শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পেঁয়াজ শুধু রান্নার স্বাদই বাড়ায় না, সেই সঙ্গে চুল ঝরে যাওয়াও রোধ করে!

পেঁয়াজ ছাড়া রান্নার স্বাদ যেন খোলতাই হয় না। অনেকে আবার কাঁচা পেঁয়াজ খেতেও খুব ভালবাসেন। তবে এটা শুধুই যে রান্নার স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয়, তা নয়। চুল পড়া রোধেও অনেকটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। আয়ুর্বেদে পেঁয়াজের অগণিত ঔষধি গুণের কথা লিপিবদ্ধ করা আছে।

পেঁয়াজের মধ্যে রয়েছে ফোলিক অ্যাসিড, ভিটামিন-সি এবং সালফার। এগুলো চুলের একাধিক সমস্যা যেমন – চুলের ডগা ভেঙে যাওয়া, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, মাথার ত্বকে সংক্রমণ এবং অকালে চুল পেকে যাওয়া প্রতিরোধ করে। তাই চুল পড়ার সমস্যায় পেঁয়াজভিত্তিক তেল ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। এই ধরনের তেল আজকাল বাজারে বেশ সহজলভ্য। পেঁয়াজের রস তেলে মিশিয়ে বাড়িতে সহজেই বানিয়ে ফেলা যেতে পারে। যা একেবারেই রাসায়নিক মুক্তও হবে। আর ওই তেলে নিজের পছন্দসই আরও নানা উপাদানও যোগ করা যাবে।

চুল পড়ার সম্ভাব্য কারণ:

বার্ধক্য:

বার্ধক্য একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। ত্বক-সহ শরীরের প্রতিটি অংশকে প্রভাবিত করে। হাড় ভঙ্গুর হয়, ত্বকে ফুটে ওঠে বলিরেখা। চুলও ক্ষয়ে যেতে থাকে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চুলে ফলিকল উৎপাদন কমে যায়। নতুন চুল আর তৈরি হয় না। ফলে চুল কমে যায়।

হরমোনের ভারসাম্যহীনতা:

হরমোনের ভারসাম্যহীনতা মহিলাদের চুল পড়ার সবচেয়ে বড় কারণ। পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোমে আক্রান্ত মহিলারা অ্যাটিপিকাল ত্বকের প্যাচগুলির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়।

জিনগত কারণ:

যদিও বংশগত ফ্যাক্টর পুরুষদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে টাক পড়ে যাওয়ার এটাই অন্যতম কারণ। তবে মহিলারাও এই সমস্যায় প্রভাবিত হন। জেনেটিক্স শুধুমাত্র চুলের ধরন এবং গুণমান নির্ধারণ করে না, এটি চুলের ফলিকলকে সঙ্কুচিত করতে এবং নতুন চুল গজানোর ক্ষমতাকেও প্রভাবিত করে।

 পুষ্টির ঘাটতি:

চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য পুষ্টি গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন হল চুলের বিল্ডিং ব্লক। জিঙ্ক এবং ম্যাগনেসিয়ামও চুলকে সুস্থ রাখতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। ক্র্যাশ ডায়েটের কারণে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। সেটাও চুলের দুর্বল স্বাস্থ্যের কারণ হিসেবে দেখা দেয়।

পেঁয়াজ-ভিত্তিক তেলের উপকারিতা:

পেঁয়াজ-ভিত্তিক তেল মাথার ত্বকে নির্দিষ্ট এনজাইমগুলিকে সক্রিয় করতে পারে, যা চুলের বিকাশের চক্রকে অপ্টিমাইজ করতে সাহায্য করে। এর ফলে চুলের দ্রুত বৃদ্ধি হয় এবং চুলও কম পড়ে। এ-ছাড়া পেঁয়াজ-ভিত্তিক তেলে প্রচুর পরিমাণে সালফার থাকে, যা চুল ভেঙ্গে যাওয়া, বিভক্ত হওয়া এবং পাতলা হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। এটি ঘটে কারণ সালফার চুলে প্রোটিন তৈরি করতে সাহায্য করে, যা স্ট্র্যান্ডের শক্তির জন্য অপরিহার্য।

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

বাংলাদেশ ও ভারত হচ্ছে অকৃত্রিম বন্ধু: ভারতীয় হাই কমিশনার

পেঁয়াজ শুধু রান্নার স্বাদই বাড়ায় না, সেই সঙ্গে চুল ঝরে যাওয়াও রোধ করে!

প্রকাশের সময় : ১২:১৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২

পেঁয়াজ ছাড়া রান্নার স্বাদ যেন খোলতাই হয় না। অনেকে আবার কাঁচা পেঁয়াজ খেতেও খুব ভালবাসেন। তবে এটা শুধুই যে রান্নার স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয়, তা নয়। চুল পড়া রোধেও অনেকটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। আয়ুর্বেদে পেঁয়াজের অগণিত ঔষধি গুণের কথা লিপিবদ্ধ করা আছে।

পেঁয়াজের মধ্যে রয়েছে ফোলিক অ্যাসিড, ভিটামিন-সি এবং সালফার। এগুলো চুলের একাধিক সমস্যা যেমন – চুলের ডগা ভেঙে যাওয়া, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, মাথার ত্বকে সংক্রমণ এবং অকালে চুল পেকে যাওয়া প্রতিরোধ করে। তাই চুল পড়ার সমস্যায় পেঁয়াজভিত্তিক তেল ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। এই ধরনের তেল আজকাল বাজারে বেশ সহজলভ্য। পেঁয়াজের রস তেলে মিশিয়ে বাড়িতে সহজেই বানিয়ে ফেলা যেতে পারে। যা একেবারেই রাসায়নিক মুক্তও হবে। আর ওই তেলে নিজের পছন্দসই আরও নানা উপাদানও যোগ করা যাবে।

চুল পড়ার সম্ভাব্য কারণ:

বার্ধক্য:

বার্ধক্য একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। ত্বক-সহ শরীরের প্রতিটি অংশকে প্রভাবিত করে। হাড় ভঙ্গুর হয়, ত্বকে ফুটে ওঠে বলিরেখা। চুলও ক্ষয়ে যেতে থাকে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চুলে ফলিকল উৎপাদন কমে যায়। নতুন চুল আর তৈরি হয় না। ফলে চুল কমে যায়।

হরমোনের ভারসাম্যহীনতা:

হরমোনের ভারসাম্যহীনতা মহিলাদের চুল পড়ার সবচেয়ে বড় কারণ। পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোমে আক্রান্ত মহিলারা অ্যাটিপিকাল ত্বকের প্যাচগুলির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়।

জিনগত কারণ:

যদিও বংশগত ফ্যাক্টর পুরুষদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে টাক পড়ে যাওয়ার এটাই অন্যতম কারণ। তবে মহিলারাও এই সমস্যায় প্রভাবিত হন। জেনেটিক্স শুধুমাত্র চুলের ধরন এবং গুণমান নির্ধারণ করে না, এটি চুলের ফলিকলকে সঙ্কুচিত করতে এবং নতুন চুল গজানোর ক্ষমতাকেও প্রভাবিত করে।

 পুষ্টির ঘাটতি:

চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য পুষ্টি গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন হল চুলের বিল্ডিং ব্লক। জিঙ্ক এবং ম্যাগনেসিয়ামও চুলকে সুস্থ রাখতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। ক্র্যাশ ডায়েটের কারণে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। সেটাও চুলের দুর্বল স্বাস্থ্যের কারণ হিসেবে দেখা দেয়।

পেঁয়াজ-ভিত্তিক তেলের উপকারিতা:

পেঁয়াজ-ভিত্তিক তেল মাথার ত্বকে নির্দিষ্ট এনজাইমগুলিকে সক্রিয় করতে পারে, যা চুলের বিকাশের চক্রকে অপ্টিমাইজ করতে সাহায্য করে। এর ফলে চুলের দ্রুত বৃদ্ধি হয় এবং চুলও কম পড়ে। এ-ছাড়া পেঁয়াজ-ভিত্তিক তেলে প্রচুর পরিমাণে সালফার থাকে, যা চুল ভেঙ্গে যাওয়া, বিভক্ত হওয়া এবং পাতলা হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। এটি ঘটে কারণ সালফার চুলে প্রোটিন তৈরি করতে সাহায্য করে, যা স্ট্র্যান্ডের শক্তির জন্য অপরিহার্য।