শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শীতে এই সুস্বাদু গাজরের পদগুলো রেঁধে ফেলুন,

ছবিঃ সংগৃহীত

শীতকাল মানেই রকমারি সবজি। ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলো, মটরশুঁটি, গাজর কত কী! তবে এর মধ্যে গাজর লা-জবাব। ভিটামিন এ, ভিটামিন কে ১, পটাসিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবারের মতো উপকারী পুষ্টিতে ভরপুর। কোলেস্টরলের বিরুদ্ধে লড়াই করে, হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। এখানে শীতস্পেশাল কয়েকটি সুস্বাদু গাজরের রেসিপির হদিশ দেওয়া হল।

গাজর মটরশুঁটির সবজি: প্রথমে একটা গ্রাইন্ডারে খোসা ছাড়ানো কাটা আদা, শুকনো লঙ্কা, কাটা পেঁয়াজ, টম্যাটোর একটা পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এবার একটা কড়াতে গরম করে নিতে হবে এক চামচ ঘি। তাতে জিরে গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো এবং তৈরি পেস্টটা দিয়ে ভাল করে ভেজ নিতে হবে। এবার হিং, নুন মিশিয়ে কাটা গাজর আর মটরশুঁটি দিয়ে রান্না করতে হবে ভাল করে। ব্যস গাজর মটরশুঁটির তরকারি তৈরি। গরম গরম রুটির সঙ্গে দুর্দান্ত খেতে লাগে।

লো ক্যালোরি গাজরের হালুয়া: একটা প্যানে ঘি গরম করে গ্রেট করা গাজর দিয়ে কয়েক মিনিট নেড়ে নিতে হবে। গাজর সেদ্ধ হয়ে গেলে তাতে দিতে হবে দুধ। এবার মাঝারি আঁচে আস্তে আস্তে নাড়তে হবে। এভাবে ২০ মিনিট থাক। মিশ্রণটা ঘন হয়ে এলে তাতে দিতে গুঁড়ো এলাচ। এরপর গুড় দিয়ে হালকা আঁচে সেদ্ধ করে নামিয়ে নিতে হবে।

গাজরের কাঞ্জি: গাজরের খোসা ছাড়িয়ে লম্বা লম্বা টুকরোয় কেটে নিতে হবে। এবার জল ফুটিয়ে তাতে দিতে হবে গাজর। জল আবার ফুটে উঠলে আঁচ বন্ধ করে ঠান্ডা করতে হবে। এবার তাতে নুন আর গুঁড়ো সরষে মিশিয়ে একটা বয়ামে ঢেলে নিতে হবে। এবার বয়ামটা প্রতিদিন রোদে দিতে হবে, কারণ সরষের স্বাদ আসতে ২-৪ দিন সময় লাগে। তবে কাঞ্জি তৈরি হয়ে গেলে আর রোদে রাখার দরকার নেই।

গাজরের ফ্রাই: গাজরের ফ্রাই করতে দরকার ৪টি বড় গাজর, ১ টেবিল চামচ জলপাই তেল এবং ১ চা চামচ স্মোকড পেপারিকা। ওভেন ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রিহিট করে পার্চমেন্ট পেপার দিয়ে বেকিং ট্রে লাইন তৈরি করে নিতে হবে। এবার গাজরগুলোকে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো কেটে নিয়ে পাত্রে রেখে অলিভ অয়েল ও স্মোকড পেপারিকা মাখিয়ে নিতে হবে। এবার বেকিং ট্রেতে রেখে ২৫ মিনিট বেক করলেই তৈরি হয়ে যাবে গাজরের ফ্রাই।

(Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

যে খবরে ৩ দিনেই ৩ লাখ কোটি রুপি হারাল আদানি গ্রুপ

শীতে এই সুস্বাদু গাজরের পদগুলো রেঁধে ফেলুন,

প্রকাশের সময় : ০৯:০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২২

শীতকাল মানেই রকমারি সবজি। ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলো, মটরশুঁটি, গাজর কত কী! তবে এর মধ্যে গাজর লা-জবাব। ভিটামিন এ, ভিটামিন কে ১, পটাসিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবারের মতো উপকারী পুষ্টিতে ভরপুর। কোলেস্টরলের বিরুদ্ধে লড়াই করে, হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। এখানে শীতস্পেশাল কয়েকটি সুস্বাদু গাজরের রেসিপির হদিশ দেওয়া হল।

গাজর মটরশুঁটির সবজি: প্রথমে একটা গ্রাইন্ডারে খোসা ছাড়ানো কাটা আদা, শুকনো লঙ্কা, কাটা পেঁয়াজ, টম্যাটোর একটা পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এবার একটা কড়াতে গরম করে নিতে হবে এক চামচ ঘি। তাতে জিরে গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো এবং তৈরি পেস্টটা দিয়ে ভাল করে ভেজ নিতে হবে। এবার হিং, নুন মিশিয়ে কাটা গাজর আর মটরশুঁটি দিয়ে রান্না করতে হবে ভাল করে। ব্যস গাজর মটরশুঁটির তরকারি তৈরি। গরম গরম রুটির সঙ্গে দুর্দান্ত খেতে লাগে।

লো ক্যালোরি গাজরের হালুয়া: একটা প্যানে ঘি গরম করে গ্রেট করা গাজর দিয়ে কয়েক মিনিট নেড়ে নিতে হবে। গাজর সেদ্ধ হয়ে গেলে তাতে দিতে হবে দুধ। এবার মাঝারি আঁচে আস্তে আস্তে নাড়তে হবে। এভাবে ২০ মিনিট থাক। মিশ্রণটা ঘন হয়ে এলে তাতে দিতে গুঁড়ো এলাচ। এরপর গুড় দিয়ে হালকা আঁচে সেদ্ধ করে নামিয়ে নিতে হবে।

গাজরের কাঞ্জি: গাজরের খোসা ছাড়িয়ে লম্বা লম্বা টুকরোয় কেটে নিতে হবে। এবার জল ফুটিয়ে তাতে দিতে হবে গাজর। জল আবার ফুটে উঠলে আঁচ বন্ধ করে ঠান্ডা করতে হবে। এবার তাতে নুন আর গুঁড়ো সরষে মিশিয়ে একটা বয়ামে ঢেলে নিতে হবে। এবার বয়ামটা প্রতিদিন রোদে দিতে হবে, কারণ সরষের স্বাদ আসতে ২-৪ দিন সময় লাগে। তবে কাঞ্জি তৈরি হয়ে গেলে আর রোদে রাখার দরকার নেই।

গাজরের ফ্রাই: গাজরের ফ্রাই করতে দরকার ৪টি বড় গাজর, ১ টেবিল চামচ জলপাই তেল এবং ১ চা চামচ স্মোকড পেপারিকা। ওভেন ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রিহিট করে পার্চমেন্ট পেপার দিয়ে বেকিং ট্রে লাইন তৈরি করে নিতে হবে। এবার গাজরগুলোকে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো কেটে নিয়ে পাত্রে রেখে অলিভ অয়েল ও স্মোকড পেপারিকা মাখিয়ে নিতে হবে। এবার বেকিং ট্রেতে রেখে ২৫ মিনিট বেক করলেই তৈরি হয়ে যাবে গাজরের ফ্রাই।

(Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)