
তুরস্কের হাতায় প্রদেশের ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত একটি ভবন থেকে মা ও ১০ দিনের এক নবজাতককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার শেষ রাতে হাতায় প্রদেশের সামানদেগ জেলায় এ ঘটনা ঘটেছে।
উদ্ধার শিশুর নাম ইয়াগিজ। তাকে উদ্ধার করে একটি তাপীয় (থার্মাল) কম্বলে জড়িয়ে অ্যাম্বুলেন্সে উঠাতে দেখা গেছে। মাকেও একটি স্ট্রেচারে করে অ্যাম্বুলেন্সে উঠাতে ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবিসির এক প্রতিবেদনে।
এই উদ্ধার অভিযানে ইস্তাম্বুলের একরেম ইমামোগ্লুর উদ্ধার দল ছিল বলে জানা গেছে। প্রায় একই সময়ে একই স্থান থেকে তারা আরেক ব্যক্তিকেও জীবিত উদ্ধার করেছে।
তুরস্কে স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পাঁচ দিনের মাথায় জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা যখন একপ্রকার শেষ হয়ে এসেছে, ঠিক তখনই ঘটছে কিছু অলৌকিক ঘটনা।
১০১ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার ৬
তুরস্কে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ভূমিকম্পের প্রায় ১০১ ঘণ্টা পর একই পরিবারের ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির হাতায় প্রদেশের ইস্কেন্দেরুন শহরে শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এ অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে।
উদ্ধারকর্মী মুরাদ বেগুল বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ’একটি বিধ্বংস ভবনের নিচে একটি ছোট খুপরিতে তারা জড়াজড়ি করে ছিলেন। তারা একই পরিবারের সদস্য। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
৯৬ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার
তুরস্কের শহর কাহরামানমারাসে উদ্ধারকারী দল প্রায় ৯৬ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা থাকার পর এক যুবককে উদ্ধার করেছে।
আলবার্ট সাচমা নামের ২৬ বছর বয়সি ওই যুবককে শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উদ্ধার করা হয়েছে। শহরের ডলগাদেরোগলু জেলার ধসে পড়া এক ভবনে আটকে ছিলেন আলবার্ট। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নিহত সাড়ে ২১ হাজার ছাড়াল
আল জাজিরা জানায়, ৬ ফেব্রুয়ারির জোড়া ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা সাড়ে ২১ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে তুরস্কে অন্তত ১৮ হাজার ৩৪২ জন। ১৯৯৯ সালে তুরস্কে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত হয়েছিল প্রায় ১৭ হাজার। আর সিরিয়ায় অন্তত ৩ হাজার ৩৭৭ জন। নিহতের সংখ্যা মিনিটে মিনিটে বাড়ছে।
৬ ফেব্রুয়ারি শেষ রাতে তুরস্কের গাজিয়ানতেপে সৃষ্ট ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রতিবেশী সিরিয়াও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আলেপ্পো ও বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ইদলিব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায় ৯ ঘণ্টার মাথায় ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এ দুই ভূমিকম্পের পর অন্তত ৬৪৮টি ছোট ছোট ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho