সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক নূরে আলম সিদ্দিকী আর নেই

স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক, প্রাক্তন ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক নূরে আলম সিদ্দিকী মারা গেছেন। তিনি ঝিনাইদহ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন। বুধবার (২৯ মার্চ) ভোররাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সত্তরের দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা নূরে আলম সিদ্দিকী ১৯৭০-১৯৭২ মেয়াদে ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
মুক্তিযুদ্ধে ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। মুক্তিযুদ্ধের চার খলিফার একজন হিসেবে তাকে উল্লেখ করা হয়। মুজিববাহিনীর অন্যতম কর্ণধার ছিলেন তিনি।
নূরে আলম সিদ্দিকী ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন যশোর-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে অংশ নিয়েছিলেন।
নূরে আলম সিদ্দিকী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপিও ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের এই বীর সেনা স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা।
তার বড় ছেলে তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে সবশেষ দুই নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। রাজনীতির মঞ্চ বা টেলিভিশনের পর্দায় সরব মুখ ছিলেন। পত্রিকার কলামে সাফ কথা তুলে ধরতেন। টকশোতে রাজনীতির আলোচনায় প্রায়ই ঝড় তুলতেন।

স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক নূরে আলম সিদ্দিকী আর নেই

প্রকাশের সময় : ১২:৪৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩

স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক, প্রাক্তন ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক নূরে আলম সিদ্দিকী মারা গেছেন। তিনি ঝিনাইদহ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন। বুধবার (২৯ মার্চ) ভোররাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সত্তরের দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা নূরে আলম সিদ্দিকী ১৯৭০-১৯৭২ মেয়াদে ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
মুক্তিযুদ্ধে ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। মুক্তিযুদ্ধের চার খলিফার একজন হিসেবে তাকে উল্লেখ করা হয়। মুজিববাহিনীর অন্যতম কর্ণধার ছিলেন তিনি।
নূরে আলম সিদ্দিকী ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন যশোর-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে অংশ নিয়েছিলেন।
নূরে আলম সিদ্দিকী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপিও ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের এই বীর সেনা স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা।
তার বড় ছেলে তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে সবশেষ দুই নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। রাজনীতির মঞ্চ বা টেলিভিশনের পর্দায় সরব মুখ ছিলেন। পত্রিকার কলামে সাফ কথা তুলে ধরতেন। টকশোতে রাজনীতির আলোচনায় প্রায়ই ঝড় তুলতেন।