বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগের ২০ নারী প্রার্থীর মধ্যে ১৬ জন বিজয়ী

  • ঢাকা ব্যুরো।।
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪
  • ১৯

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৬ জন বিজয়ী হয়েছেন। এবার রেকর্ডসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। রবিবার (৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এবারও গোপালগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। এ আসনে মোট কেন্দ্র ১০৮টি। সব কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে শেখ হাসিনা নৌকায় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম এনপিপির শেখ আবুল কালামের আম ৪৬০ ভোট পেয়েছে।

রংপুর-৬ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আবার বিজয়ী হয়েছেন। তিনি নৌকা মার্কা নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৬৩৫টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বিন্দ্বী মো. সিরাজুল ইসলাম স্বতন্ত্র হিসেবে ট্রাক মার্কায় ভোট পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৮৩২।

এছাড়া চাঁদপুর-২ আসনে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ১৬৫টি কেন্দ্রে দীপু মনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ১৬৬ ভোট। অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূইয়া (ঈগল) পেয়েছেন ২৪ হাজার ১৯৭ ভোট। এ হিসেবে ৮৩ হাজার ৯৬৯ ভোটে ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া পরাজিত হয়েছেন।

শেরপুর-২ আসনে জাতীয় সংসদের উপনেতা মতিয়া চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে মতিয়া চৌধুরী পেয়েছেন ২ লাখ ১২ হাজার ১৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মদ সাঈদ পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৪২ ভোট।

ময়মনসিংহ-৫ আসনে নৌকা প্রতীকের নিলুফার আঞ্জুম পপি ৫২ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি ৩৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়েছেন। চতুর্থবারের মতো ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। নৌকা প্রতীক নিয়ে ৭৫ হাজার ৯৬৮ ভোট পেয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারদার পেয়েছেন ৫৮ হাজার ২০৪ ভোট।

নিজের ভাইকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী জাকিয়া নূর। কিশোরগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আপন বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ শাফায়াতুল ইসলামকে হারিয়ে নৌকার মাঝি ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি দ্বিতীয়বারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। জাকিয়া নূর লিপি ৭৬ হাজার ৭৬২ ভোট পেয়েছেন। অপরদিকে সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলাম ঈগল প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৯৯৮টি।

বরগুনা-২ আসনে সুলতানা নাদিরা নৌকা প্রতীকে ৪৬ হাজার ৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। বরগুনা জেলা রিটার্নিং কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তার নিকটতম প্রার্থী নোঙ্গর প্রতীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) মনোনীত প্রার্থী দলের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ড. আব্দুর রহমান খোকন পেয়েছেন ১ হাজার ২৭ ভোট।

গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের কন্যা সিমিন হোসেন রিমি। তিনি এই আসনে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৭২৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঈগল) কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আলম আহমেদ পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫ ভোট।

গাজীপুর-৩ আসন থেকে রুমানা আলী ১ লাখ ২৬ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৪ ভোট পেয়েছেন। চট্টগ্রাম-২ আসনে বেসরকারি ফলে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী খাদিজাতুল আনোয়ার সনি। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তরমুজ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন মো. আবু তৈয়ব পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৮৭ ভোট।

কক্সবাজার-৪ আসনে ১ লাখ ২২ হাজার ৮০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহীন আক্তার। তিনি ৬০ হাজার ৬৬৪ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল বশর পেয়েছেন ১০হাজার ৬৯ ভোট। বগুড়া-১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাহাদারা মান্নান। নৌকা প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোট ৫১ হাজার ৫৩২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদী আলম লিপি তবলা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৯৪ ভোট।

গাইবান্ধা-৩ আসনে উম্মে কুলসুম স্মৃতি ২০ হাজার ৪২০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুল হক পেয়েছেন ১ হাজার ৪৯৯ ভোট। মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে জয়ী হয়েছেন সাগুফতা ইয়াসমীন। ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোহানা তাহমিনা পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৯৬ ভোট।

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে ৯২ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৯১টির ফলাফলে নিলুফার আনজুম পপি নৌকা প্রতীকে ৫৩ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। নিকটতম সোমনাথ সাহা স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ২১১ ভোট। এবারের ভোটের লড়াইয়ে ৩০০ আসনের বিপরীতে ১ হাজার ৮৯৫ প্রার্থী ছিলেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৯৪ জন। সেখানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন ২০ জন। স্বতন্ত্র প্রাথী ২৮ জন ও অন্যান্য ৪০ জন।

হয়েছেন। এবার রেকর্ডসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। রবিবার (৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এবারও গোপালগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। এ আসনে মোট কেন্দ্র ১০৮টি। সব কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে শেখ হাসিনা নৌকায় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম এনপিপির শেখ আবুল কালামের আম ৪৬০ ভোট পেয়েছে।

রংপুর-৬ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আবার বিজয়ী হয়েছেন। তিনি নৌকা মার্কা নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৬৩৫টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বিন্দ্বী মো. সিরাজুল ইসলাম স্বতন্ত্র হিসেবে ট্রাক মার্কায় ভোট পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৮৩২।

এছাড়া চাঁদপুর-২ আসনে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ১৬৫টি কেন্দ্রে দীপু মনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ১৬৬ ভোট। অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূইয়া (ঈগল) পেয়েছেন ২৪ হাজার ১৯৭ ভোট। এ হিসেবে ৮৩ হাজার ৯৬৯ ভোটে ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া পরাজিত হয়েছেন।

শেরপুর-২ আসনে জাতীয় সংসদের উপনেতা মতিয়া চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে মতিয়া চৌধুরী পেয়েছেন ২ লাখ ১২ হাজার ১৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মদ সাঈদ পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৪২ ভোট।

ময়মনসিংহ-৫ আসনে নৌকা প্রতীকের নিলুফার আঞ্জুম পপি ৫২ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি ৩৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়েছেন। চতুর্থবারের মতো ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। নৌকা প্রতীক নিয়ে ৭৫ হাজার ৯৬৮ ভোট পেয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারদার পেয়েছেন ৫৮ হাজার ২০৪ ভোট।

নিজের ভাইকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী জাকিয়া নূর। কিশোরগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আপন বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ শাফায়াতুল ইসলামকে হারিয়ে নৌকার মাঝি ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি দ্বিতীয়বারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। জাকিয়া নূর লিপি ৭৬ হাজার ৭৬২ ভোট পেয়েছেন। অপরদিকে সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলাম ঈগল প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৯৯৮টি।

বরগুনা-২ আসনে সুলতানা নাদিরা নৌকা প্রতীকে ৪৬ হাজার ৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। বরগুনা জেলা রিটার্নিং কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তার নিকটতম প্রার্থী নোঙ্গর প্রতীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) মনোনীত প্রার্থী দলের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ড. আব্দুর রহমান খোকন পেয়েছেন ১ হাজার ২৭ ভোট।

গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের কন্যা সিমিন হোসেন রিমি। তিনি এই আসনে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৭২৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঈগল) কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আলম আহমেদ পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫ ভোট।

গাজীপুর-৩ আসন থেকে রুমানা আলী ১ লাখ ২৬ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৪ ভোট পেয়েছেন। চট্টগ্রাম-২ আসনে বেসরকারি ফলে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী খাদিজাতুল আনোয়ার সনি। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তরমুজ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন মো. আবু তৈয়ব পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৮৭ ভোট।

কক্সবাজার-৪ আসনে ১ লাখ ২২ হাজার ৮০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহীন আক্তার। তিনি ৬০ হাজার ৬৬৪ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল বশর পেয়েছেন ১০হাজার ৬৯ ভোট। বগুড়া-১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাহাদারা মান্নান। নৌকা প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোট ৫১ হাজার ৫৩২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদী আলম লিপি তবলা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৯৪ ভোট।

গাইবান্ধা-৩ আসনে উম্মে কুলসুম স্মৃতি ২০ হাজার ৪২০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুল হক পেয়েছেন ১ হাজার ৪৯৯ ভোট। মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে জয়ী হয়েছেন সাগুফতা ইয়াসমীন। ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোহানা তাহমিনা পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৯৬ ভোট।

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে ৯২ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৯১টির ফলাফলে নিলুফার আনজুম পপি নৌকা প্রতীকে ৫৩ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। নিকটতম সোমনাথ সাহা স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ২১১ ভোট। এবারের ভোটের লড়াইয়ে ৩০০ আসনের বিপরীতে ১ হাজার ৮৯৫ প্রার্থী ছিলেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৯৪ জন। সেখানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন ২০ জন। স্বতন্ত্র প্রাথী ২৮ জন ও অন্যান্য ৪০ জন।

আওয়ামী লীগের ২০ নারী প্রার্থীর মধ্যে ১৬ জন বিজয়ী

প্রকাশের সময় : ০৯:২৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৬ জন বিজয়ী হয়েছেন। এবার রেকর্ডসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। রবিবার (৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এবারও গোপালগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। এ আসনে মোট কেন্দ্র ১০৮টি। সব কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে শেখ হাসিনা নৌকায় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম এনপিপির শেখ আবুল কালামের আম ৪৬০ ভোট পেয়েছে।

রংপুর-৬ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আবার বিজয়ী হয়েছেন। তিনি নৌকা মার্কা নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৬৩৫টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বিন্দ্বী মো. সিরাজুল ইসলাম স্বতন্ত্র হিসেবে ট্রাক মার্কায় ভোট পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৮৩২।

এছাড়া চাঁদপুর-২ আসনে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ১৬৫টি কেন্দ্রে দীপু মনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ১৬৬ ভোট। অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূইয়া (ঈগল) পেয়েছেন ২৪ হাজার ১৯৭ ভোট। এ হিসেবে ৮৩ হাজার ৯৬৯ ভোটে ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া পরাজিত হয়েছেন।

শেরপুর-২ আসনে জাতীয় সংসদের উপনেতা মতিয়া চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে মতিয়া চৌধুরী পেয়েছেন ২ লাখ ১২ হাজার ১৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মদ সাঈদ পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৪২ ভোট।

ময়মনসিংহ-৫ আসনে নৌকা প্রতীকের নিলুফার আঞ্জুম পপি ৫২ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি ৩৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়েছেন। চতুর্থবারের মতো ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। নৌকা প্রতীক নিয়ে ৭৫ হাজার ৯৬৮ ভোট পেয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারদার পেয়েছেন ৫৮ হাজার ২০৪ ভোট।

নিজের ভাইকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী জাকিয়া নূর। কিশোরগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আপন বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ শাফায়াতুল ইসলামকে হারিয়ে নৌকার মাঝি ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি দ্বিতীয়বারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। জাকিয়া নূর লিপি ৭৬ হাজার ৭৬২ ভোট পেয়েছেন। অপরদিকে সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলাম ঈগল প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৯৯৮টি।

বরগুনা-২ আসনে সুলতানা নাদিরা নৌকা প্রতীকে ৪৬ হাজার ৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। বরগুনা জেলা রিটার্নিং কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তার নিকটতম প্রার্থী নোঙ্গর প্রতীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) মনোনীত প্রার্থী দলের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ড. আব্দুর রহমান খোকন পেয়েছেন ১ হাজার ২৭ ভোট।

গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের কন্যা সিমিন হোসেন রিমি। তিনি এই আসনে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৭২৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঈগল) কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আলম আহমেদ পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫ ভোট।

গাজীপুর-৩ আসন থেকে রুমানা আলী ১ লাখ ২৬ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৪ ভোট পেয়েছেন। চট্টগ্রাম-২ আসনে বেসরকারি ফলে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী খাদিজাতুল আনোয়ার সনি। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তরমুজ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন মো. আবু তৈয়ব পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৮৭ ভোট।

কক্সবাজার-৪ আসনে ১ লাখ ২২ হাজার ৮০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহীন আক্তার। তিনি ৬০ হাজার ৬৬৪ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল বশর পেয়েছেন ১০হাজার ৬৯ ভোট। বগুড়া-১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাহাদারা মান্নান। নৌকা প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোট ৫১ হাজার ৫৩২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদী আলম লিপি তবলা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৯৪ ভোট।

গাইবান্ধা-৩ আসনে উম্মে কুলসুম স্মৃতি ২০ হাজার ৪২০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুল হক পেয়েছেন ১ হাজার ৪৯৯ ভোট। মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে জয়ী হয়েছেন সাগুফতা ইয়াসমীন। ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোহানা তাহমিনা পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৯৬ ভোট।

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে ৯২ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৯১টির ফলাফলে নিলুফার আনজুম পপি নৌকা প্রতীকে ৫৩ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। নিকটতম সোমনাথ সাহা স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ২১১ ভোট। এবারের ভোটের লড়াইয়ে ৩০০ আসনের বিপরীতে ১ হাজার ৮৯৫ প্রার্থী ছিলেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৯৪ জন। সেখানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন ২০ জন। স্বতন্ত্র প্রাথী ২৮ জন ও অন্যান্য ৪০ জন।

হয়েছেন। এবার রেকর্ডসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। রবিবার (৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এবারও গোপালগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। এ আসনে মোট কেন্দ্র ১০৮টি। সব কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে শেখ হাসিনা নৌকায় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম এনপিপির শেখ আবুল কালামের আম ৪৬০ ভোট পেয়েছে।

রংপুর-৬ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আবার বিজয়ী হয়েছেন। তিনি নৌকা মার্কা নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৬৩৫টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বিন্দ্বী মো. সিরাজুল ইসলাম স্বতন্ত্র হিসেবে ট্রাক মার্কায় ভোট পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৮৩২।

এছাড়া চাঁদপুর-২ আসনে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ১৬৫টি কেন্দ্রে দীপু মনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ১৬৬ ভোট। অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূইয়া (ঈগল) পেয়েছেন ২৪ হাজার ১৯৭ ভোট। এ হিসেবে ৮৩ হাজার ৯৬৯ ভোটে ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া পরাজিত হয়েছেন।

শেরপুর-২ আসনে জাতীয় সংসদের উপনেতা মতিয়া চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে মতিয়া চৌধুরী পেয়েছেন ২ লাখ ১২ হাজার ১৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মদ সাঈদ পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৪২ ভোট।

ময়মনসিংহ-৫ আসনে নৌকা প্রতীকের নিলুফার আঞ্জুম পপি ৫২ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি ৩৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়েছেন। চতুর্থবারের মতো ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। নৌকা প্রতীক নিয়ে ৭৫ হাজার ৯৬৮ ভোট পেয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারদার পেয়েছেন ৫৮ হাজার ২০৪ ভোট।

নিজের ভাইকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী জাকিয়া নূর। কিশোরগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আপন বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ শাফায়াতুল ইসলামকে হারিয়ে নৌকার মাঝি ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি দ্বিতীয়বারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। জাকিয়া নূর লিপি ৭৬ হাজার ৭৬২ ভোট পেয়েছেন। অপরদিকে সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলাম ঈগল প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৯৯৮টি।

বরগুনা-২ আসনে সুলতানা নাদিরা নৌকা প্রতীকে ৪৬ হাজার ৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। বরগুনা জেলা রিটার্নিং কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তার নিকটতম প্রার্থী নোঙ্গর প্রতীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) মনোনীত প্রার্থী দলের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ড. আব্দুর রহমান খোকন পেয়েছেন ১ হাজার ২৭ ভোট।

গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের কন্যা সিমিন হোসেন রিমি। তিনি এই আসনে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৭২৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঈগল) কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আলম আহমেদ পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫ ভোট।

গাজীপুর-৩ আসন থেকে রুমানা আলী ১ লাখ ২৬ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৪ ভোট পেয়েছেন। চট্টগ্রাম-২ আসনে বেসরকারি ফলে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী খাদিজাতুল আনোয়ার সনি। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তরমুজ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন মো. আবু তৈয়ব পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৮৭ ভোট।

কক্সবাজার-৪ আসনে ১ লাখ ২২ হাজার ৮০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহীন আক্তার। তিনি ৬০ হাজার ৬৬৪ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল বশর পেয়েছেন ১০হাজার ৬৯ ভোট। বগুড়া-১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাহাদারা মান্নান। নৌকা প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোট ৫১ হাজার ৫৩২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদী আলম লিপি তবলা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৯৪ ভোট।

গাইবান্ধা-৩ আসনে উম্মে কুলসুম স্মৃতি ২০ হাজার ৪২০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুল হক পেয়েছেন ১ হাজার ৪৯৯ ভোট। মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে জয়ী হয়েছেন সাগুফতা ইয়াসমীন। ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোহানা তাহমিনা পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৯৬ ভোট।

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে ৯২ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৯১টির ফলাফলে নিলুফার আনজুম পপি নৌকা প্রতীকে ৫৩ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। নিকটতম সোমনাথ সাহা স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ২১১ ভোট। এবারের ভোটের লড়াইয়ে ৩০০ আসনের বিপরীতে ১ হাজার ৮৯৫ প্রার্থী ছিলেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৯৪ জন। সেখানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন ২০ জন। স্বতন্ত্র প্রাথী ২৮ জন ও অন্যান্য ৪০ জন।