রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে নিখোঁজের আট দিনেও সন্ধান মেলেনি শিশু “আয়নী’র”

চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন কাজীর দিঘির পার হতে এক শিশুকে বিড়ালছানা দেওয়ার প্রলোভনে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।
অপহৃত শিশুর মা স্থানীয় থানার দারস্ত হয়ে প্রতিকার না পেয়ে মানবাধিকার আইনবিদদের সহযোগিতায় দারস্ত হন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২, চট্টগ্রাম এর বিজ্ঞ বিচারক(জেলা দায়রা জজ) আদালতে।
বাদীনি বিবি ফাতেমা(৩৫) কাজীর দীঘি,নুর ভবন,হুদা মিয়ার বাসা,১১ নং ওয়ার্ড, পাহাড়তলী থানা,চট্টগ্রাম’র
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়। গত ২১ মার্চ মঙ্গলবার বাদীনি ও তার স্বামী গার্মেন্ট শ্রমিক কাজের সুবাদে কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় তার মেয়ে শিশু আবিদা সুলতানা (আয়নী)(১০) পাহাড়তলী থানাধীন আব্দুল হাদী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে স্থানীয় বখাটে মোঃ রুবেল (৩৫) কাজীর দীঘি, পাহাড়তলী। বিড়াল ছানা দেওয়ার নাম করে অপরাপর সঙ্গীদের সাথে নিয়ে অপহরণ করে।ভিকটিম স্কুলে সহপাঠীদের কাছে বিড়াল ছানা দেখে আবদার করলে মা বেতন পেলে কিনে দেয়ার কথা বলেন।কারো কাছ থেকে নিতে নিষেধ করেন।
এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় ঘটনার দিন স্কুল বিরতির সময় আনুমানিক ১২:৫০ মিনিটে উল্লেখিত আসামি রুবেল ভিকটিম শিশুকে বিড়াল ছানা দেওয়ার কথা বলে তার বাসায় নিয়ে যাচ্ছে, একই দিনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় বেলা ৪:২৫ মিনিটে ভিকটিম বোরখা পরা অবস্থায় আরবি পড়তে যাচ্ছে।ঐ সময় আসামিকে ভিকটিম শিশুটির সাথে সাথে কথা বলতে দেখা যায় এবং আসামীর হাতে ছিল একটি বাজারের ব্যাগ, স্থানীয় এলাকাবাসী জানান ওই ব্যাগের ভিতর একটি বিড়াল ছানা ছিল।
এরপর থেকে আসামিও ভিকটিমকে আর দেখা যায়নি। পরবর্তীতে ভিকটিম সন্ধ্যা নাগাদ বাসায় না ফেরায় দাদী বিষয়টি ভিকটিমের মাকে ফোনে জানান।
মা এসে এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে খোঁজ নিয়ে শিশু মেয়ে আয়নীকে না পেয়ে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নিশ্চিত হন আসামি রুবেল ও তার সঙ্গীরা শিশু আয়নী কে অপহরন করেছে। এই বিষয়ে পাহাড়তলী থানাকে জানানো হলে থানা পুলিশ আসামী রুবেল কে গ্রেফতার করে পরবর্তীতে ছেড়ে দেয়।
দীর্ঘ আট দিনেও মেয়ের সন্ধান না পেয়ে ২৮ শে মার্চ বুধবার চট্টগ্রাম আদালতের বারান্দায় এসে বুকফাঁটা কান্নায় ভেঙে পড়লে ভিকটিমের মা বিবি ফাতেমার
এই দৃশ্য দেখে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন’র মহাসচিব অ্যাডভোকেট জিয়া হাবিব আহসান ও মানবাধিকার আইনবিদ এড: মোঃ গোলাম মওলা মুরাদ,এড: হাসান আলী, এড:বদরুল হাসান ও এড: আরমান জিয়া বিষয়টি বিস্তারিত জেনে বাদিনীর পক্ষে ফৌজদারী অভিযোগটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল -২ চট্টগ্রামের বিজ্ঞ বিচারকের আদালতে উপস্থাপন করলে বিজ্ঞ আদালত শুনানি শেষে ওসি পাহাড়তলী থানাকে সরাসরি এজহার নিতে নির্দেশনা দেন।
এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী জানান ঘটনার পর হতে অভিযোগে উল্লেখিত আসামি রুবেল ক্লিন শেভ করে বেশ-ভুষা পরিবর্তন করে এলাকায় ঘোরাফেরা করছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজের আট দিনেও সন্ধান মেলেনি শিশু “আয়নী’র”

প্রকাশের সময় : ০২:০০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩
চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন কাজীর দিঘির পার হতে এক শিশুকে বিড়ালছানা দেওয়ার প্রলোভনে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।
অপহৃত শিশুর মা স্থানীয় থানার দারস্ত হয়ে প্রতিকার না পেয়ে মানবাধিকার আইনবিদদের সহযোগিতায় দারস্ত হন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২, চট্টগ্রাম এর বিজ্ঞ বিচারক(জেলা দায়রা জজ) আদালতে।
বাদীনি বিবি ফাতেমা(৩৫) কাজীর দীঘি,নুর ভবন,হুদা মিয়ার বাসা,১১ নং ওয়ার্ড, পাহাড়তলী থানা,চট্টগ্রাম’র
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়। গত ২১ মার্চ মঙ্গলবার বাদীনি ও তার স্বামী গার্মেন্ট শ্রমিক কাজের সুবাদে কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় তার মেয়ে শিশু আবিদা সুলতানা (আয়নী)(১০) পাহাড়তলী থানাধীন আব্দুল হাদী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে স্থানীয় বখাটে মোঃ রুবেল (৩৫) কাজীর দীঘি, পাহাড়তলী। বিড়াল ছানা দেওয়ার নাম করে অপরাপর সঙ্গীদের সাথে নিয়ে অপহরণ করে।ভিকটিম স্কুলে সহপাঠীদের কাছে বিড়াল ছানা দেখে আবদার করলে মা বেতন পেলে কিনে দেয়ার কথা বলেন।কারো কাছ থেকে নিতে নিষেধ করেন।
এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় ঘটনার দিন স্কুল বিরতির সময় আনুমানিক ১২:৫০ মিনিটে উল্লেখিত আসামি রুবেল ভিকটিম শিশুকে বিড়াল ছানা দেওয়ার কথা বলে তার বাসায় নিয়ে যাচ্ছে, একই দিনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় বেলা ৪:২৫ মিনিটে ভিকটিম বোরখা পরা অবস্থায় আরবি পড়তে যাচ্ছে।ঐ সময় আসামিকে ভিকটিম শিশুটির সাথে সাথে কথা বলতে দেখা যায় এবং আসামীর হাতে ছিল একটি বাজারের ব্যাগ, স্থানীয় এলাকাবাসী জানান ওই ব্যাগের ভিতর একটি বিড়াল ছানা ছিল।
এরপর থেকে আসামিও ভিকটিমকে আর দেখা যায়নি। পরবর্তীতে ভিকটিম সন্ধ্যা নাগাদ বাসায় না ফেরায় দাদী বিষয়টি ভিকটিমের মাকে ফোনে জানান।
মা এসে এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে খোঁজ নিয়ে শিশু মেয়ে আয়নীকে না পেয়ে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নিশ্চিত হন আসামি রুবেল ও তার সঙ্গীরা শিশু আয়নী কে অপহরন করেছে। এই বিষয়ে পাহাড়তলী থানাকে জানানো হলে থানা পুলিশ আসামী রুবেল কে গ্রেফতার করে পরবর্তীতে ছেড়ে দেয়।
দীর্ঘ আট দিনেও মেয়ের সন্ধান না পেয়ে ২৮ শে মার্চ বুধবার চট্টগ্রাম আদালতের বারান্দায় এসে বুকফাঁটা কান্নায় ভেঙে পড়লে ভিকটিমের মা বিবি ফাতেমার
এই দৃশ্য দেখে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন’র মহাসচিব অ্যাডভোকেট জিয়া হাবিব আহসান ও মানবাধিকার আইনবিদ এড: মোঃ গোলাম মওলা মুরাদ,এড: হাসান আলী, এড:বদরুল হাসান ও এড: আরমান জিয়া বিষয়টি বিস্তারিত জেনে বাদিনীর পক্ষে ফৌজদারী অভিযোগটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল -২ চট্টগ্রামের বিজ্ঞ বিচারকের আদালতে উপস্থাপন করলে বিজ্ঞ আদালত শুনানি শেষে ওসি পাহাড়তলী থানাকে সরাসরি এজহার নিতে নির্দেশনা দেন।
এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী জানান ঘটনার পর হতে অভিযোগে উল্লেখিত আসামি রুবেল ক্লিন শেভ করে বেশ-ভুষা পরিবর্তন করে এলাকায় ঘোরাফেরা করছে।