রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৩ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কপোতাক্ষ নদে অবৈধ বালু উত্তোলন : প্রশাসনের অভিযানে দুটি ট্রাক জব্দ

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় কপোতাক্ষ নদ খননের নামে অবাধে চলছে বালু উত্তোলন। কোথাও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিজে, কোথাও বা আবার তাদের নাম ভাঙিয়ে স্হানীয় প্রভাবশালী কেউ অবৈধ বালু উত্তোলন করছে। ঝিকরগাছা বাজার ব্রীজ থেকে ছুটিপুর ব্রীজ পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে বালু তুলে স্তুপ করে রাখা হয়েছে এবং সুবিধাজনক সময়ে সেই সব বালু বিক্রয় করা হচ্ছে। এই নিয়ে স্হানীয় জনগনের মধ্যে ভূমিধ্বসের আতংক বিরাজ করছে।
বিষয়টি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে স্হানীয় এবং জাতীয় পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে সংবাদ পরিবেশিত হওয়ার প্রেক্ষিতে গতকাল ঝিকরগাছা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন ভক্ত গদখালি ইউনিয়নের বারবাকপুর প্রাইমারী স্কুলের পেছনে বাঁশ বাগানে একটি অবৈধ বালুর স্তুপে অভিযান পরিচালনা করেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু ব্যবসায়ের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা একটি ট্রাক এবং একটি ট্রাক্টর ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। প্রশাসন উক্ত গাড়ি দুটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন ভক্ত বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে আমরা কপোতাক্ষ নদ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছি। গতকাল সংবাদ পাই বারবাকপুর গ্রামের মৃত মওলা বক্সের ছেলে ওলিয়ার প্রাইমারি স্কুলের পেছনে প্রায় ২/৩ লক্ষ ফুট (১৫০০ ট্রাক) বালি তুলে বিক্রয় করছে। আমরা সেখানে পৌঁছে কাওকে ধরতে পারিনি। এসময় বালি নিতে আসা দুটি ট্রাক জব্দ করে থানায় নিয়ে আসি। বালু উত্তোলনের সাথে জড়িতদের নামে নিয়মিত মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে ঝিকরগাছার বেলেবটতলা, পঞ্চনগর, হাড়িয়াদেয়াড়া প্রাইমারী স্কুলের মাঠে নতুন করে বালু তুলে স্তুপ করে রাখা হচ্ছে পরবর্তীতে বিক্রয় করার উদ্দেশ্যে। স্হানীয় এলাকাবাসী এসকল বালু উত্তোলকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের আরও জোরদার ভুমিকা পালন করার আহবান জানিয়েছেন।

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

গ্রন্থাগার দিবসের প্রতিপাদ্য ‘স্মার্ট গ্রন্থাগার, স্মার্ট বাংলাদেশ : মতিয়া চৌধুরী

কপোতাক্ষ নদে অবৈধ বালু উত্তোলন : প্রশাসনের অভিযানে দুটি ট্রাক জব্দ

প্রকাশের সময় : ০৭:০০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় কপোতাক্ষ নদ খননের নামে অবাধে চলছে বালু উত্তোলন। কোথাও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিজে, কোথাও বা আবার তাদের নাম ভাঙিয়ে স্হানীয় প্রভাবশালী কেউ অবৈধ বালু উত্তোলন করছে। ঝিকরগাছা বাজার ব্রীজ থেকে ছুটিপুর ব্রীজ পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে বালু তুলে স্তুপ করে রাখা হয়েছে এবং সুবিধাজনক সময়ে সেই সব বালু বিক্রয় করা হচ্ছে। এই নিয়ে স্হানীয় জনগনের মধ্যে ভূমিধ্বসের আতংক বিরাজ করছে।
বিষয়টি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে স্হানীয় এবং জাতীয় পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে সংবাদ পরিবেশিত হওয়ার প্রেক্ষিতে গতকাল ঝিকরগাছা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন ভক্ত গদখালি ইউনিয়নের বারবাকপুর প্রাইমারী স্কুলের পেছনে বাঁশ বাগানে একটি অবৈধ বালুর স্তুপে অভিযান পরিচালনা করেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু ব্যবসায়ের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা একটি ট্রাক এবং একটি ট্রাক্টর ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। প্রশাসন উক্ত গাড়ি দুটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন ভক্ত বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে আমরা কপোতাক্ষ নদ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছি। গতকাল সংবাদ পাই বারবাকপুর গ্রামের মৃত মওলা বক্সের ছেলে ওলিয়ার প্রাইমারি স্কুলের পেছনে প্রায় ২/৩ লক্ষ ফুট (১৫০০ ট্রাক) বালি তুলে বিক্রয় করছে। আমরা সেখানে পৌঁছে কাওকে ধরতে পারিনি। এসময় বালি নিতে আসা দুটি ট্রাক জব্দ করে থানায় নিয়ে আসি। বালু উত্তোলনের সাথে জড়িতদের নামে নিয়মিত মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে ঝিকরগাছার বেলেবটতলা, পঞ্চনগর, হাড়িয়াদেয়াড়া প্রাইমারী স্কুলের মাঠে নতুন করে বালু তুলে স্তুপ করে রাখা হচ্ছে পরবর্তীতে বিক্রয় করার উদ্দেশ্যে। স্হানীয় এলাকাবাসী এসকল বালু উত্তোলকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের আরও জোরদার ভুমিকা পালন করার আহবান জানিয়েছেন।