সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

৫টি খাবার বাদ দিলেই নিয়ন্ত্রণে ডায়াবেটিস রোগ!

ব্লাড সুগার, ডায়াবেটিস কিংবা মধুমেহ রোগ, নামে আলাদা হলেও আদতে তারা একই। বৈজ্ঞানিক ভাষায় এই রোগটিকে -সাইলেন্ট কিলারও বলা হয়। অজান্তেই শরীরে বাসা বেঁধে একের পর এক অঙ্গ নষ্ট করার ক্ষমতা রয়েছে। ফলে এই রোগ থেকে যতটা নিয়ন্ত্রণে নিজেকে রাখা যায় ততই সুস্থ থাকা যাবে।

হাই ডায়াবেটিস রোগে কিডনি এবং চোখ নষ্ট হয় খুব তাড়াতাড়ি। অনেকেরই দেখা যায়, প্রাথমিকভাবে ব্লাড সুগার ধরা পড়েছে। তবে তা একদম বর্ডার লাইনে। এই প্রি-ডায়াবেটিক সময়ে কিন্তু খুব সাবধানে থাকতে বলেন চিকিৎসকরা।
তবে নিয়ম মেনে খাবার খেলে এই রোগটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, দূরেও রাখা যায়। কীভাবে তা সম্ভব আসুন দেখে নেওয়া যাক-
প্যাকেটজাত পানীয় থেকে দূরেই থাকুন। কোল্ড ড্রিংক্স, ফ্রুট জুস এসব খেলে খুব সহজেই রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। প্রি-ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে তাই এসব খাবার এড়িয়ে চলাই ভাল।
ল্যানসেট গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ফাস্ট ফুড বা জাঙ্ক ফুড খেলে ওজন যেমন বাড়ে তেমনই শরীরে ইনসুলিন রেজিস্টেনস তৈরি হয়। ফলে খাবার খেলে ইনসুলিন কাজ করে না। রক্তে শর্করার পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত বাড়তে থাকে।  কোন ধরনের খাবার ব্রেকফাস্টে খাচ্ছেন সেই বিষয়টিও নজরে রাখুন। গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স বেশি রয়েছে এমন Cereals না খাওয়াই ভাল। এতে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে।
চিনি, ময়দা, ভাত-এই তিনটি এড়িয়ে চলুন। এই খাবারগুলির মধ্যে যে উপাদান আছে তা সুগার লেভেল বাড়িয়ে তোলে। পাস্তা যদি সুজির তৈরি হয় তবেই তা খেতে পারেন, নচেৎ নয়। বরং ব্রাউন রাইস, ব্রাউন ব্রেড কিংবা আটার তৈরি পাস্তা খেতে পারে। এতে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

ঢাকায় পৌঁছেছেন বেলজিয়ামের রানি

৫টি খাবার বাদ দিলেই নিয়ন্ত্রণে ডায়াবেটিস রোগ!

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৪:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২২

ব্লাড সুগার, ডায়াবেটিস কিংবা মধুমেহ রোগ, নামে আলাদা হলেও আদতে তারা একই। বৈজ্ঞানিক ভাষায় এই রোগটিকে -সাইলেন্ট কিলারও বলা হয়। অজান্তেই শরীরে বাসা বেঁধে একের পর এক অঙ্গ নষ্ট করার ক্ষমতা রয়েছে। ফলে এই রোগ থেকে যতটা নিয়ন্ত্রণে নিজেকে রাখা যায় ততই সুস্থ থাকা যাবে।

হাই ডায়াবেটিস রোগে কিডনি এবং চোখ নষ্ট হয় খুব তাড়াতাড়ি। অনেকেরই দেখা যায়, প্রাথমিকভাবে ব্লাড সুগার ধরা পড়েছে। তবে তা একদম বর্ডার লাইনে। এই প্রি-ডায়াবেটিক সময়ে কিন্তু খুব সাবধানে থাকতে বলেন চিকিৎসকরা।
তবে নিয়ম মেনে খাবার খেলে এই রোগটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, দূরেও রাখা যায়। কীভাবে তা সম্ভব আসুন দেখে নেওয়া যাক-
প্যাকেটজাত পানীয় থেকে দূরেই থাকুন। কোল্ড ড্রিংক্স, ফ্রুট জুস এসব খেলে খুব সহজেই রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। প্রি-ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে তাই এসব খাবার এড়িয়ে চলাই ভাল।
ল্যানসেট গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ফাস্ট ফুড বা জাঙ্ক ফুড খেলে ওজন যেমন বাড়ে তেমনই শরীরে ইনসুলিন রেজিস্টেনস তৈরি হয়। ফলে খাবার খেলে ইনসুলিন কাজ করে না। রক্তে শর্করার পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত বাড়তে থাকে।  কোন ধরনের খাবার ব্রেকফাস্টে খাচ্ছেন সেই বিষয়টিও নজরে রাখুন। গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স বেশি রয়েছে এমন Cereals না খাওয়াই ভাল। এতে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে।
চিনি, ময়দা, ভাত-এই তিনটি এড়িয়ে চলুন। এই খাবারগুলির মধ্যে যে উপাদান আছে তা সুগার লেভেল বাড়িয়ে তোলে। পাস্তা যদি সুজির তৈরি হয় তবেই তা খেতে পারেন, নচেৎ নয়। বরং ব্রাউন রাইস, ব্রাউন ব্রেড কিংবা আটার তৈরি পাস্তা খেতে পারে। এতে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।