প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ২৩, ২০২৬, ৮:২৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২৩, ৬:০৪ পি.এম
রাঙ্গুনিয়ায় বেপরোয়া ইটভাটার ট্রাক কেড়ে নিল ব্যাংকার কাজী রিফাতের প্রাণ

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় বেপরোয়া ইটভাটার ট্রাকের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন কাজী মুহাম্মদ রিফাত নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা।
শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা বন বিট এরিয়ার শেখ রাসেল ইকো পার্ক নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত কাজী রিফাত (২২) হলেন উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের কাজী বাড়ি গ্রামের কাজী নুরুল কবির প্রকাশ পুতুল সওদাগরের প্রথম সন্তান। নিহত রিফাত ছিলেন ওয়ান ব্যাংকের চন্দ্রঘোনা শাখার কাস্টোমার রিলেশন অফিসার।
রাঙ্গুনিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু বক্কর জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ট্রাক ও চালক পালিয়ে গেলেও গাড়ীর হেলপারকে আটক করা হয়েছে। আটক হেলপার বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে আছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সকলে একটি সিএনজি গাড়ি কাপ্তাই থেকে এসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কের শেখ রাসেল ইকো পার্ক নামক স্থানে পৌঁছলে, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি (চট্ট মেট্টো-ড ১১-১৮৬২) নম্বরের ইটভাটার একটি ট্রাক তাদেরকে ধাক্কা দেয়। ট্রাকের ধাক্কায় সিএনজি থেকে একজন ছিটকে পড়লে তার ওপর দিয়ে ট্রাকটি দ্রুত গতিতে চলে যায়। সেখান থেকে তাঁকে হসপিটালে নেয়ার পথে রিফাত মারা যায়।
এদিকে রিফাতকে ধাক্কা দেওয়া ট্রাক ও চালক পালিয়ে যায়।
রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মাহবুব মিল্কি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে সড়ক দুর্ঘটনায় কাজী রিফাত নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। ট্রাকের চালক গাড়ী নিয়ে পালিয়ে যায়। আমরা গাড়ীর হেলপারকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। এ বিষয়ে নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho