বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জে পরকিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গণধোলাই

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে পরকিয়া প্রেমের জেরে দেখা করতে এসে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন এক মাদ্রাসা শিক্ষক। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার ধুবিল ইউনিয়নের মালতিনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, উপজেলার মালতিনগর শাহজালাল দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক জাহিদুল ইসলামের সাথে একই প্রতিষ্ঠানের আয়া’র সাথে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। এরই এক পর্যায়ে আয়া’র স্বামী বাড়ীতে না থাকার সুযোগে পরকিয়া প্রেমিক জাহিদুল ইসলাম ঐ বাসায় যায়। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে আয়া’র বাসায় দুজনকে একই রুমে আপত্তিকর অবস্থায় হাতে নাতে ধরে ফেলে। এবং প্রেমিক কে গণধোলাই দিয়ে আটক রাখে।
এ বিষয়ে শাহজালাল দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবু সাঈদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, লোকের মুখে এমনটা শুনেছি। আমি সঠিক কিছু জানিনা।
এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সভাপতি আবু সাঈদ তালুকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে অনেকেই আমাকে ফোন করেছেন।’
মাদ্রাসা শিক্ষকের গণধোলাইয়ের বিষয়ে ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রাসেলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি অবগত নই। তবে লোকে মুখে এমনটা শুনতেছি।
এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি অবগত আছি। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

মৌলভীবাজারে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার শিশু মিনহাজ বাদ পড়েনি 

সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জে পরকিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গণধোলাই

প্রকাশের সময় : ১২:১৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে পরকিয়া প্রেমের জেরে দেখা করতে এসে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন এক মাদ্রাসা শিক্ষক। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার ধুবিল ইউনিয়নের মালতিনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, উপজেলার মালতিনগর শাহজালাল দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক জাহিদুল ইসলামের সাথে একই প্রতিষ্ঠানের আয়া’র সাথে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। এরই এক পর্যায়ে আয়া’র স্বামী বাড়ীতে না থাকার সুযোগে পরকিয়া প্রেমিক জাহিদুল ইসলাম ঐ বাসায় যায়। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে আয়া’র বাসায় দুজনকে একই রুমে আপত্তিকর অবস্থায় হাতে নাতে ধরে ফেলে। এবং প্রেমিক কে গণধোলাই দিয়ে আটক রাখে।
এ বিষয়ে শাহজালাল দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবু সাঈদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, লোকের মুখে এমনটা শুনেছি। আমি সঠিক কিছু জানিনা।
এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সভাপতি আবু সাঈদ তালুকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে অনেকেই আমাকে ফোন করেছেন।’
মাদ্রাসা শিক্ষকের গণধোলাইয়ের বিষয়ে ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রাসেলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি অবগত নই। তবে লোকে মুখে এমনটা শুনতেছি।
এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি অবগত আছি। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।