সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম,কাল আওয়ামীলীগের জনসভা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম। বিগত ১৩ বছরে এখানে হাজার হাজার কোটি টাকার যে উন্নয়ন হয়েছে তার প্রতিদান জনসভায় উপস্থিত হয়ে দিতে উন্মুখ হয়ে আছেন চট্টগ্রামবাসী। স্মরণকালের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহাসিক জনসভার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানানো হবে।

আগামীকালের জনসভা সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন।

সকালে সিনিয়রস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, পলোগ্রাউন্ড মাঠ ছাড়িয়ে জনসভা শহরের কয়েক কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত হতে পারে। তাই মাঠের বাইরেও কয়েকশ’ মাইক লাগানোর পাশাপাশি পথে পথে এলইডি প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ লাইভ দেখানো হবে।

সংবাদ সম্মেলনে হুইপ ও আওয়ামী লীগের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, কেন্দ্রীয় উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ এমপি, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মোছলেম উদ্দিন আহমেদ এমপি বলেন, অতীতে বিএনপি জোট সরকারের আমলে চট্টগ্রামের ৯ জন মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু কোনো উন্নয়ন হয়নি। বর্তমানে বাংলাদেশে যে দু’টি মেগা প্রজেক্ট হয়েছে তার একটি চট্টগ্রামে-কর্ণফুলীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। বাংলাদেশে একটিমাত্র মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি হচ্ছে চট্টগ্রামে। লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে হচ্ছে। চট্টগ্রাম-ঢাকা ফোরলেন সড়ক হয়েছে। চট্টগ্রামে কালুরঘাট সেতু নির্মাণ ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরাসহ আরও বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের বার্তা প্রধানমন্ত্রী জনসভা থেকে দিতে পারেন। সব মিলিয়ে উন্নয়নের যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ওপর সন্তুষ্ট চট্টগ্রামের মানুষ। তাই তারা জনসভায় উপস্থিত হয়েই তাদের সন্তুষ্টি ও কৃতজ্ঞতা জানাবেন প্রধানমন্ত্রীকে। আগামী নির্বাচনে তাকে আবারও ক্ষমতায় আনার বার্তা দেবেন।

আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, সারা দেশের ইপিজেডগুলোর আয়তন যেখানে সাড়ে তিন হাজার একর সেখানে কেবল মিরসরাইতে বঙ্গবন্ধু শিল্পপার্ক গড়ে তোলা হয়েছে ৩০ হাজার একর জমিতে। যেখানে ইতোমধ্যে ৪০টি শিল্প স্থাপন হয়েছে। পুরো ইপিজেড চালু হলে ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। পরোক্ষভাবে লাভবান হবে আরও পাঁচ লাখ মানুষ। চট্টগ্রাম-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপিকে মহাসমাবেশ করার জন্য ঢাকায় মহা মাঠ দেওয়া হলেও তারা কেন গলিতে মহাসমাবেশ করতে চান তা তাদের বোধগম্য নয়। বিএনপি মহাসমাবেশ করার জন্য যে সুবিধা পায় সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ করার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ অনেক অসুবিধার মুখে পড়ে বলে দাবি করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কারণে সরকারের অনেক নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকে। যে কারণে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পদে পদে বাধা ডিঙ্গাতে হয়।

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

ঠাকুরগাঁওয়ে কুয়াশায় ঢাকা চারপাশ, কমেছে তাপমাত্রা

প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম,কাল আওয়ামীলীগের জনসভা

প্রকাশের সময় : ০৮:২৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম। বিগত ১৩ বছরে এখানে হাজার হাজার কোটি টাকার যে উন্নয়ন হয়েছে তার প্রতিদান জনসভায় উপস্থিত হয়ে দিতে উন্মুখ হয়ে আছেন চট্টগ্রামবাসী। স্মরণকালের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহাসিক জনসভার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানানো হবে।

আগামীকালের জনসভা সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন।

সকালে সিনিয়রস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, পলোগ্রাউন্ড মাঠ ছাড়িয়ে জনসভা শহরের কয়েক কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত হতে পারে। তাই মাঠের বাইরেও কয়েকশ’ মাইক লাগানোর পাশাপাশি পথে পথে এলইডি প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ লাইভ দেখানো হবে।

সংবাদ সম্মেলনে হুইপ ও আওয়ামী লীগের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, কেন্দ্রীয় উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ এমপি, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মোছলেম উদ্দিন আহমেদ এমপি বলেন, অতীতে বিএনপি জোট সরকারের আমলে চট্টগ্রামের ৯ জন মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু কোনো উন্নয়ন হয়নি। বর্তমানে বাংলাদেশে যে দু’টি মেগা প্রজেক্ট হয়েছে তার একটি চট্টগ্রামে-কর্ণফুলীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। বাংলাদেশে একটিমাত্র মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি হচ্ছে চট্টগ্রামে। লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে হচ্ছে। চট্টগ্রাম-ঢাকা ফোরলেন সড়ক হয়েছে। চট্টগ্রামে কালুরঘাট সেতু নির্মাণ ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরাসহ আরও বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের বার্তা প্রধানমন্ত্রী জনসভা থেকে দিতে পারেন। সব মিলিয়ে উন্নয়নের যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ওপর সন্তুষ্ট চট্টগ্রামের মানুষ। তাই তারা জনসভায় উপস্থিত হয়েই তাদের সন্তুষ্টি ও কৃতজ্ঞতা জানাবেন প্রধানমন্ত্রীকে। আগামী নির্বাচনে তাকে আবারও ক্ষমতায় আনার বার্তা দেবেন।

আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, সারা দেশের ইপিজেডগুলোর আয়তন যেখানে সাড়ে তিন হাজার একর সেখানে কেবল মিরসরাইতে বঙ্গবন্ধু শিল্পপার্ক গড়ে তোলা হয়েছে ৩০ হাজার একর জমিতে। যেখানে ইতোমধ্যে ৪০টি শিল্প স্থাপন হয়েছে। পুরো ইপিজেড চালু হলে ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। পরোক্ষভাবে লাভবান হবে আরও পাঁচ লাখ মানুষ। চট্টগ্রাম-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপিকে মহাসমাবেশ করার জন্য ঢাকায় মহা মাঠ দেওয়া হলেও তারা কেন গলিতে মহাসমাবেশ করতে চান তা তাদের বোধগম্য নয়। বিএনপি মহাসমাবেশ করার জন্য যে সুবিধা পায় সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ করার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ অনেক অসুবিধার মুখে পড়ে বলে দাবি করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কারণে সরকারের অনেক নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকে। যে কারণে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পদে পদে বাধা ডিঙ্গাতে হয়।