সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কোনো রাষ্ট্রের কল্যাণ হয় না বিদেশিদের হস্তক্ষেপে–পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, বিদেশিদের হস্তক্ষেপে কোনো রাষ্ট্রের কল্যাণ হয় না। কিছু কিছু লোক বিদেশিদের কাছে গিয়ে চান, তারা একটা চাপ দিক। এটা খুবই দুঃখজনক। তারা হস্তক্ষেপ করলে কোথাও ভালো ফল আসে না। বিদেশিরা কখনই মঙ্গলের কাজে আসে না।

উদাহরণ হিসেবে আফগানিস্তানসহ কয়েকটি দেশের কথা উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা হলো- বিদেশিরা যখন স্বদেশের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, তখন সেই দেশের মঙ্গল হয় না। আফগানিস্তান কী কষ্টে আছে এই বিদেশিদের জ্বালায়। চিলিতে পিনোশে (চিলির স্বৈরশাসক) কি একটা পপুলার গভর্নমেন্ট ছিল, বিদেশিদের জ্বালায় সে ধ্বংস হয়ে গেল।’

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, বিএনপি দেশের বিষয়টি নিয়ে বিদেশিদের কাছে ধরনা দিচ্ছে। আর বিএনপি নেতারা বলছেন, বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিদেশি কূটনীতিকদের কথায় ফুটে উঠেছে।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশিরা যেখানেই মাতুব্বরি করেছে, সেখানকার অবস্থা ভয়াবহ হয়েছে, এটা জেনেও বাংলাদেশের অনেকেই বিদেশিদের কাছে ধরনা দেন।’

মন্ত্রীর কাছে সাংবাদিকদের আরেকটি প্রশ্ন ছিল- বিদেশি দূতরা কোড অব কনডাক্ট মানছেন না। তাহলে বাংলাদেশ কি বিদেশিদের বক্তব্যকে পাত্তা দিচ্ছে?

জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, আমেরিকার মতো দেশ তাদের গত নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগে রাশিয়ার ২০-২১ জন কূটনীতিককে বের করে দিয়েছিল। এছাড়া আমেরিকার আভ্যন্তরীণ যেসব সংস্থা রাশিয়াকে সহযোগিতা করেছিল বলে তারা মনে করেছে, তাদের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছিল। তারা শক্তিশালী দেশ‌ হওয়ায় এসব পদক্ষেপ সহজেই নিতে পারে। তবে আমাদের সেই শক্তি কিংবা সামর্থ্য নেই, তাই আমরা এ পদক্ষেপ নেইনি। তবে সময় হলে আমরাও অ্যাকশনে যাব।

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

বিয়ে নিয়ে কোনো অস্বস্তি-আফসোস নেই স্বস্তিকার

কোনো রাষ্ট্রের কল্যাণ হয় না বিদেশিদের হস্তক্ষেপে–পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৭:১৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, বিদেশিদের হস্তক্ষেপে কোনো রাষ্ট্রের কল্যাণ হয় না। কিছু কিছু লোক বিদেশিদের কাছে গিয়ে চান, তারা একটা চাপ দিক। এটা খুবই দুঃখজনক। তারা হস্তক্ষেপ করলে কোথাও ভালো ফল আসে না। বিদেশিরা কখনই মঙ্গলের কাজে আসে না।

উদাহরণ হিসেবে আফগানিস্তানসহ কয়েকটি দেশের কথা উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা হলো- বিদেশিরা যখন স্বদেশের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, তখন সেই দেশের মঙ্গল হয় না। আফগানিস্তান কী কষ্টে আছে এই বিদেশিদের জ্বালায়। চিলিতে পিনোশে (চিলির স্বৈরশাসক) কি একটা পপুলার গভর্নমেন্ট ছিল, বিদেশিদের জ্বালায় সে ধ্বংস হয়ে গেল।’

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, বিএনপি দেশের বিষয়টি নিয়ে বিদেশিদের কাছে ধরনা দিচ্ছে। আর বিএনপি নেতারা বলছেন, বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিদেশি কূটনীতিকদের কথায় ফুটে উঠেছে।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশিরা যেখানেই মাতুব্বরি করেছে, সেখানকার অবস্থা ভয়াবহ হয়েছে, এটা জেনেও বাংলাদেশের অনেকেই বিদেশিদের কাছে ধরনা দেন।’

মন্ত্রীর কাছে সাংবাদিকদের আরেকটি প্রশ্ন ছিল- বিদেশি দূতরা কোড অব কনডাক্ট মানছেন না। তাহলে বাংলাদেশ কি বিদেশিদের বক্তব্যকে পাত্তা দিচ্ছে?

জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, আমেরিকার মতো দেশ তাদের গত নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগে রাশিয়ার ২০-২১ জন কূটনীতিককে বের করে দিয়েছিল। এছাড়া আমেরিকার আভ্যন্তরীণ যেসব সংস্থা রাশিয়াকে সহযোগিতা করেছিল বলে তারা মনে করেছে, তাদের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছিল। তারা শক্তিশালী দেশ‌ হওয়ায় এসব পদক্ষেপ সহজেই নিতে পারে। তবে আমাদের সেই শক্তি কিংবা সামর্থ্য নেই, তাই আমরা এ পদক্ষেপ নেইনি। তবে সময় হলে আমরাও অ্যাকশনে যাব।