সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

অসুস্থ ব্যক্তির নামাজ পড়ার নিয়ম

বান্দার কাঁধে সাধ্যের বাইরের কোনো বোঝা চাপিয়ে দেন না আল্লাহ তাআলা। সরাসরি কোরআন-সুন্নাহ থেকে প্রমাণিত বিষয়টি । এরশাদ হচ্ছে, ‘আল্লাহ কোনো মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে কিছু চাপিয়ে দেন না।’ (সুরা বাকারা: ২৮৬) মহানবী (সা.) সাহাবি ইমরান বিন হুসাইনকে বলেছিলেন, ‘তুমি দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করো। দাঁড়িয়ে না পারলে বসে আদায় করো। বসে না পারলে পার্শ্বদেশে ভর দিয়ে শুয়ে ইশারা করে নামাজ আদায় করো।’ (আবু দাউদ)

নামাজ গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হওয়ায় অসুস্থ অবস্থায়ও তা আদায় করতে হয়। সুতরাং যার পক্ষে যে ফরজগুলো পূর্ণ আদায় করা সম্ভব হবে না, সে যতটুকু আদায় করতে সক্ষম, ততটুকু আদায় করবে। যে প্রচণ্ড ব্যথার কারণে দাঁড়াতে পারে না অথবা দাঁড়ালে অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, কিংবা নতুন করে অসুস্থ হওয়ার শঙ্কা জাগে, তবে সে বসেই রুকু-সিজদা দিয়ে নামাজ আদায় করবে। কেউ যদি বসে নামাজ আদায় করতে পারে, তবে রুকু-সিজদা ঠিকমতো দিতে পারে না, সে ইশারায় রুকু-সিজদা আদায় করবে। ইশারার রুকু-সিজদা করার সময় সিজদার জন্য রুকু থেকে অধিক পরিমাণ মাথা নোয়াতে হবে। তা না হলে নামাজ হবে না। আর কোনো কিছু উঠিয়ে কপালে ঠেকিয়ে সিজদা করলে সিজদা আদায় হবে না।

বসে নামাজ আদায় করতে অক্ষম হলে, সে উভয় পা কেবলামুখী করে খাঁড়া করে রাখবে। নিজে বালিশের সঙ্গে হেলান দিয়ে শুয়ে চেহারা কেবলামুখী রাখার চেষ্টা করবে।

রুকু-সিজদা ইশারার মাধ্যমে আদায় করবে। যদি এ নিয়মে নামাজ আদায় করতে না পারে, তাহলে চিত হয়ে শুয়ে ইশারায় নামাজ আদায় করতে পারবে। তবে মনে রাখতে হবে, ইশারা মাথা দিয়ে করতে হবে। চোখ বা ভ্রু দিয়ে ইশারা করলে রুকু-সিজদা আদায় হবে না।

যদি এক দিন এক রাত মাথা দিয়ে ইশারা করতে না পারে, তবে সে এক দিন এক রাতের নামাজ পরে সক্ষম হলে আদায় করে নেবে। এমন মুমূর্ষু অবস্থা বহাল থাকলে পরের দিন থেকে নামাজ পড়তে হবে না এবং কাজাও করতে হবে না। (আল বাহরুর রায়েক, হেদায়া)

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

ঠাকুরগাঁওয়ে কুয়াশায় ঢাকা চারপাশ, কমেছে তাপমাত্রা

অসুস্থ ব্যক্তির নামাজ পড়ার নিয়ম

প্রকাশের সময় : ১০:১৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২

বান্দার কাঁধে সাধ্যের বাইরের কোনো বোঝা চাপিয়ে দেন না আল্লাহ তাআলা। সরাসরি কোরআন-সুন্নাহ থেকে প্রমাণিত বিষয়টি । এরশাদ হচ্ছে, ‘আল্লাহ কোনো মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে কিছু চাপিয়ে দেন না।’ (সুরা বাকারা: ২৮৬) মহানবী (সা.) সাহাবি ইমরান বিন হুসাইনকে বলেছিলেন, ‘তুমি দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করো। দাঁড়িয়ে না পারলে বসে আদায় করো। বসে না পারলে পার্শ্বদেশে ভর দিয়ে শুয়ে ইশারা করে নামাজ আদায় করো।’ (আবু দাউদ)

নামাজ গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হওয়ায় অসুস্থ অবস্থায়ও তা আদায় করতে হয়। সুতরাং যার পক্ষে যে ফরজগুলো পূর্ণ আদায় করা সম্ভব হবে না, সে যতটুকু আদায় করতে সক্ষম, ততটুকু আদায় করবে। যে প্রচণ্ড ব্যথার কারণে দাঁড়াতে পারে না অথবা দাঁড়ালে অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, কিংবা নতুন করে অসুস্থ হওয়ার শঙ্কা জাগে, তবে সে বসেই রুকু-সিজদা দিয়ে নামাজ আদায় করবে। কেউ যদি বসে নামাজ আদায় করতে পারে, তবে রুকু-সিজদা ঠিকমতো দিতে পারে না, সে ইশারায় রুকু-সিজদা আদায় করবে। ইশারার রুকু-সিজদা করার সময় সিজদার জন্য রুকু থেকে অধিক পরিমাণ মাথা নোয়াতে হবে। তা না হলে নামাজ হবে না। আর কোনো কিছু উঠিয়ে কপালে ঠেকিয়ে সিজদা করলে সিজদা আদায় হবে না।

বসে নামাজ আদায় করতে অক্ষম হলে, সে উভয় পা কেবলামুখী করে খাঁড়া করে রাখবে। নিজে বালিশের সঙ্গে হেলান দিয়ে শুয়ে চেহারা কেবলামুখী রাখার চেষ্টা করবে।

রুকু-সিজদা ইশারার মাধ্যমে আদায় করবে। যদি এ নিয়মে নামাজ আদায় করতে না পারে, তাহলে চিত হয়ে শুয়ে ইশারায় নামাজ আদায় করতে পারবে। তবে মনে রাখতে হবে, ইশারা মাথা দিয়ে করতে হবে। চোখ বা ভ্রু দিয়ে ইশারা করলে রুকু-সিজদা আদায় হবে না।

যদি এক দিন এক রাত মাথা দিয়ে ইশারা করতে না পারে, তবে সে এক দিন এক রাতের নামাজ পরে সক্ষম হলে আদায় করে নেবে। এমন মুমূর্ষু অবস্থা বহাল থাকলে পরের দিন থেকে নামাজ পড়তে হবে না এবং কাজাও করতে হবে না। (আল বাহরুর রায়েক, হেদায়া)