প্রিন্ট এর তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ২০, ২০২৬, ১০:৪৮ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৩, ১০:৫৮ পি.এম
শিশুকে জিম্মি করে বাড়িঘরের টাকা স্বর্ণালংকার লুট

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় অভিনব কায়দায় ১০ মাসের বাচ্চাকে জিম্মি করে বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নেয় ডাকাতদল। ঘটনাটি গতকাল শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে জুড়ির জায়ফরনগর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে আতিকুর রহমান খানের বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
এ নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যেকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বাড়ির মালিক টিপু খাঁন জানান, ওই বাড়ীতে তিনি ও তার বড় ভাই সদ্য কুয়েত থেকে আসা প্রবাসী আতিক খাঁন পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। তাদের খামারের ব্যবসা রয়েছে। ঘটনার সময় বড় ভাইয়ের স্ত্রী বাড়ীতে ছিলেন না। আমরাও বাহিরে কাজে ছিলাম।
আমার স্ত্রী ফারজানা আক্তার দুই বাচ্চা নিয়ে বাড়িতে একা ছিলেন। তখন দুই জন লোক এসে আমার স্ত্রীকে ডেকে আমি বাজার খরচ পাঠিয়েছি বলে গেট খুলতে বলে। এ সময় তিনি ছোট বাচ্চাকে কোলে নিয়ে গেট খুলে দিলে দ্রুতগতিতে এসে একজন তার গলা চেপে ধরে এবং অপর জন বাচ্চার গলা চেপে ধরে,পরে বলে চিৎকার করলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তাদেরকে এক রুমে আটকে রেখে ছোট বাচ্চাকে জিম্মি করে।
পরে ঘরের দুই রুম, আলমারী, সোকেসগুলো তছনছ করে ফেলে। এর মধ্যে থাকা নগদ দুই লাখ পঁচিশ হাজার টাকা, এক লাখ টাকার চেক, চেক বই, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিষপত্র নিয়ে যায়। এদের এক জন মুখোশ পরা ও এক জন হাত দিয়ে মুখ ঢাকা ছিল। তাদের সাথে হয়তো আরও লোক থাকতে পারে সেটা আমার স্ত্রী দেখতে পাননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জুড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, বাহাদুরপুর গ্রামে একটি বাড়িতে গ্রীল কেটে বা তালা ভেঙ্গে চুরির ঘটনা ঘটেছে। তারা অভিযোগ দিলে মামলা নিয়ে ব্যবস্থা নিব।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho