
টালিউড সুপারস্টার দেব। প্রায় ১৭ বছর কাটিয়ে ফেলেছেন এই ইন্ডাস্ট্রিতে। অভিনেতার পরিচয়ের পাশাপাশি জুটেছে সাংসদের তকমা। বাংলা ছবিতে ১৭ বছর পূর্ণ করায় বড় ঘোষণা করলেন এ সুপারস্টার। বয়স চল্লিশেও ব্যাচেলর খেতাব নিয়ে দিব্যি আছেন। কবে বিয়ে করছেন তা নিয়ে মাথাব্যথার শেষ নেই দেব ভক্তদের।
এবার তাদের দলে যোগ দিলেন আরেকজন। তবে তিনি সাধারণ কেউ নন, টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী।
একটা সময় দেব-শুভশ্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল টালিপাড়ার ওপেন সিক্রেট। প্রকাশ্যে কোনো দিন সম্পর্কের কথা সেভাবে স্বীকার না করলেও প্রেম ভাঙার পর সবটা পরিষ্কার হয়েছিল। শুভশ্রীর মতোই দেবও এখন ব্যক্তিগত জীবনে অনেকটা পথ এগিয়ে গেছেন।
রুক্মিণীর সঙ্গে তার বিশেষ বন্ধুত্বের কথা কারোর অজানা নয়। প্রায় সাত বছরের দীর্ঘ সম্পর্ক দুজনের। বিয়ে না করলেও থাকছেন একসঙ্গেই। অন্যদিকে রাজের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন সুখেই কাটছে শুভশ্রীর। ছেলে ইভানকে নিয়ে সুখী পরিবার তাদের।
জি বাংলার টকশো ‘অপুর সংসার’-এ এসে দেবের বিয়ে প্রসঙ্গে মুখ খুললেন শুভশ্রী। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক শাশ্বত শুভশ্রীর কাছে জানতে চেয়েছিলেন পেজ থ্রির রিপোর্টার হলে দেবকে কী প্রশ্ন করবেন তিনি।
নায়িকার চটপট জবাব ছিল— ‘বয়সটা কত হলো দেব? বিয়েটা কবে করছ?’ এমন কথা শুনে তো অপুদারও মুখ বন্ধ। এর পর হাসিমুখে দেবের কাছে আরও একটা প্রশ্ন রাখেন শুভশ্রী। ‘ধূমকেতুটা কি রিলিজ করছে?’
‘চ্যালেঞ্জ’ দিয়ে দেব-শুভশ্রী জুটির যাত্রা শুরু হয়। এর পর ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘খোকাবাবু’, ‘রোমিও’ দিয়ে একসঙ্গে পর্দা কাঁপিয়েছেন তারা। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরও দেব তার প্রযোজিত প্রথম ছবির নায়িকা করেছিলেন শুভশ্রীকে। তাদের সেই ছবি (ধূমকেতু) আজও আলোর মুখ দেখেনি। নেপথ্যে সহপ্রযোজক রানা সরকারের সঙ্গে মতের অমিল। দেব-শুভশ্রী ভক্তদের একান্ত চাওয়া ছবিটি মুক্তি পাক।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho