সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩, ১২ চৈত্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গুনিয়া একটি বর্ধিঞ্চু জনপদ: কৃষি ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, রাঙ্গুনিয়া একটি বর্ধিঞ্চু জনপদ। এখানকার প্রায় এক লাখ মানুষ প্রবাসে থাকেন। তারা নিয়মিত রেমিটেন্স পাঠান। তারা রেমিটেন্স পাঠানোর ক্ষেত্রে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন ব্যাংকিং শাখাগুলোর মাধ্যমকেই বেছে নেন।গ্রামীন অর্থনীতি হচ্ছে আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। দেশের ৭০ ভাগেরও বেশি মানুষ কৃষি অর্থনীতির উপর নির্ভরশীল।
তিনি বলেন, আজ থেকে ২০/৩০ বছর আগে শুধুমাত্র নগর কেন্দ্রিক ব্যাংকের শাখা থাকতো। আমাদের সরকার নিয়ম করে দিয়েছে, নতুন ব্যাংক খোলার ক্ষেত্রে অর্ধেক নগরে হলে বাকী অর্ধেক শাখা গ্রামীন এলাকায় করতে হবে। যাতে গ্রামের মানুষ ব্যাংকিং সুবিধা পাই।
সোমবার (৬ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এবি ব্যাংক লিমিটেডের আয়োজনে আট শতাধিক কৃষি কার্ডধারী কৃষকের মাঝে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে কৃষি ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এবি ব্যাংক লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজালের সভাপতিত্বে ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বজন কুমার তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউল গনি ওসমানী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম চিশতি, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, এবি ব্যাংকের হেড অব বিজনেস ইফতেখার এনাম আউয়াল প্রমুখ।
তিনি বলেন, আগে বিভিন্ন এনজিও’র পক্ষ থেকে ক্ষুদ্র  ঋণ দেয়া হতো। তারা মানুষকে এমন চাপ প্রয়োগ করতো তাতে অনেক ক্ষেত্রে ঋণ নেয়ার পর তিন-চারগুণ দেয়ার পরও শোধ হতো না। একারণে সারাদেশের অনেক জায়গায় ঋণ গ্রহিতাদের আত্মহত্যার খবর শোনা যায়। সেক্ষেত্রে তফসিলি ব্যাংকের ঋণ বিতরণ কার্যক্রম সাধারন মানুষ ও কৃষকের জন্য অনেক সহজ এবং এনজিওগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ভাল হবে। গ্রামীন অর্থনীতির ক্ষেত্রে এটি অনেক বেশি ইতিবাচক হবে।
শেষে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকার আট শতাধিক কৃষককে স্মার্টকার্ডের মাধ্যমে কৃষি ঋণ বিতরণ করা হয়। এরআগে ফিতা কেটে ইছাখালীস্থ আলম শাহ মার্কেটে এবি ব্যাংকের উপ-শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন এবি ব্যাংক লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজাল, এবি ব্যাংক’র হেড অব বিজনেস ইফতেখার এনাম আউয়াল, উর্দ্ধতন কর্মকর্তা জে এম বাবর খাঁন, বদরুদ্দোজা মিনার, মো. ফোরকান, রাঙ্গুনিয়া ইউসিসিএ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়া পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের ডিজিএম জুয়েল দাশ, কৃষকলীগ নেতা মনছুর উদ্দিন প্রমুখ।
জনপ্রিয়

রাঙ্গুনিয়া একটি বর্ধিঞ্চু জনপদ: কৃষি ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, রাঙ্গুনিয়া একটি বর্ধিঞ্চু জনপদ। এখানকার প্রায় এক লাখ মানুষ প্রবাসে থাকেন। তারা নিয়মিত রেমিটেন্স পাঠান। তারা রেমিটেন্স পাঠানোর ক্ষেত্রে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন ব্যাংকিং শাখাগুলোর মাধ্যমকেই বেছে নেন।গ্রামীন অর্থনীতি হচ্ছে আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। দেশের ৭০ ভাগেরও বেশি মানুষ কৃষি অর্থনীতির উপর নির্ভরশীল।
তিনি বলেন, আজ থেকে ২০/৩০ বছর আগে শুধুমাত্র নগর কেন্দ্রিক ব্যাংকের শাখা থাকতো। আমাদের সরকার নিয়ম করে দিয়েছে, নতুন ব্যাংক খোলার ক্ষেত্রে অর্ধেক নগরে হলে বাকী অর্ধেক শাখা গ্রামীন এলাকায় করতে হবে। যাতে গ্রামের মানুষ ব্যাংকিং সুবিধা পাই।
সোমবার (৬ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এবি ব্যাংক লিমিটেডের আয়োজনে আট শতাধিক কৃষি কার্ডধারী কৃষকের মাঝে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে কৃষি ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এবি ব্যাংক লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজালের সভাপতিত্বে ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বজন কুমার তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউল গনি ওসমানী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম চিশতি, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, এবি ব্যাংকের হেড অব বিজনেস ইফতেখার এনাম আউয়াল প্রমুখ।
তিনি বলেন, আগে বিভিন্ন এনজিও’র পক্ষ থেকে ক্ষুদ্র  ঋণ দেয়া হতো। তারা মানুষকে এমন চাপ প্রয়োগ করতো তাতে অনেক ক্ষেত্রে ঋণ নেয়ার পর তিন-চারগুণ দেয়ার পরও শোধ হতো না। একারণে সারাদেশের অনেক জায়গায় ঋণ গ্রহিতাদের আত্মহত্যার খবর শোনা যায়। সেক্ষেত্রে তফসিলি ব্যাংকের ঋণ বিতরণ কার্যক্রম সাধারন মানুষ ও কৃষকের জন্য অনেক সহজ এবং এনজিওগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ভাল হবে। গ্রামীন অর্থনীতির ক্ষেত্রে এটি অনেক বেশি ইতিবাচক হবে।
শেষে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকার আট শতাধিক কৃষককে স্মার্টকার্ডের মাধ্যমে কৃষি ঋণ বিতরণ করা হয়। এরআগে ফিতা কেটে ইছাখালীস্থ আলম শাহ মার্কেটে এবি ব্যাংকের উপ-শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন এবি ব্যাংক লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজাল, এবি ব্যাংক’র হেড অব বিজনেস ইফতেখার এনাম আউয়াল, উর্দ্ধতন কর্মকর্তা জে এম বাবর খাঁন, বদরুদ্দোজা মিনার, মো. ফোরকান, রাঙ্গুনিয়া ইউসিসিএ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়া পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের ডিজিএম জুয়েল দাশ, কৃষকলীগ নেতা মনছুর উদ্দিন প্রমুখ।