বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আগামী ১০ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে নতুন সরকারের শপথ

  • ঢাকা ব্যুরো।।
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৪
  • ৩৩

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। ফলে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ১০ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচনে জয়ী সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা যায়, সংসদ সদস্যদের নির্বাচনের বিষয়টি নিশ্চিত করে গেজেট প্রকাশের কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। সংবিধান অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়াতে হবে। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশের পরপর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের শপথ পড়াবেন।
সূত্র জানিয়েছে, নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ আগামী ১৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙালি বিজয় অর্জনের পর স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন। এ কারণে ১০ জানুয়ারি নতুন নির্বাচিত সংসদ সদসদের শপথ গ্রহণ না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের বিষয়ে জানতে চাইলে সোমবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, এটি আমি বলতে পারবো না। তবে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে হয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে, শপথ পড়ানোর বিষয়ে সংবিধানে ১৪৮ এর ২ (ক) ১২৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিনদিনের মধ্যে এ সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো ব্যক্তি যে কোনো কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিনদিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট জয় পায়। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও জোটসঙ্গীরা ২৮৮টি আসন পায়। বিপরীতে বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্ট পায় মাত্র সাতটি আসন। বাকি তিনটি আসন পায় অন্যরা। ওই নির্বাচনে জয় পাওয়া সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি।
এর আগে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ না করায় আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। এ নির্বাচনের পর ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিপুলসংখ্যক আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ।

আগামী ১০ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে নতুন সরকারের শপথ

প্রকাশের সময় : ০৯:২৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৪

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। ফলে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ১০ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচনে জয়ী সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা যায়, সংসদ সদস্যদের নির্বাচনের বিষয়টি নিশ্চিত করে গেজেট প্রকাশের কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। সংবিধান অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়াতে হবে। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশের পরপর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের শপথ পড়াবেন।
সূত্র জানিয়েছে, নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ আগামী ১৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙালি বিজয় অর্জনের পর স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন। এ কারণে ১০ জানুয়ারি নতুন নির্বাচিত সংসদ সদসদের শপথ গ্রহণ না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের বিষয়ে জানতে চাইলে সোমবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, এটি আমি বলতে পারবো না। তবে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে হয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে, শপথ পড়ানোর বিষয়ে সংবিধানে ১৪৮ এর ২ (ক) ১২৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিনদিনের মধ্যে এ সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো ব্যক্তি যে কোনো কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিনদিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট জয় পায়। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও জোটসঙ্গীরা ২৮৮টি আসন পায়। বিপরীতে বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্ট পায় মাত্র সাতটি আসন। বাকি তিনটি আসন পায় অন্যরা। ওই নির্বাচনে জয় পাওয়া সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি।
এর আগে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ না করায় আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। এ নির্বাচনের পর ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিপুলসংখ্যক আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ।