সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

যশোরের অভয়নগরে মতিয়ারকে অপহরণের অভিযোগে ফের আদালতে মামলা

যশোর অভয়নগরের সমপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানকে অপহরণ, চাঁদাদাবি ও ফাঁকা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগে তহিদুল ইসলামসহ অপরিচিত ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে একটি মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার অপহৃত আতিয়ার রহমান বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক পলাশ কুমার দালাল অভিযোগের তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। আসামি তহিদুল ইসলাম যশোর সদরের কচুয়া রাজারহাট গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গত ১৭ নভেম্বর আতিয়ার রহমান রূপদিয়া কচুয়া বাজারে যান। সন্ধ্যা ৭ দিকে বাড়ি ফেরার সময় অপরিচিত কয়েকজন মতিয়ার হমানকে কৌশলে ডেকে নিয়ে আসামি তহিদুল ইসলামের বাড়ি নিয়ে আটকে রেখে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে দার স্ত্রীর কাছে ফোন দেয়। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে আসামিরা তাকে মারপিট করার হুমকি দেয়। এমধ্যে আসামিরা কয়েকিট ফাঁকা স্টাম্প এনে জোর করে স্বাক্ষর করে নেয়। মতিয়ারের স্ত্রী ৯৯৯ কল করে পুলিশেল সহায়তা চেলে রূপদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে আসলে আসামির তাকে ফেলে পালিয়ে যায়। পুলিশ অপহৃত মতিয়ারকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। মানসিক ভাবে কিছুটা সুস্থ্য হয়ে মতিয়ার রহমান বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা করেছেন। ভুয়া কাবিননাম তৈরী করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আইনজীবী সহকারী কাদেরসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে
ভুয়া কাবিননাম তৈরী করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আইনজীবী সহকারী কাদেরসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার যশোর শহরের বারান্দিপাড়া কদমতলার মৃত ওলিউল্লাহর ছেলে ইমরান হোসেন বকুল বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক পলাশ কুমার দালাল অভিযোগের তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।
আসামিরা হলো, বাঘারপাড়ার ইন্দ্রা গ্রামের মেহেদী হাসান শাহিন ও তার স্ত্রী জেসমিন, পান্না শেখের স্ত্রী জাহানারা বেগম, ছেলে ওমর আলী, ঠাকুরগাতি গ্রামের আলাদউদ্দিনের স্ত্রী রেবেকা খাতুন, সদরের বাগডাঙ্গা গ্রামের মুকুল খন্দারের ছেলে রফিকুল ইসলাম তুহিন ও যশোর আইনজীবী সমিতির সদস্য সুদীপ্ত কুমারের সহকারী ফতেপুর কাদের মুহুরী।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ইমরান হোসেন বকুল প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি একটি শিল্প কারখানা করবেন বলে জমি খুজছিলেন। এরমধ্যে আসামি শাহিনের সাথে তার পরিচয় হয়। শাহিন নিজেকে যশোর পিবিআইয়ে কর্মরত আছেন বলে জানান। বকুল আসামি শাহিনের সাথে আলাপচারিতায় শিল্প কারখানা তৈরীর জন্য একবিঘা জমি ক্রয় করবেন বলে জানা। এ সময় শাহিন তার শ্বশুর বাড়ি বাঘারপাড়ার ইন্দ্রা গ্রামের তার স্ত্রী জেসমিনের নামে একবিঘা জমি আছে যা তিনি বিক্রি করবেন বলে প্রস্তাব দেন। বকুল জমি কিনবেন বলে ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে জেসমিনের ব্যাংক হিসাব নম্বরে ৪৬ লাখ ৯২ হাজার ১০০ টাকা পরিশোধ করেন। এরপর জমি লিখে দিতে বললে শাহিন ও তার স্ত্রী জেসমিন দলিল না করে দিয়ে তলাবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে জেসমিনের পিতা-মা, ভাইসহ আত্মীয়স্বজনের জেনে নানা ভাবে হুমকি দিতে থাকেন বকুলকে। এ বিষয়ে বাঘারপাড়া উপজেলা পরিষদে অভিযোগ দিলে শালিসে শাহিন ও তার লোকজন টাকা ফেরত দেয়ার লিখিত অঙ্গীকারনামা করে দেন। শাহিন ও তার স্ত্রী জেসমিন টাকা ফেরত না দিয়ে ঘোরাতে থাকেন। গত গত ২০ আগস্ট বিকেলে আসামিরা একটি মাইক্রোসাবে বকুলের বাসার সামনে এসে ডাকাডাকি করতে থাকে। এ সময় বকুল বাইরে আসলে আসামিরা একটি কাবিননাম দেখিয়ে জেসমিনকে তার স্ত্রী বলে একটি কাবিননামা দেখায়। কাবিনমানায় জেসমিনের নাম কন্যা কুমারী উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা দ্রুত পালিয়ে যায়। আসামিরা পরিকল্পিত ভাবে জালজালিয়াতি করে মিথ্যা কাবিনামা তৈরী করে প্রতারনার মাধ্যমে টাকা আত্মসাত করার চেষ্টার অভিযোগে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।#

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে চিলি , নিহত -২৪

যশোরের অভয়নগরে মতিয়ারকে অপহরণের অভিযোগে ফের আদালতে মামলা

প্রকাশের সময় : ১০:২৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২২
যশোর অভয়নগরের সমপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানকে অপহরণ, চাঁদাদাবি ও ফাঁকা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগে তহিদুল ইসলামসহ অপরিচিত ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে একটি মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার অপহৃত আতিয়ার রহমান বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক পলাশ কুমার দালাল অভিযোগের তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। আসামি তহিদুল ইসলাম যশোর সদরের কচুয়া রাজারহাট গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গত ১৭ নভেম্বর আতিয়ার রহমান রূপদিয়া কচুয়া বাজারে যান। সন্ধ্যা ৭ দিকে বাড়ি ফেরার সময় অপরিচিত কয়েকজন মতিয়ার হমানকে কৌশলে ডেকে নিয়ে আসামি তহিদুল ইসলামের বাড়ি নিয়ে আটকে রেখে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে দার স্ত্রীর কাছে ফোন দেয়। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে আসামিরা তাকে মারপিট করার হুমকি দেয়। এমধ্যে আসামিরা কয়েকিট ফাঁকা স্টাম্প এনে জোর করে স্বাক্ষর করে নেয়। মতিয়ারের স্ত্রী ৯৯৯ কল করে পুলিশেল সহায়তা চেলে রূপদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে আসলে আসামির তাকে ফেলে পালিয়ে যায়। পুলিশ অপহৃত মতিয়ারকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। মানসিক ভাবে কিছুটা সুস্থ্য হয়ে মতিয়ার রহমান বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা করেছেন। ভুয়া কাবিননাম তৈরী করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আইনজীবী সহকারী কাদেরসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে
ভুয়া কাবিননাম তৈরী করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আইনজীবী সহকারী কাদেরসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার যশোর শহরের বারান্দিপাড়া কদমতলার মৃত ওলিউল্লাহর ছেলে ইমরান হোসেন বকুল বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক পলাশ কুমার দালাল অভিযোগের তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।
আসামিরা হলো, বাঘারপাড়ার ইন্দ্রা গ্রামের মেহেদী হাসান শাহিন ও তার স্ত্রী জেসমিন, পান্না শেখের স্ত্রী জাহানারা বেগম, ছেলে ওমর আলী, ঠাকুরগাতি গ্রামের আলাদউদ্দিনের স্ত্রী রেবেকা খাতুন, সদরের বাগডাঙ্গা গ্রামের মুকুল খন্দারের ছেলে রফিকুল ইসলাম তুহিন ও যশোর আইনজীবী সমিতির সদস্য সুদীপ্ত কুমারের সহকারী ফতেপুর কাদের মুহুরী।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ইমরান হোসেন বকুল প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি একটি শিল্প কারখানা করবেন বলে জমি খুজছিলেন। এরমধ্যে আসামি শাহিনের সাথে তার পরিচয় হয়। শাহিন নিজেকে যশোর পিবিআইয়ে কর্মরত আছেন বলে জানান। বকুল আসামি শাহিনের সাথে আলাপচারিতায় শিল্প কারখানা তৈরীর জন্য একবিঘা জমি ক্রয় করবেন বলে জানা। এ সময় শাহিন তার শ্বশুর বাড়ি বাঘারপাড়ার ইন্দ্রা গ্রামের তার স্ত্রী জেসমিনের নামে একবিঘা জমি আছে যা তিনি বিক্রি করবেন বলে প্রস্তাব দেন। বকুল জমি কিনবেন বলে ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে জেসমিনের ব্যাংক হিসাব নম্বরে ৪৬ লাখ ৯২ হাজার ১০০ টাকা পরিশোধ করেন। এরপর জমি লিখে দিতে বললে শাহিন ও তার স্ত্রী জেসমিন দলিল না করে দিয়ে তলাবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে জেসমিনের পিতা-মা, ভাইসহ আত্মীয়স্বজনের জেনে নানা ভাবে হুমকি দিতে থাকেন বকুলকে। এ বিষয়ে বাঘারপাড়া উপজেলা পরিষদে অভিযোগ দিলে শালিসে শাহিন ও তার লোকজন টাকা ফেরত দেয়ার লিখিত অঙ্গীকারনামা করে দেন। শাহিন ও তার স্ত্রী জেসমিন টাকা ফেরত না দিয়ে ঘোরাতে থাকেন। গত গত ২০ আগস্ট বিকেলে আসামিরা একটি মাইক্রোসাবে বকুলের বাসার সামনে এসে ডাকাডাকি করতে থাকে। এ সময় বকুল বাইরে আসলে আসামিরা একটি কাবিননাম দেখিয়ে জেসমিনকে তার স্ত্রী বলে একটি কাবিননামা দেখায়। কাবিনমানায় জেসমিনের নাম কন্যা কুমারী উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা দ্রুত পালিয়ে যায়। আসামিরা পরিকল্পিত ভাবে জালজালিয়াতি করে মিথ্যা কাবিনামা তৈরী করে প্রতারনার মাধ্যমে টাকা আত্মসাত করার চেষ্টার অভিযোগে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।#