সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

চেয়ারম্যানের ছেলে মারধরের শিকার  থানার সালিশে

আমিনপুর থানায় সালিশে এসে সন্ত্রাসী  হামলায় আমিনপুর থানাধীন  মাসুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও  মাসুমদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা শহিদুল হক (নেতা শহিদ) এর ছেলে রানা সহ ৩ জন আহত হয়েছে।
২৪ শে নভেম্বর  (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যার দিকে পাবনা জেলাধীন আমিনপুর থানার পাশের চায়ের দোকানে এই ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সুত্রে জানা যায়। উক্ত ঘটনার পরিপেক্ষিতে ১৫ জনকে নামিক ও ৩-৪ জনকে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্ত করে  থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী রানার ভাই  রাজিবুল হক।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, মাসুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত খানেবাড়ি এলাকার একটি জমি নিয়ে মাসুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুত্র রানা ও খানেবাড়ি গ্রামের দুলাল মোল্লার পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। উল্লেখ্য দুলাল মোল্লা ও জালাল দের জমি নিয়ে ঝামেলা চলাকালীন সময়ে রানা ক্রয় সুত্রে মালিকানা লাভ করে।
ঘটনার দিন বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দু’পক্ষ কে  থানায় ডাকেন আমিনপুর থানা পুলিশ। উক্ত সালিশী বৈঠক চলাকালীন সময়ে  রানা  থানার পাশের চায়ের দোকানে  আসলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী  সেলিম চৌধুরী ও তার লোকজন রানা সহ তাদের ৩ জনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও  এলোপাথারি মারধর করে বলে থানার অভিযোগ  সুত্রে জানা যায়। পরবর্তীতে আহতদের  চিকিৎসার জন্য  উপজেলা স্বাস্থ্য  কমপ্লেক্সে ভর্তি করে তাদের পরিবার।
এ বিষয়ে  জানতে চাইলে আমিনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জহুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে চিলি , নিহত -২৪

চেয়ারম্যানের ছেলে মারধরের শিকার  থানার সালিশে

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২
আমিনপুর থানায় সালিশে এসে সন্ত্রাসী  হামলায় আমিনপুর থানাধীন  মাসুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও  মাসুমদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা শহিদুল হক (নেতা শহিদ) এর ছেলে রানা সহ ৩ জন আহত হয়েছে।
২৪ শে নভেম্বর  (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যার দিকে পাবনা জেলাধীন আমিনপুর থানার পাশের চায়ের দোকানে এই ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সুত্রে জানা যায়। উক্ত ঘটনার পরিপেক্ষিতে ১৫ জনকে নামিক ও ৩-৪ জনকে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্ত করে  থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী রানার ভাই  রাজিবুল হক।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, মাসুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত খানেবাড়ি এলাকার একটি জমি নিয়ে মাসুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুত্র রানা ও খানেবাড়ি গ্রামের দুলাল মোল্লার পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। উল্লেখ্য দুলাল মোল্লা ও জালাল দের জমি নিয়ে ঝামেলা চলাকালীন সময়ে রানা ক্রয় সুত্রে মালিকানা লাভ করে।
ঘটনার দিন বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দু’পক্ষ কে  থানায় ডাকেন আমিনপুর থানা পুলিশ। উক্ত সালিশী বৈঠক চলাকালীন সময়ে  রানা  থানার পাশের চায়ের দোকানে  আসলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী  সেলিম চৌধুরী ও তার লোকজন রানা সহ তাদের ৩ জনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও  এলোপাথারি মারধর করে বলে থানার অভিযোগ  সুত্রে জানা যায়। পরবর্তীতে আহতদের  চিকিৎসার জন্য  উপজেলা স্বাস্থ্য  কমপ্লেক্সে ভর্তি করে তাদের পরিবার।
এ বিষয়ে  জানতে চাইলে আমিনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জহুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।