বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

হোসেনপুর সরকারি কলেজে শিক্ষার্থীদের নিয়ে পিঠা উৎসব

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে পিঠা উৎসব। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার হোসেনপুর সরকারি  কলেজ প্রাঙ্গণে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

বাহারি পিঠা নিয়ে স্টল সাজিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। হাজারো পিঠাপ্রেমীর ভিড়ে জমে ওঠে উৎসব। সকাল থেকেই হোসেনপুর সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে হাজারো শিক্ষার্থীর ভিড়ে জমে যায়। বিভিন্ন রকম পিঠার সমাহার নিয়ে বসে ১৩টি স্টল।

স্টলগুলোয় ছিল ভাপা, পুলি, পাটিসাপটা, পাকন (নকশি), ভাজা শুঁটকি পিঠা, খেজুরপাতার মিষ্টি পিঠা, ফুল পিঠা, চিতই, চ্যাপা পিঠা, মালা পিঠা, মাছের সমুচা, দুধপুলি, পয়সা পিঠাসসহ ৭২ রকমের পিঠা।

শিক্ষার্থীরা ১০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামে বিক্রি করেন এসব পিঠা। উৎসবে আসা ছাত্র রেদওয়ান বলেন, ‘আগে শীত এলেই বাড়িতে পিঠার আয়োজন হতো। নানা কারণ ও ব্যস্ত জীবনে এখন আর তা হয়ে ওঠে না। পেশাগত কারণে শহরে থাকায় এখন শীতে মায়ের হাতের পিঠা খুব মিস করি। তাই পিঠা উৎসবের কথা শুনেই চলে এসেছি। পিঠা উৎসবের আয়োজন করার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ ‘
ছাত্রী প্রিয়া আক্তার বলেন, ‘পিঠা খেতে উৎসবে এসেছি। কয়েক রকমের পিঠা খেয়েছি। এসব পিঠা খুবই সুস্বাদু এবং দামও অনেক কম।’

হোসেনপুর সরকারি কলেজের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক আরিফুল হক আরিফ বলেন, পিঠা  উৎসবে অনেক লোকের সমাগম হয়েছে। আমাদের দেশের প্রাচীনতম ঐতিজ্যে একটি উৎসব পিঠা উৎসব। এই উৎসবকে ঘিরে আজকে কলেজে আনন্দমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

হোসেনপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান  বলেন, ‘অল্প সময়ের মধ্যে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ভাবা যায়নি এত মানুষ উৎসবে আসবেন। ভালো সাড়া পেয়েছি এবং আগামীতে আরও বড় আকারে পিঠা উৎসব আয়োজন করব।’

বিশেষ অতিথি ছিলেন হোসেনপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম,,হোসেনপুর আদর্শ মহিলা ডিগ্রী  কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোছলেহ উদ্দিন খান, সাবেক আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ মাহবুবুল হক, সাংবাদিকবৃন্দ ও স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।
অনুষ্ঠান শেষে কলেজের অধ্যক্ষ ওয়াহিদুজ্জামান পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন।

মৌলভীবাজারে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার শিশু মিনহাজ বাদ পড়েনি 

হোসেনপুর সরকারি কলেজে শিক্ষার্থীদের নিয়ে পিঠা উৎসব

প্রকাশের সময় : ১১:১৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে পিঠা উৎসব। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার হোসেনপুর সরকারি  কলেজ প্রাঙ্গণে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

বাহারি পিঠা নিয়ে স্টল সাজিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। হাজারো পিঠাপ্রেমীর ভিড়ে জমে ওঠে উৎসব। সকাল থেকেই হোসেনপুর সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে হাজারো শিক্ষার্থীর ভিড়ে জমে যায়। বিভিন্ন রকম পিঠার সমাহার নিয়ে বসে ১৩টি স্টল।

স্টলগুলোয় ছিল ভাপা, পুলি, পাটিসাপটা, পাকন (নকশি), ভাজা শুঁটকি পিঠা, খেজুরপাতার মিষ্টি পিঠা, ফুল পিঠা, চিতই, চ্যাপা পিঠা, মালা পিঠা, মাছের সমুচা, দুধপুলি, পয়সা পিঠাসসহ ৭২ রকমের পিঠা।

শিক্ষার্থীরা ১০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামে বিক্রি করেন এসব পিঠা। উৎসবে আসা ছাত্র রেদওয়ান বলেন, ‘আগে শীত এলেই বাড়িতে পিঠার আয়োজন হতো। নানা কারণ ও ব্যস্ত জীবনে এখন আর তা হয়ে ওঠে না। পেশাগত কারণে শহরে থাকায় এখন শীতে মায়ের হাতের পিঠা খুব মিস করি। তাই পিঠা উৎসবের কথা শুনেই চলে এসেছি। পিঠা উৎসবের আয়োজন করার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ ‘
ছাত্রী প্রিয়া আক্তার বলেন, ‘পিঠা খেতে উৎসবে এসেছি। কয়েক রকমের পিঠা খেয়েছি। এসব পিঠা খুবই সুস্বাদু এবং দামও অনেক কম।’

হোসেনপুর সরকারি কলেজের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক আরিফুল হক আরিফ বলেন, পিঠা  উৎসবে অনেক লোকের সমাগম হয়েছে। আমাদের দেশের প্রাচীনতম ঐতিজ্যে একটি উৎসব পিঠা উৎসব। এই উৎসবকে ঘিরে আজকে কলেজে আনন্দমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

হোসেনপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান  বলেন, ‘অল্প সময়ের মধ্যে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ভাবা যায়নি এত মানুষ উৎসবে আসবেন। ভালো সাড়া পেয়েছি এবং আগামীতে আরও বড় আকারে পিঠা উৎসব আয়োজন করব।’

বিশেষ অতিথি ছিলেন হোসেনপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম,,হোসেনপুর আদর্শ মহিলা ডিগ্রী  কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোছলেহ উদ্দিন খান, সাবেক আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ মাহবুবুল হক, সাংবাদিকবৃন্দ ও স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।
অনুষ্ঠান শেষে কলেজের অধ্যক্ষ ওয়াহিদুজ্জামান পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন।