প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ১, ২০২৬, ১:৩০ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ১৪, ২০২৩, ৩:৪৬ পি.এম
তাড়াশে বিদ্যুৎ অফিসে অতিরিক্ত বিল নেওয়ার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ এর তাড়াশ জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ বিল বেশি নেওয়া ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। মিটার রিডাররা গ্রামে ও মাঠে না গিয়ে তাদের ইচ্ছামত অফিসে বসেই বিল তৈরি করে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে জমা দিচ্ছে ।
গ্রাহকরা অভিযোগ করে জানান,মিটার রিডাররা বাড়ী বাড়ী এবং সেচ পাম্পে না গিয়ে তাদের অফিসে বসেই ইচ্ছামতো ইউনিট বিলের বইয়ে বিদ্যুৎ বিল তৈরি করে তা বিদ্যুৎ বিলিং অফিসে জমা দিচ্ছে । বিদ্যুৎ বিলিং অফিস বিল যাচাই বাছাই না করেই তা গ্রাহকদের কাছে পৌছায়ে দিচ্ছে। গ্রাহক ওই ভুতুরে বিদ্যৎ বিল সংশোধনের জন্য তাড়াশ পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের বিলিং শাখায় গেলে বিভিন্ন ভাবে ভোগান্তিতে পরতে হয় কিন্তু এর কোন সুরাহা মিলছে না। কোন কারনে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল বাঁকি পরলে, তা পরিশোধ করার পরো পরবর্তি মাসের বিদ্যুৎ বিলের সংগে ওই পরিশোধিত বিল সংযুক্ত করে দিয়ে গ্রাহকদের চরমভাবে হয়রানি করা হচ্ছে । অনেক সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারনে মিটার বিকল হয়ে অতিরিক্ত ইউনিট দেখায়, এতে গ্রাহকদের চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। এই সমস্যা সমাধানের জন্য গ্রাহকেরা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গেলেও নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। বিকল মিটারের অতিরিক্ত ইউনিটের টাকাও তাদের পরিশোধ করতে হয়।
উপজেলার গুড়মা গ্রামের নজরুল ইসলাম জানান, গত মাসে বিদ্যুৎ মিটারে রিডিং ছিলো ১৪৬৪ ইউনিট । কিন্তু বিলের কাগজে লেখে দিয়ে ছিলো ১৫৯০ ইউনিট। ১২০ ইউনিট বেশি দেওয়া হয়েছে। যা মিটারের ব্যবহুত ইউনিটের সাথে বিলে তোলা ইউনিটের সাথে কোন মিল নেই। এ সমস্যার জন্য তাড়াশ জোনাল অফিসে জানালে অনেক হয়রানির পর ভুল সংশোধন করে পরে আরেকটি বিল তৈরি করে। এই বিল পূর্বের তুলনায় ৩ গুণ কম।
একই গ্রামের নামদার সরকার জানান, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারনে আমার মিটার বিকল হওয়ায় এক মাসে বিদ্যুৎ বিল অতিরিক্ত ৭ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। যা পৃর্বে প্রতি মাসে ৪০০-৫০০ টাকার বেশি বিল দিতে হয়নি। কিন্তু এখন অনেক বেশি বিল দিতে হচ্ছে। মিটার রিডাররা বাড়ী বাড়ী না গিয়ে তাদের অফিসে বসেই ইচ্ছামতো ইউনিট বিলের বইয়ে বিদ্যুৎ বিল তৈরি করে তা বিদ্যুৎ বিলিং অফিসে জমা দিচ্ছে,
এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর তাড়াশ জোনাল অফিসের জেনারেল ম্যানেজার নিরাপদ দাশ জানান, সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে বিলের কাগজ অফিসে নিয়ে আসার পরে বিষয় টি সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।,
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho