
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, এই নির্বাচনে আপনারা (জনগণ) ভোট দিতে যাবেন না। আপনারা এই সরকারকে অসহযোগিতা করুন। আজ মঙ্গলবার মতিঝিল থেকে দিলকুশা সড়কে ভোট বর্জনের লিফলেট বিতরণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, এই নির্বাচনে জনগণের ভোট দেওয়ার কোনো আগ্রহ নেই। কারণ জনগণ জানে যে এই ভোটের কোনো অর্থ নাই। কারণ এটা কোনো নির্বাচন না।
তিনি বলেন, ‘এটা কি নির্বাচন? এটা অবৈধ নির্বাচন। এই নির্বাচনে মানুষ ভোট কেন্দ্রে যাবে না। আর এ জন্য ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে কাউন্সিলরদের নির্দেশনা দিচ্ছে পুলিশ। দেশের অর্থনীতি আজ দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এই অবৈধ নির্বাচনে কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে। এই অবৈধ নির্বাচনে টাকা খরচ বন্ধ করুন। কারণ এটাতে যাকেই ভোট দেবেন তিনি আওয়ামী লীগেরই লোক।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই নির্বাচন চাই না। জনগণ যাতে ভোট দিতে পারে, আমরা সেই রকম একটা নির্বাচন চাই।’
এ সময়ে নেতাকর্মীরা ‘অবৈধ নির্বাচন মানি না মানব না’, ‘নীল-নকশার নির্বাচন মানি না মানব না’, ‘খালেদা জিয়ার সংগ্রাম চলছে, চলবে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘আন্দোলনরত জোট ও দলগুলো সবাই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করছে। আমরা খুশি যে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এই সরকার বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নির্যাতন চালাচ্ছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের সকলকে সোচ্চার হতে হবে।’
লিফলেট বিতরণের সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, তাইফুল ইসলাম টিপু, শ্রমিক দলের মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, রফিকুল ইসলাম, জাকির হোসেন, মফিদুল ইসলাম মোহন, বদরুল আলম সবুজ, জিল্লুর রহমান খান প্রমুখ উপস্থিত।
রাজধানীতে মতিঝিল ছাড়াও রামপুরা, যাত্রাবাড়ী, ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মানুষের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho