শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩, ১০ চৈত্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামকে উড়িয়ে ফের শীর্ষে মাশরাফির সিলেট

পয়েন্ট সমান হলেও রানরেটে এগিয়ে তালিকার শীর্ষে চলে এসেছিল সাকিব আল হাসানের ফরচুন বরিশাল। তবে তাদের সেখানে শক্ত হয়ে বসতে দেয়নি মাশরাফি বিন মর্তুজার সিলেট স্ট্রাইকার্স। ফের তারা দখলে নিয়েছে শীর্ষস্থান।

আজ (শুক্রবার) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে ৭ উইকেট আর ২ ওভার হাতে রেখে হারিয়েছে সিলেট সিক্সার্স। এখন মাশরাফির দলের পয়েন্ট ১৪, সাকিবের বরিশালের ১২।

লক্ষ্য ছিল ১৭৫ রানের। রান তাড়ায় নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে ভালো সূচনা পায় সিলেট। তৌহিদ হৃদয়কে নিয়ে ৮ ওভারে ৬৩ রান তোলেন শান্ত। হৃদয় অবশ্য সুবিধা করতে পারেননি। ১৮ বল খেলে করেন ১৩ রান।

দলীয় ১১০ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন শান্ত। ৪৪ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় বাঁহাতি এই ওপেনার করেন ৬০ রান।

তৃতীয় দ্বিতীয় উইকেটে মুশফিকুর রহিম আর রায়ান বার্ল মিলে বলতে গেলে ম্যাচটা বের করে নেন। ২২ বলে ৪৮ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন তারা। বার্ল ১৬ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৪১ রান করে যখন আউট হন, ম্যাচ হেলে পড়েছে সিলেটের দিকে।

মুশফিক শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ২৬ বলে ৪১ রানে। এ ইনিংসে ৫টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা হাঁকান মিস্টার ডিপেন্ডেবল। জাকির হাসান ৪ বলে করেন অপরাজিত ৮ রান।

এর আগে ওপেনিংয়ে নেমে দারুণ এক হাফসেঞ্চুরি করলেন মেহেদি মারুফ। তবে দলকে বড় পুঁজি এনে দেওয়ার আসল দায়িত্বটা পালন করেছেন অধিনায়ক শুভাগতহোম চৌধুরী। শুভাগতর বিধ্বংসী ব্যাটে ভর করেই ৬ উইকেটে ১৭৪ রানের সংগ্রহ পায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় চট্টগ্রাম। ইনিংসের প্রথম বলেই মাশরাফি বিন মর্তুজা তুলে নেন উসমান খানকে।

আফিফ হোসেনকে নিয়ে প্রাথমিক বিপদ সামাল দেন মেহেদি মারুফ। ২৭ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলে আউট হন আফিফ। মেহেদি মারুফ ৪০ বলে ৫২ রানের ইনিংসে হাঁকান ৭টি চার আর ২টি ছক্কা।

তবে তারপরও ৯৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল চট্টগ্রাম। সেখান থেকে বলতে গেলে একাই দলকে টেনে তোলেন শুভাগত। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক। ২৯ বলে তার হার না মানা ৫৪ রানের ইনিংসে ছিল ৩টি করে চার-ছক্কার মার। ১২ বলে ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।

সিলেটের ইমাদ ওয়াসিম ২৩ রানে নেন ২টি উইকেট। মাশরাফি ১ উইকেট পেলেও ৪ ওভারে খরচ করেন ৩৬।

জনপ্রিয়

চট্টগ্রামকে উড়িয়ে ফের শীর্ষে মাশরাফির সিলেট

প্রকাশের সময় : ১০:০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩

পয়েন্ট সমান হলেও রানরেটে এগিয়ে তালিকার শীর্ষে চলে এসেছিল সাকিব আল হাসানের ফরচুন বরিশাল। তবে তাদের সেখানে শক্ত হয়ে বসতে দেয়নি মাশরাফি বিন মর্তুজার সিলেট স্ট্রাইকার্স। ফের তারা দখলে নিয়েছে শীর্ষস্থান।

আজ (শুক্রবার) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে ৭ উইকেট আর ২ ওভার হাতে রেখে হারিয়েছে সিলেট সিক্সার্স। এখন মাশরাফির দলের পয়েন্ট ১৪, সাকিবের বরিশালের ১২।

লক্ষ্য ছিল ১৭৫ রানের। রান তাড়ায় নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে ভালো সূচনা পায় সিলেট। তৌহিদ হৃদয়কে নিয়ে ৮ ওভারে ৬৩ রান তোলেন শান্ত। হৃদয় অবশ্য সুবিধা করতে পারেননি। ১৮ বল খেলে করেন ১৩ রান।

দলীয় ১১০ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন শান্ত। ৪৪ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় বাঁহাতি এই ওপেনার করেন ৬০ রান।

তৃতীয় দ্বিতীয় উইকেটে মুশফিকুর রহিম আর রায়ান বার্ল মিলে বলতে গেলে ম্যাচটা বের করে নেন। ২২ বলে ৪৮ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন তারা। বার্ল ১৬ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৪১ রান করে যখন আউট হন, ম্যাচ হেলে পড়েছে সিলেটের দিকে।

মুশফিক শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ২৬ বলে ৪১ রানে। এ ইনিংসে ৫টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা হাঁকান মিস্টার ডিপেন্ডেবল। জাকির হাসান ৪ বলে করেন অপরাজিত ৮ রান।

এর আগে ওপেনিংয়ে নেমে দারুণ এক হাফসেঞ্চুরি করলেন মেহেদি মারুফ। তবে দলকে বড় পুঁজি এনে দেওয়ার আসল দায়িত্বটা পালন করেছেন অধিনায়ক শুভাগতহোম চৌধুরী। শুভাগতর বিধ্বংসী ব্যাটে ভর করেই ৬ উইকেটে ১৭৪ রানের সংগ্রহ পায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় চট্টগ্রাম। ইনিংসের প্রথম বলেই মাশরাফি বিন মর্তুজা তুলে নেন উসমান খানকে।

আফিফ হোসেনকে নিয়ে প্রাথমিক বিপদ সামাল দেন মেহেদি মারুফ। ২৭ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলে আউট হন আফিফ। মেহেদি মারুফ ৪০ বলে ৫২ রানের ইনিংসে হাঁকান ৭টি চার আর ২টি ছক্কা।

তবে তারপরও ৯৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল চট্টগ্রাম। সেখান থেকে বলতে গেলে একাই দলকে টেনে তোলেন শুভাগত। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক। ২৯ বলে তার হার না মানা ৫৪ রানের ইনিংসে ছিল ৩টি করে চার-ছক্কার মার। ১২ বলে ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।

সিলেটের ইমাদ ওয়াসিম ২৩ রানে নেন ২টি উইকেট। মাশরাফি ১ উইকেট পেলেও ৪ ওভারে খরচ করেন ৩৬।