শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সিংগাইরে নারী পুলিশ কনস্টেবলের রহস্যজনক মৃত্যু

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় মাহমুদা নাহার মিতু (২৫) নামের এক নারী পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
আজ রবিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরের দিকে উপজেলার বাস্তা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ সদস্যরা।
মিতু জামালপুরের বাসিন্দা আব্দুল খালেকের মেয়ে। তিনি ঢাকায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে পুলিশ কনস্টেবল মাহমুদা নাহার মিতু নিজের কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু রবিবার দুপুর পযর্ন্ত ঘরের দরজা খুলছিলেন না। অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না মেলায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘরের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে খাটের ওপর মিতুর মরদেহ দেখতে পান। তার পাশ থেকে দানাদারজাতীয় একটি বিষের প্যাকেট পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মিতু আত্মহত্যা করেছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ বার্তাকণ্ঠকে বলেন, কনস্টেবল মিতু তার ভাই আবু হানিফের বাসায় ভাড়া থাকতেন। মাস দুয়েক আগে তিনি বাসা ভাড়া নেন। এখান থেকেই ঢাকায় অফিস করতেন। তার স্বামী মাঝে মধ্যে আসতেন। বাস্তা গ্রামে মিতুর নানাবাড়ি এলাকা।
এব্যাপারে  সিংগাইর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ইমরান জানান, খবর পেয়ে মিতুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
বার্তাকণ্ঠ/এন

সিংগাইরে নারী পুলিশ কনস্টেবলের রহস্যজনক মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৮:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২২
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় মাহমুদা নাহার মিতু (২৫) নামের এক নারী পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
আজ রবিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরের দিকে উপজেলার বাস্তা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ সদস্যরা।
মিতু জামালপুরের বাসিন্দা আব্দুল খালেকের মেয়ে। তিনি ঢাকায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে পুলিশ কনস্টেবল মাহমুদা নাহার মিতু নিজের কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু রবিবার দুপুর পযর্ন্ত ঘরের দরজা খুলছিলেন না। অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না মেলায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘরের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে খাটের ওপর মিতুর মরদেহ দেখতে পান। তার পাশ থেকে দানাদারজাতীয় একটি বিষের প্যাকেট পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মিতু আত্মহত্যা করেছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ বার্তাকণ্ঠকে বলেন, কনস্টেবল মিতু তার ভাই আবু হানিফের বাসায় ভাড়া থাকতেন। মাস দুয়েক আগে তিনি বাসা ভাড়া নেন। এখান থেকেই ঢাকায় অফিস করতেন। তার স্বামী মাঝে মধ্যে আসতেন। বাস্তা গ্রামে মিতুর নানাবাড়ি এলাকা।
এব্যাপারে  সিংগাইর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ইমরান জানান, খবর পেয়ে মিতুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
বার্তাকণ্ঠ/এন