মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী কাজ করেছেন; কৃষি মন্ত্রী 

কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, সকল মানুষের উন্নয়নে দেশ নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশের সকল মানুষের খোঁজ-খবর রাখেন। চা-শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রী খুবই ভালবাসেন এবং সম্প্রতি তিনি চা-শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি করেছেন।
শুক্রবার বিকালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার মাজদিহি চা-বাগানে অসহায় ও শীতার্ত চা-শ্রমিকের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
চা-শ্রমিকের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, আপনারা ভোট দিয়ে সাত বার আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। কয়েকদিন আগের নির্বাচনে ভোট দিয়ে আবারও আমাকে এমপি বানিয়েছেন আর প্রধানমন্ত্রী আমাকে কৃষিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনাদের জীবনমানের আরো উন্নয়ন না করতে পারলে, দেশের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন না করতে পারলে মন্ত্রী হিসাবে আমার কোন মূল্য থাকবে না।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সেবক, কৃষকের সেবক। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের ইতিমধ্যে আমি নির্দেশনা দিয়েছি, কোন কৃষক যাতে কষ্ট না পায়, সরকারি সকল রকম সুবিধা যেন পেতে পারে সে বিষয়ে অবহিত করেছি।
মন্ত্রী বলেন, কৃষিমন্ত্রী হিসাবে আমি সবসময় কৃষকের সাথে থাকব। লক্ষ্য একটাই-কোন জমি খালি রাখা যাবে না। জমি খালি রাখলে, ফসল না ফলালে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না।
চা-শ্রমিক ও কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বাড়ির আঙ্গিনা খালি রাখবেন না। অন্তুত কিছু শিম গাছ, লাউ গাছ, করল্লার গাছ, কয়েকটি বেগুন গাছ, কিছু শাক-সবজি লাগান; এতে  নিজের খাবারের প্রয়োজন মিটবে, বাজার থেকে কিনে খেতে হবে না।
পরে সন্ধ্যায় কৃষিমন্ত্রী কমলগঞ্জ উপজেলার মিরতিংগা চা বাগান, পাত্রখোলা চা বাগান এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা রানার উচ্চ বিদ্যালয়ে পৃথক অনুষ্ঠানে অসহায় ও শীতার্ত চা-শ্রমিকের মাঝে উপহার স্বরূপ কম্বল বিতরণ করেন।

পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন- এসপি 

কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী কাজ করেছেন; কৃষি মন্ত্রী 

প্রকাশের সময় : ১১:৫৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪
কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, সকল মানুষের উন্নয়নে দেশ নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশের সকল মানুষের খোঁজ-খবর রাখেন। চা-শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রী খুবই ভালবাসেন এবং সম্প্রতি তিনি চা-শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি করেছেন।
শুক্রবার বিকালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার মাজদিহি চা-বাগানে অসহায় ও শীতার্ত চা-শ্রমিকের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
চা-শ্রমিকের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, আপনারা ভোট দিয়ে সাত বার আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। কয়েকদিন আগের নির্বাচনে ভোট দিয়ে আবারও আমাকে এমপি বানিয়েছেন আর প্রধানমন্ত্রী আমাকে কৃষিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনাদের জীবনমানের আরো উন্নয়ন না করতে পারলে, দেশের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন না করতে পারলে মন্ত্রী হিসাবে আমার কোন মূল্য থাকবে না।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সেবক, কৃষকের সেবক। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের ইতিমধ্যে আমি নির্দেশনা দিয়েছি, কোন কৃষক যাতে কষ্ট না পায়, সরকারি সকল রকম সুবিধা যেন পেতে পারে সে বিষয়ে অবহিত করেছি।
মন্ত্রী বলেন, কৃষিমন্ত্রী হিসাবে আমি সবসময় কৃষকের সাথে থাকব। লক্ষ্য একটাই-কোন জমি খালি রাখা যাবে না। জমি খালি রাখলে, ফসল না ফলালে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না।
চা-শ্রমিক ও কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বাড়ির আঙ্গিনা খালি রাখবেন না। অন্তুত কিছু শিম গাছ, লাউ গাছ, করল্লার গাছ, কয়েকটি বেগুন গাছ, কিছু শাক-সবজি লাগান; এতে  নিজের খাবারের প্রয়োজন মিটবে, বাজার থেকে কিনে খেতে হবে না।
পরে সন্ধ্যায় কৃষিমন্ত্রী কমলগঞ্জ উপজেলার মিরতিংগা চা বাগান, পাত্রখোলা চা বাগান এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা রানার উচ্চ বিদ্যালয়ে পৃথক অনুষ্ঠানে অসহায় ও শীতার্ত চা-শ্রমিকের মাঝে উপহার স্বরূপ কম্বল বিতরণ করেন।