ঠীতন্ত্র ও সিন্ডিকেটতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিল।

ধৈর্যের সঙ্গে সংকট মোকাবিলা করা সব দেশপ্রেমিক নাগরিকের দায়িত্ব উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বৈশ্বিক এ সংকটময় পরিস্থিতি বিবেচনা না করে বিএনপির নেতারা দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে নানা ধরনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচারে লিপ্ত। কথায় কথায় তারা সরকারের পদত্যাগ দাবি করছেন। বিএনপির মহাসচিবের কাছে প্রশ্ন—বিশ্বের সব দেশের সরকারই কি তাহলে পদত্যাগ করবে? সব দেশে সরকার পদত্যাগ করলে সমগ্র বিশ্বই তো সরকারবিহীন হয়ে পড়বে।

করোনা মহামারি ও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে পুরো বিশ্ব মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এ পরিস্থিতির মধ্যেও আমাদের সরকার স্থিতিশীলতা বজায় রেখে সংকট মোকাবিলায় প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সাময়িকভাবে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এমন অবস্থায় বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের উপায় হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। নবায়নযোগ্য জ্বালানির অন্যতম উৎস পারমাণবিক শক্তি। সে লক্ষ্য অর্জনে শেখ হাসিনার সরকার আগে থেকে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—অতীতের ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা অব্যাহত রাখুন। তার নেওয়া সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার প্রতি ধৈর্য ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এ সংকট মোকাবিলায় সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ।

ব্রায়ান লারার অপরাজিত ৪০০ রানের রেকর্ড, দু’দশক আজ

‘বিএনপির সময়ে বিদ্যুতের দাবিতে আন্দোলনে গুলি চালানো হয়েছিল’

প্রকাশের সময় : ০৫:০১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন-জ্বালানি সংকট ও সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের বিষয়ে সরকারের পদত্যাগ দাবি তাদের বিএনপির মুখে মানায় না। তিনি বলেছেন, বিএনপির সময়ে বিদ্যুতের দাবিতে আন্দোলন করায় জনগণের বুকে গুলি চালানো হয়েছিল, যারা জাতীয় গ্রিডে এক ইউনিটও বিদ্যুৎ জোগান দিতে পারেনি, তারা আজ সংকট নিয়ে অর্বাচীন মন্তব্য করবে—এটাই স্বাভাবিক।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় প্রতিটি বিরোধী দলের দেশ ও জনগণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। কিন্তু মির্জা ফখরুল ইসলামরা দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন না করে তাদের চিরায়ত মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তির রাজনীতি অব্যাহত রেখেছেন। দেশবাসী ভুলে যায়নি, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা ‘হাওয়া ভবন’ খুলে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল, গণবিরোধী নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। জনকল্যাণের অঙ্গীকারকে পরিহার করে তারা গোষ্ঠীতন্ত্র ও সিন্ডিকেটতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিল।

ধৈর্যের সঙ্গে সংকট মোকাবিলা করা সব দেশপ্রেমিক নাগরিকের দায়িত্ব উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বৈশ্বিক এ সংকটময় পরিস্থিতি বিবেচনা না করে বিএনপির নেতারা দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে নানা ধরনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচারে লিপ্ত। কথায় কথায় তারা সরকারের পদত্যাগ দাবি করছেন। বিএনপির মহাসচিবের কাছে প্রশ্ন—বিশ্বের সব দেশের সরকারই কি তাহলে পদত্যাগ করবে? সব দেশে সরকার পদত্যাগ করলে সমগ্র বিশ্বই তো সরকারবিহীন হয়ে পড়বে।

করোনা মহামারি ও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে পুরো বিশ্ব মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এ পরিস্থিতির মধ্যেও আমাদের সরকার স্থিতিশীলতা বজায় রেখে সংকট মোকাবিলায় প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সাময়িকভাবে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এমন অবস্থায় বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের উপায় হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। নবায়নযোগ্য জ্বালানির অন্যতম উৎস পারমাণবিক শক্তি। সে লক্ষ্য অর্জনে শেখ হাসিনার সরকার আগে থেকে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—অতীতের ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা অব্যাহত রাখুন। তার নেওয়া সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার প্রতি ধৈর্য ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এ সংকট মোকাবিলায় সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ।