শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সভারে রিকশাচালক হত্যা মামলা, ডাকাত সর্দার গ্রেপ্তার

ঢাকার সাভার উপজেলায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক হত্যা মামলায় এক ডাকাত দলের সর্দারকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৪ (র‌্যাব)।

শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার আশুলিয়া ইউনিয়নের বাসাইদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিকালে র‍্যাবের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

র‍্যাব-৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার মাজহারুল ইসলাম জানান, গত বছরের ১০ জুন সন্ধ্যায় গ্যারেজ থেকে রিকশা নিয়ে বের হন চালক শহিদুল ইসলাম। রাতে বাসায় ফেরেননি। পর দিন সকালে উপজেলার আনন্দপুর সিটিলেন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শহিদুলের স্ত্রী লাইলী বেগম সাভার মডেল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি জানান, মামলা হওয়ার পর পুলিশের পাশাপাশি ছায়া তদন্ত শুরু করে র‍্যাব। সম্প্রতি আমীর হোসেন বাবু নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর শহিদুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি। তাছাড়া হত্যাকাণ্ডে হযরত আলী জড়িত ছিল বলেও জানান তিনি। এর পর অভিযান চালিয়ে হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবে শহিদুল হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে হযরত আলী। তার বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় হত্যা ও ডাকাতিসহ চারটি মামলা রয়েছে।

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

‘পাঠান’ দিয়ে ৩২ বছর পর কাশ্মীরের সিনেমা হল হাউসফুল

সভারে রিকশাচালক হত্যা মামলা, ডাকাত সর্দার গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০৬:১২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৩

ঢাকার সাভার উপজেলায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক হত্যা মামলায় এক ডাকাত দলের সর্দারকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৪ (র‌্যাব)।

শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার আশুলিয়া ইউনিয়নের বাসাইদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিকালে র‍্যাবের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

র‍্যাব-৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার মাজহারুল ইসলাম জানান, গত বছরের ১০ জুন সন্ধ্যায় গ্যারেজ থেকে রিকশা নিয়ে বের হন চালক শহিদুল ইসলাম। রাতে বাসায় ফেরেননি। পর দিন সকালে উপজেলার আনন্দপুর সিটিলেন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শহিদুলের স্ত্রী লাইলী বেগম সাভার মডেল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি জানান, মামলা হওয়ার পর পুলিশের পাশাপাশি ছায়া তদন্ত শুরু করে র‍্যাব। সম্প্রতি আমীর হোসেন বাবু নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর শহিদুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি। তাছাড়া হত্যাকাণ্ডে হযরত আলী জড়িত ছিল বলেও জানান তিনি। এর পর অভিযান চালিয়ে হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবে শহিদুল হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে হযরত আলী। তার বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় হত্যা ও ডাকাতিসহ চারটি মামলা রয়েছে।