শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিএনপি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদানে দেশ ডিজিটাল হয়েছে বলে এখন বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বসে দেখে দেখে কথা বলা যায়। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, প্রত্যেক ঘরে টেলিভিশন, ফ্রিজ, আবার অনেকের ঘরে এসি। এসব ১৪ বছর আগে ছিল না। তখন মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ থাকলেও মাঝেমধ্যে বিদ্যুৎ আসত। আর এখন বিভিন্ন দুর্যোগের কারণে মাঝেমধ্যে যায়। এটাই শেখ হাসিনার অবদান।’

তিনি বলেন, ‘করোনার সময় বিএনপি নেতাদের দেখা যায়নি, কোনো দুর্যোগে তাদের পাওয়া যায় না। আওয়ামী লীগ সরকার আমাদের দলের নেতারা সবসময় মানুষের পাশে থাকেন। আওয়ামী লীগ যে রাস্তাঘাট করেছে তার গর্তগুলো ভরাট করার ক্ষমতা নেই বিএনপির। অথচ ভোট আসলে তারা সুন্দর সুন্দর জামা-কাপড় পরে আসবে, বড় বড় কথা বলবে। তাদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার আয়োজনে উপকারভোগী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ২২ প্রকারের ভাতা দিচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার। ভিজিডি, ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে বিনামূল্যে চাল দেওয়া হচ্ছে, এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ৫ কোটি মানুষকে স্বল্পমূল্যে পণ্য দিচ্ছে, ৫০ লাখ ওএমএস কার্ডের মাধ্যমে ঈদ এবং পূজায় বিনা পয়সায় চাল দেওয়া হয়। বিনা পয়সায় বছরের প্রথম দিন নতুন বই দেওয়া হয়। এই করোনার সময় বিনা পয়সায় টিকা দেওয়া হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে ৩০ প্রকারের ওষুধ ফ্রি দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের ভাতা এবং সাহায্য- এগুলো আগে কখনো ছিল না। আগে তো খালেদা জিয়াও ছিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারও ছিল। তারা তো এসব করেনি। এগুলো আওয়ামী লীগের সরকার শেখ হাসিনার সরকার এবং নৌকা মার্কার সরকার এসব করেছে। আমরা এতসব করব, মানুষের পাশে থাকব, তাহলে নির্বাচনে আমরা কি ভোটটি পাব না?’

নিজ নির্বাচনি এলাকার জনসাধারণের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগে রাঙ্গুনিয়ার মানুষকে নানা আশ্বাস দিয়ে দিয়ে ঠকানো হতো।  গত ১৪ বছর আমি কে কোন দলের তা কখনো দেখিনি। সবার জন্য আমার দরজা খোলা রেখেছি। সামনে নির্বাচন, আশা করি আপনারাও আমার জন্য আপনাদের দরজাটি খোলা রাখবেন।’

পৌর কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পৌরসভার মেয়র মো. শাহজাহান সিকদার। পৌর কাউন্সিলর জালাল উদ্দিন ও জসিম উদ্দিন শাহর যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বজন কুমার তালুকদার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম তালুকদার, সদস্য ইদ্রিছ আজগর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সামশুল আলম তালুকদার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষক লীগের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য আকতার হোসেন খাঁন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) চট্টগ্রাম অফিসের স্টাফ রিপোর্টার জিগারুল ইসলাম জিগার, উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন তালুকদার, সরফভাটা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, পৌর কাউন্সিলর তারেকুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।

বিএনপি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: হাছান মাহমুদ

প্রকাশের সময় : ০৬:১০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদানে দেশ ডিজিটাল হয়েছে বলে এখন বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বসে দেখে দেখে কথা বলা যায়। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, প্রত্যেক ঘরে টেলিভিশন, ফ্রিজ, আবার অনেকের ঘরে এসি। এসব ১৪ বছর আগে ছিল না। তখন মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ থাকলেও মাঝেমধ্যে বিদ্যুৎ আসত। আর এখন বিভিন্ন দুর্যোগের কারণে মাঝেমধ্যে যায়। এটাই শেখ হাসিনার অবদান।’

তিনি বলেন, ‘করোনার সময় বিএনপি নেতাদের দেখা যায়নি, কোনো দুর্যোগে তাদের পাওয়া যায় না। আওয়ামী লীগ সরকার আমাদের দলের নেতারা সবসময় মানুষের পাশে থাকেন। আওয়ামী লীগ যে রাস্তাঘাট করেছে তার গর্তগুলো ভরাট করার ক্ষমতা নেই বিএনপির। অথচ ভোট আসলে তারা সুন্দর সুন্দর জামা-কাপড় পরে আসবে, বড় বড় কথা বলবে। তাদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার আয়োজনে উপকারভোগী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ২২ প্রকারের ভাতা দিচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার। ভিজিডি, ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে বিনামূল্যে চাল দেওয়া হচ্ছে, এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ৫ কোটি মানুষকে স্বল্পমূল্যে পণ্য দিচ্ছে, ৫০ লাখ ওএমএস কার্ডের মাধ্যমে ঈদ এবং পূজায় বিনা পয়সায় চাল দেওয়া হয়। বিনা পয়সায় বছরের প্রথম দিন নতুন বই দেওয়া হয়। এই করোনার সময় বিনা পয়সায় টিকা দেওয়া হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে ৩০ প্রকারের ওষুধ ফ্রি দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের ভাতা এবং সাহায্য- এগুলো আগে কখনো ছিল না। আগে তো খালেদা জিয়াও ছিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারও ছিল। তারা তো এসব করেনি। এগুলো আওয়ামী লীগের সরকার শেখ হাসিনার সরকার এবং নৌকা মার্কার সরকার এসব করেছে। আমরা এতসব করব, মানুষের পাশে থাকব, তাহলে নির্বাচনে আমরা কি ভোটটি পাব না?’

নিজ নির্বাচনি এলাকার জনসাধারণের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগে রাঙ্গুনিয়ার মানুষকে নানা আশ্বাস দিয়ে দিয়ে ঠকানো হতো।  গত ১৪ বছর আমি কে কোন দলের তা কখনো দেখিনি। সবার জন্য আমার দরজা খোলা রেখেছি। সামনে নির্বাচন, আশা করি আপনারাও আমার জন্য আপনাদের দরজাটি খোলা রাখবেন।’

পৌর কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পৌরসভার মেয়র মো. শাহজাহান সিকদার। পৌর কাউন্সিলর জালাল উদ্দিন ও জসিম উদ্দিন শাহর যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বজন কুমার তালুকদার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম তালুকদার, সদস্য ইদ্রিছ আজগর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সামশুল আলম তালুকদার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষক লীগের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য আকতার হোসেন খাঁন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) চট্টগ্রাম অফিসের স্টাফ রিপোর্টার জিগারুল ইসলাম জিগার, উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন তালুকদার, সরফভাটা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, পৌর কাউন্সিলর তারেকুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।