শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনাকে এড়িয়ে চলতে মুসলিম বিশ্বের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়েছে-আল-কায়েদা

ফাইল ছবি

বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে মুসলিমদের হুঁশিয়ারি দিল আল-কায়েদার প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যা নিয়ে মুসলিম অধ্যুষিত মধ্যপ্রাচ্যে মাতামাতির অন্ত নেই। কিন্তু এরইমধ্যে তাদের জন্য একটি দুঃসংবাদ এলো। ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনাকে এড়িয়ে চলতে মুসলিম বিশ্বের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদা। খবর রয়টার্সের।

আল-কায়েদার ইয়েমেনভিত্তিক শাখা কাতারের প্রচুর সমালোচনা করেছে। তাদের কথা, কেন অনৈতিক লোক, সমকামী, দুর্নীতি ও নাস্তিকতার বীজ বপনকারীদের আরব উপদ্বীপে নিয়ে আসা হলো। তারা আরও বলেছে, বিশ্বকাপের এই ইভেন্টটি মুসলিম দেশগুলোতে দখলদারিত্ব ও অত্যাচার থেকে মনোযোগ সরাতে কাজ করছে।

এলজিবিটি অধিকারের পাশাপাশি সামাজিক বিধিনিষেধসহ কাতারের মানবাধিকার রেকর্ড নিয়ে সমালোচনার প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বকাপের এই আয়োজক দেশ বলেছে, ধর্ম, বর্ণ-সহ যৌন অভিমুখিতা বা পটভূমি নির্বিশেষে বিশ্বকাপ চলাকালীন সবাইকে কাতারে স্বাগত জানানো হবে। বিশ্বকাপ চলাকালীন প্রত্যেকের নিরাপত্তার জন্য তারা ৫০ হাজারেরও বেশি লোককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনাকে এড়িয়ে চলতে মুসলিম বিশ্বের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়েছে-আল-কায়েদা

প্রকাশের সময় : ০৪:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ নভেম্বর ২০২২

বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে মুসলিমদের হুঁশিয়ারি দিল আল-কায়েদার প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যা নিয়ে মুসলিম অধ্যুষিত মধ্যপ্রাচ্যে মাতামাতির অন্ত নেই। কিন্তু এরইমধ্যে তাদের জন্য একটি দুঃসংবাদ এলো। ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনাকে এড়িয়ে চলতে মুসলিম বিশ্বের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদা। খবর রয়টার্সের।

আল-কায়েদার ইয়েমেনভিত্তিক শাখা কাতারের প্রচুর সমালোচনা করেছে। তাদের কথা, কেন অনৈতিক লোক, সমকামী, দুর্নীতি ও নাস্তিকতার বীজ বপনকারীদের আরব উপদ্বীপে নিয়ে আসা হলো। তারা আরও বলেছে, বিশ্বকাপের এই ইভেন্টটি মুসলিম দেশগুলোতে দখলদারিত্ব ও অত্যাচার থেকে মনোযোগ সরাতে কাজ করছে।

এলজিবিটি অধিকারের পাশাপাশি সামাজিক বিধিনিষেধসহ কাতারের মানবাধিকার রেকর্ড নিয়ে সমালোচনার প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বকাপের এই আয়োজক দেশ বলেছে, ধর্ম, বর্ণ-সহ যৌন অভিমুখিতা বা পটভূমি নির্বিশেষে বিশ্বকাপ চলাকালীন সবাইকে কাতারে স্বাগত জানানো হবে। বিশ্বকাপ চলাকালীন প্রত্যেকের নিরাপত্তার জন্য তারা ৫০ হাজারেরও বেশি লোককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।