বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে এক আসনে কর্মি খুঁজে পাচ্ছেনা নৌকার প্রার্থী 

দিন যত যাচ্ছে নির্বাচনী আমেজ ততই বাড়ছে, বিরোধী শক্তি না থাকলেও আওয়ামিলীগ এর সমর্থিত নৌকার প্রার্থীর পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর  ঘোষিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর শক্ত অবস্থানের কাছে অনেকটা ধরাশায়ী নৌকার প্রভাবশালী প্রার্থীরা।  এমন চিত্র লালমনিরহাটের তিনটি আসনে থাকলেও লালমনিরহাট এক আসনে যেন নৌকার প্রার্থী একটু বেশী হিমশিম খাচ্ছেন নৌকা বিরোধীদের কাছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট এক হাতীবান্ধা পাটগ্রাম আসনে নৌকার প্রার্থী জেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন এম পি,  তার নিকট তম শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতিক নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন পাটগ্রাম এলাকার আফতাব উদ্দিনের ছেলে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক সোনালী ব্যাংক ও রুপালী ব্যাংকের সাবেক ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আতাউর রহমান প্রধান। নৌকা মার্কায় মনোনয়ন না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নমিনেশন জমা দিলেও নির্বাচন কমিশন থেকে দুইবার বাতিল হন  আতাউর রহমান প্রধান। পরে হাইকোর্ট থেকে রায় নিয়ে নির্বাচনী মাঠে অনেকটা কোমর বেঁধেই প্রচারণা চালাচ্ছেন ঈগল মার্কার প্রার্থী আতাউর রহমান প্রধান,  আর তাকে সহযোগিতা করছেন হাতীবান্ধা পাটগ্রাম আসনের সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেনের এক সময়ের নির্বাচনী সহযোদ্ধা আওয়ামীলীগের ত্যাগী ও হাতীবান্ধা উপজেলার আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি সরওয়ার হায়াৎ খান, সাবেক সভাপতি ও হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান ভেলু,  বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন নওদাবাস ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান অশ্বিনী কুমার বসুনিয়া, ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রেজ্জাকুল ইসলাম কায়েদ, সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার রহমান বাবলা, সানিয়াজান ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান হাসেম তালুকদার সিন্দুর্না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফ হোসেন সহ সুদিনে  আওয়ামীলীগ থেকে বঞ্চিত শতশত   সিনিয়র নেতারা। এমতাবস্থায় আওয়ামীলীগ সমর্থিত নৌকার প্রার্থী মোতাহার হোসেন তার নির্বাচনী উঠান বৈঠকে বক্তব্য দেওয়ার মত কোন নেতা খুঁজে পাচ্ছেনা, বলা চলে তিনি এই ভোট যুদ্ধে অনকটাই হিমসিম খাচ্ছেন। এদিকে এমপি পুত্র মাহমুদুল হাসান সোহাগের আতাউর রহমানকে নিয়ে অবার্চিন বক্তব্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে নৌকা মার্কার নির্বাচনী মাঠে। ইতিমধ্যে ইগল প্রতিকের বিভিন্ন প্রচারণায় বাঁধা নির্বাচনী অফিস ভাংচুরের অপরাধে মোতাহার হোসেনের একান্ত সচিব আবু বক্কর ছিদ্দিক শ্যামলের বিরুদ্ধে কারন দর্শানো নোটিশ দিয়েছেন নির্বাচনী অনুসন্ধানী কমিটি লালমনিরহাট জেলা জজ।  লালমনিরহাট এক আসন থেকে মোতাহার হোসেন চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও এবারে বিজয়ী হওয়া তার জন্য অনেকটা কঠিন হবে বলে মনে করেন স্থানীয় ভোটাররা। অনেকেই মনে করেন আতাউর রহমান প্রধান এর ভদ্র ব্যবহার ভোটাদের আকৃষ্ট করছে তাই তার নির্বাচনী জনসভায় প্রতিদিন উপস্থিতি বাড়ছে। এবিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামিলীগের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ সরওয়ার হায়াৎ খান বলেন আমাদের সহযোগিতায় মোতাহার হোসেন এতদিন এমপি হয়েছে অতচ আমাদেরকে এখন আর তার দরকার হয়না। তাই আমরা হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামের সকল সিনিয়র ত্যাগী নেতারা এক হয়ে আতাউর রহমান প্রধানের পক্ষে কাজ করছি।

লালমনিরহাটে এক আসনে কর্মি খুঁজে পাচ্ছেনা নৌকার প্রার্থী 

প্রকাশের সময় : ০৮:১৯:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩
দিন যত যাচ্ছে নির্বাচনী আমেজ ততই বাড়ছে, বিরোধী শক্তি না থাকলেও আওয়ামিলীগ এর সমর্থিত নৌকার প্রার্থীর পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর  ঘোষিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর শক্ত অবস্থানের কাছে অনেকটা ধরাশায়ী নৌকার প্রভাবশালী প্রার্থীরা।  এমন চিত্র লালমনিরহাটের তিনটি আসনে থাকলেও লালমনিরহাট এক আসনে যেন নৌকার প্রার্থী একটু বেশী হিমশিম খাচ্ছেন নৌকা বিরোধীদের কাছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট এক হাতীবান্ধা পাটগ্রাম আসনে নৌকার প্রার্থী জেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন এম পি,  তার নিকট তম শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতিক নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন পাটগ্রাম এলাকার আফতাব উদ্দিনের ছেলে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক সোনালী ব্যাংক ও রুপালী ব্যাংকের সাবেক ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আতাউর রহমান প্রধান। নৌকা মার্কায় মনোনয়ন না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নমিনেশন জমা দিলেও নির্বাচন কমিশন থেকে দুইবার বাতিল হন  আতাউর রহমান প্রধান। পরে হাইকোর্ট থেকে রায় নিয়ে নির্বাচনী মাঠে অনেকটা কোমর বেঁধেই প্রচারণা চালাচ্ছেন ঈগল মার্কার প্রার্থী আতাউর রহমান প্রধান,  আর তাকে সহযোগিতা করছেন হাতীবান্ধা পাটগ্রাম আসনের সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেনের এক সময়ের নির্বাচনী সহযোদ্ধা আওয়ামীলীগের ত্যাগী ও হাতীবান্ধা উপজেলার আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি সরওয়ার হায়াৎ খান, সাবেক সভাপতি ও হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান ভেলু,  বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন নওদাবাস ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান অশ্বিনী কুমার বসুনিয়া, ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রেজ্জাকুল ইসলাম কায়েদ, সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার রহমান বাবলা, সানিয়াজান ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান হাসেম তালুকদার সিন্দুর্না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফ হোসেন সহ সুদিনে  আওয়ামীলীগ থেকে বঞ্চিত শতশত   সিনিয়র নেতারা। এমতাবস্থায় আওয়ামীলীগ সমর্থিত নৌকার প্রার্থী মোতাহার হোসেন তার নির্বাচনী উঠান বৈঠকে বক্তব্য দেওয়ার মত কোন নেতা খুঁজে পাচ্ছেনা, বলা চলে তিনি এই ভোট যুদ্ধে অনকটাই হিমসিম খাচ্ছেন। এদিকে এমপি পুত্র মাহমুদুল হাসান সোহাগের আতাউর রহমানকে নিয়ে অবার্চিন বক্তব্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে নৌকা মার্কার নির্বাচনী মাঠে। ইতিমধ্যে ইগল প্রতিকের বিভিন্ন প্রচারণায় বাঁধা নির্বাচনী অফিস ভাংচুরের অপরাধে মোতাহার হোসেনের একান্ত সচিব আবু বক্কর ছিদ্দিক শ্যামলের বিরুদ্ধে কারন দর্শানো নোটিশ দিয়েছেন নির্বাচনী অনুসন্ধানী কমিটি লালমনিরহাট জেলা জজ।  লালমনিরহাট এক আসন থেকে মোতাহার হোসেন চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও এবারে বিজয়ী হওয়া তার জন্য অনেকটা কঠিন হবে বলে মনে করেন স্থানীয় ভোটাররা। অনেকেই মনে করেন আতাউর রহমান প্রধান এর ভদ্র ব্যবহার ভোটাদের আকৃষ্ট করছে তাই তার নির্বাচনী জনসভায় প্রতিদিন উপস্থিতি বাড়ছে। এবিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামিলীগের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ সরওয়ার হায়াৎ খান বলেন আমাদের সহযোগিতায় মোতাহার হোসেন এতদিন এমপি হয়েছে অতচ আমাদেরকে এখন আর তার দরকার হয়না। তাই আমরা হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামের সকল সিনিয়র ত্যাগী নেতারা এক হয়ে আতাউর রহমান প্রধানের পক্ষে কাজ করছি।