
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে যা অপরিহার্য, তাতেই বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আসন্ন রমজানে কোনো পণ্য সংকট হবে না।
বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ আশ্বাস দেন।
সভায় রমজান উপলক্ষে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল ও ৮ হাজার টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
ফল আমদানিতে কেন এলসি (ঋণপত্র) খোলা যাচ্ছে না, দাম দিনদিন বেড়ে যাচ্ছে-এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে প্রচুর ফল হচ্ছে। দেশে যে ফল উৎপাদন হচ্ছে, সেটিরও একটি মূল্য পাওয়া দরকার। যে জন্য এটি (এলসি) একটু রেসট্রিক্ট (সীমিত) করা হয়েছে। সময় ভালো হলেই খুলে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ডলার সংরক্ষণ করার জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে যেটি অপরিহার্য, সেটিতেই বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতির একটু উন্নতি হলে আগের মতো সব এলসি খুলে দেওয়া হবে।
এদিকে সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জানান, রমজান উপলক্ষে খোলাবাজারে টিসিবির জন্য ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল ও ৮ হাজার টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তেল কিনতে লাগবে ১৯৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা এবং মসুর ডাল কিনতে লাগবে ৭৩ কোটি টাকা। প্রতি লিটার তেলের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭৬ টাকা ৮৮ পয়সা। আগে প্রতি লিটার ১৭৭ টাকা দরে কেনা হয়েছিল। মেঘনা এডিবল অয়েল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এ তেল কেনা হবে। অন্যদিকে প্রতি কেজি ডাল কিনতে লাগবে ৯১ টাকা ৬০ পয়সা। তুরস্কের আরবিল বাকলিয়াত হুবুবাত সান্তিক থেকে এ ডাল কেনা হবে বলে জানান তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho