প্রিন্ট এর তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২৬, ৫:২৪ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ১৯, ২০২৩, ৯:৫৫ পি.এম
সিরাজগঞ্জ তাড়াশে জমিজমা নিয়ে সংঘর্ষ, অন্তঃস্বত্তা মহিলাসহ আহত- ৫

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ মহিলাসহ আহত হয়েছে অন্তত ৫ জন। গুরুত্বর অবস্থায় ১জনকে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অবস্থার অবনতি দেখা দিলে সন্ধ্যায় মুহুর্ষ অবস্থায় ওই গৃহিনী মোছা. আবেদা খাতুন (৫০) কে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রবিবার (১৯ নভেম্বর') দুপুরে উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া শেখাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান ম্যাগনেট।
জানা গেছে, হামকুড়িয়া শেখপাড়ার গ্রামের মৃত ঈমান আলীর ছেলে মো. তফের আলী (৫৫) ও মো. রেজাউল করিম (৫২) এর পৈতিক জমিতে বিগত কয়েক বছর যাবত ভোগ দখল করছেন এবং বর্তমানে ওই জমিতে ভুট্টার চাষও করেছেন। একই গ্রামের মৃত রোস্তম আলীর ছেলে মো. সোহরাব (৪৪) ওই জমির মালিক দাবী করে তাহার ছোট ভাই রবিউল (৩৮), মাসুদ রানা (৩৬), মোক্তার (৩২), মোস্তফা (২৮) এবং ভাতিজা মো. সাব্বির হোসেন (২৩)দের সংগে নিয়ে ১৯ নভেস্বর রবিবার দুপুরে ওই জমি জোড় পূর্বক দখল করতে যান। এসময় খবর পেয়ে তফের আলী ও রেজাউল করিম ওই জমিতে যান এবং উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সোহরাব আলী ও তার লোকজন লাঠি নিয়ে তফের আলী ও রেজাউল করিমকে বেধড়ক পেটাতে থাকেন। এতে রেজাউল করিমের স্ত্রী আবেদা খাতুন এবং ৭ মাসের অন্তঃস্বত্তা ভাতিজী তাকমিনা খাতুন বাঁধা দিলে তাদেরও বেধড়ক পেটায়। ঘটনাস্থলে আবেদা খাতুনের মাথা ফেটে যায়। পাশাপাশি তফের আলী, রেজাউল করিম এবং অন্তঃস্বত্তা তাকমিনাও গুরুত্ব আহত হন।
পরে প্রতিবেশিরা একত্রিত হয়ে গুরুত্বর অবস্থায় আবেদা খাতুন ও তাকমিনা খাতুনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান।'
বিষয়টির সম্পর্কে তফের আলী বলেন, আমাদেরকে বাঁশের লাঠি লোহার রড দিয়ে শারিরিক নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই। আর অভিযুক্ত সোহরাব আলী নির্যাতনের প্রসঙ্গে বলেন, উনারা যত নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন। তা তত না। ধাক্কা ধাক্কি হয়েছে মাত্র। তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক আজমাইন ইফতেখার বলেন, আবেদা খাতুনের মাথায় সেলাই দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমানে রুগীর আত্মীয়স্বজন আবেদা খাতুনকে অন্যত্রে নিয়ে গেছেন।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি') মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, থানায় মামলা করলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho