বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যশোরের ছয়টি আসনের ২৭৫ ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

  • যশোর অফিস।।
  • প্রকাশের সময় : ১০:২৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৪
  • ১৫

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ছয়টি আসনের ২৭৫ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সে কারণে ওই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ১৬ হাজার আইন শৃৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবে।

এর মধ্যে অপরাধীদের শনাক্তকরণে পুলিশের কাছে থাকবে বডি ক্যামেরা। পাশাপাশি আটকের অপরাধীদের পর শাস্তি নিশ্চিত করতে মাঠে থাকছে ম্যাজিস্ট্রেট। আর নিয়মিত টহলে থাকবে সেনা সদস্য, র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।

শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) জেলা পুলিশ লাইন্সে আসন্ন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত সদস্যদের ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের পুলিশ সুপার (এসপি) প্রলয় কুমার জোয়ারদার এই কথা জানান।

পুলিশ সুপার বলেছেন, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে যশোরের ছয়টি আসনে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ২৭৫টি। তাই আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে থাকবে ১৬ হাজার সদস্য। এর মধ্যে নিয়মিত টহলে থাকবে পুলিশ, আনসার, র‌্যাব, বিজিবি, সেনা সদস্য। তবে পুলিশ সদস্যদের কাছে বডি ক্যামেরা ও দেয়া হবে। যাতে করে অপরাধীদের শনাক্ত করে তাৎক্ষণিকভাবে ম্যাজিস্ট্রেটরা সাজা নিশ্চিত করতে পারেন।

শুক্রবার যশোর পুলিশ লাইন মাঠে এ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

প্রায় তিন ঘন্টাব্যাপী ব্রিফিংয়ে সহকারী পুলিশ সুপারসহ ইন্সপেক্টর পদমর্যদার কর্মকর্তা, অন্যান্য পুলিশ সদস্য ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। এসময় তাদেরকে ভোটারদের শান্তিপূর্ণভাবে ভোটদানের ব্যবস্থা করা এবং শতভাগ নির্বাচনী সরঞ্জাম ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রক্ষার নির্দেশনা দেয়া হয়।

এছাড়া নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে কোনো প্রার্থী ও তার সমর্থকদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখা এবং ভোটের দিন দুপুরে শুকনা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয় ব্রিফিংয়ে। এজন্য প্রত্যেককে মাথাপিছু এক হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

ব্রিফিং শেষে পুলিশ সুপার বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করা হলেও আমরা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছি না। পুরো যশোর জেলাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। নির্বাচনে নিরাপত্তা দিতে দুই হাজার ৫০০ পুলিশ সদস্য, ১০ হাজার আনসার সদস্য, ৪৫০ বিজিবি সদস্য, সেনা সদস্য, ম্যাজিস্ট্রেটসহ গোয়েন্দা বাহিনীর ১৬ হাজার সদস্য নিয়োজিত থাকবে।

ব্রিফিংয়ে পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) রেশমা শারমিন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান ও জেলা আনসার কমান্ডেন্ট সঞ্জয় সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) বেলাল হোসাইনসহ উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

যশোরের ছয়টি আসনের ২৭৫ ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

প্রকাশের সময় : ১০:২৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৪

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ছয়টি আসনের ২৭৫ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সে কারণে ওই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ১৬ হাজার আইন শৃৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবে।

এর মধ্যে অপরাধীদের শনাক্তকরণে পুলিশের কাছে থাকবে বডি ক্যামেরা। পাশাপাশি আটকের অপরাধীদের পর শাস্তি নিশ্চিত করতে মাঠে থাকছে ম্যাজিস্ট্রেট। আর নিয়মিত টহলে থাকবে সেনা সদস্য, র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।

শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) জেলা পুলিশ লাইন্সে আসন্ন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত সদস্যদের ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের পুলিশ সুপার (এসপি) প্রলয় কুমার জোয়ারদার এই কথা জানান।

পুলিশ সুপার বলেছেন, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে যশোরের ছয়টি আসনে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ২৭৫টি। তাই আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে থাকবে ১৬ হাজার সদস্য। এর মধ্যে নিয়মিত টহলে থাকবে পুলিশ, আনসার, র‌্যাব, বিজিবি, সেনা সদস্য। তবে পুলিশ সদস্যদের কাছে বডি ক্যামেরা ও দেয়া হবে। যাতে করে অপরাধীদের শনাক্ত করে তাৎক্ষণিকভাবে ম্যাজিস্ট্রেটরা সাজা নিশ্চিত করতে পারেন।

শুক্রবার যশোর পুলিশ লাইন মাঠে এ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

প্রায় তিন ঘন্টাব্যাপী ব্রিফিংয়ে সহকারী পুলিশ সুপারসহ ইন্সপেক্টর পদমর্যদার কর্মকর্তা, অন্যান্য পুলিশ সদস্য ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। এসময় তাদেরকে ভোটারদের শান্তিপূর্ণভাবে ভোটদানের ব্যবস্থা করা এবং শতভাগ নির্বাচনী সরঞ্জাম ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রক্ষার নির্দেশনা দেয়া হয়।

এছাড়া নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে কোনো প্রার্থী ও তার সমর্থকদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখা এবং ভোটের দিন দুপুরে শুকনা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয় ব্রিফিংয়ে। এজন্য প্রত্যেককে মাথাপিছু এক হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

ব্রিফিং শেষে পুলিশ সুপার বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করা হলেও আমরা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছি না। পুরো যশোর জেলাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। নির্বাচনে নিরাপত্তা দিতে দুই হাজার ৫০০ পুলিশ সদস্য, ১০ হাজার আনসার সদস্য, ৪৫০ বিজিবি সদস্য, সেনা সদস্য, ম্যাজিস্ট্রেটসহ গোয়েন্দা বাহিনীর ১৬ হাজার সদস্য নিয়োজিত থাকবে।

ব্রিফিংয়ে পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) রেশমা শারমিন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান ও জেলা আনসার কমান্ডেন্ট সঞ্জয় সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) বেলাল হোসাইনসহ উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।