শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

চন্দনাইশে মাদ্রাসার নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত মকবুলিয়া কামিল (এম.এ) মাদরাসায় অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর’ নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,এই পদের জন্য মোট ১১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় ৪ জন উত্তীর্ণ হই। তাদের মধ্যে ৩ জনকে মৌখিক পরীক্ষায় কোনো প্রশ্ন না করে ২,৪,৫ নম্বর দিয়ে অন্যজনকে ৭ নম্বর দিয়ে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় ফলাফল বিবরণী কাঁটা-ছেঁড়া করে টাকার বিনিময়ে একজনকে নির্বাচিত করেন। এতে ধারণা করা হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে এই নিয়োগ দেওয়ার হয়েছে।পরীক্ষায় অংশগ্রহণকৃত উপজেলাধীন উত্তর হাশিমপুর (ভাই খলিফা পাড়া)’র নুর আহমদের মেয়ে শাহীদা আকতার নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতি প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,এ রকম একটি নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী,প্রতিষ্ঠানে’র শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ আতঙ্কের মধ্যে আছেন। এব্যপারে মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও চন্দনাইশ পৌরসভার মেয়র মাহবুবুল আলম খোকা জানান,তিনি এবং অধ্যক্ষ নিয়োগ বোর্ডের সদস্য মাত্র। নিয়োগ পরীক্ষা নিয়মতান্ত্রিকভাবে হয়েছে। আর্থিক লেনদেন,অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন। অভিযোগকারী আরবি টাইপ ভালো না করায় সে নির্বাচিত হতে পারে নাই। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. নুরুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সরকারি বিধি মোতাবেক স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এখানে অনিয়মের কোন সুযোগ ছিলনা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরীন আকতার জানান,অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

‘পাঠান’ দিয়ে ৩২ বছর পর কাশ্মীরের সিনেমা হল হাউসফুল

চন্দনাইশে মাদ্রাসার নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত মকবুলিয়া কামিল (এম.এ) মাদরাসায় অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর’ নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,এই পদের জন্য মোট ১১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় ৪ জন উত্তীর্ণ হই। তাদের মধ্যে ৩ জনকে মৌখিক পরীক্ষায় কোনো প্রশ্ন না করে ২,৪,৫ নম্বর দিয়ে অন্যজনকে ৭ নম্বর দিয়ে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় ফলাফল বিবরণী কাঁটা-ছেঁড়া করে টাকার বিনিময়ে একজনকে নির্বাচিত করেন। এতে ধারণা করা হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে এই নিয়োগ দেওয়ার হয়েছে।পরীক্ষায় অংশগ্রহণকৃত উপজেলাধীন উত্তর হাশিমপুর (ভাই খলিফা পাড়া)’র নুর আহমদের মেয়ে শাহীদা আকতার নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতি প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,এ রকম একটি নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী,প্রতিষ্ঠানে’র শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ আতঙ্কের মধ্যে আছেন। এব্যপারে মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও চন্দনাইশ পৌরসভার মেয়র মাহবুবুল আলম খোকা জানান,তিনি এবং অধ্যক্ষ নিয়োগ বোর্ডের সদস্য মাত্র। নিয়োগ পরীক্ষা নিয়মতান্ত্রিকভাবে হয়েছে। আর্থিক লেনদেন,অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন। অভিযোগকারী আরবি টাইপ ভালো না করায় সে নির্বাচিত হতে পারে নাই। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. নুরুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সরকারি বিধি মোতাবেক স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এখানে অনিয়মের কোন সুযোগ ছিলনা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরীন আকতার জানান,অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।