মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কাবা-মসজিদে নববীতে বিয়ের অনুমতি দিল সৌদি

পবিত্র কাবা ও মসজিদে নববীতে বিয়ের অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরব। ওমরা পালনকারীসহ দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সৌদি সংবাদমাধ্যম আল ওয়াতান জানিয়েছে, দেশটির হজ ও ওমরাবিষয়ক মন্ত্রণালয় বিবাহের কার্যক্রম স্বাচ্ছন্দ্যে সম্পন্ন করতে এ নির্দেশনা দিয়েছে। এজন্য পবিত্র কাবা ও মসজিদে নববীতে বিয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞবা বলছেন, এ ধারণাটি উদ্ভাবনী কোম্পানিগুলোর জন্য সুবর্ণ সুযোগ। এর মাধ্যমে উভয় জায়গায় এসব অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য ব্যতিক্রম ধারণা নিয়ে আসতে পারে।

দেশটির বিবাহ বিভাগের কর্মকর্তা মুসায়েদ আল জানবি বলেন, ইসলামে মসজিদে বিয়ের অনুমতি রয়েছে। মহানবী (সা.)-এর সময়ে এক সাহাবির মসজিদে বিয়ে পড়ানো হয়েছিল।

তিনি জানান, মদিনার স্থানীয়দের মধ্যে মসজিদে বিয়ে পড়ানোর প্রচলন রয়েছে। এর পেছনে বেশ কয়েকটি কারণও রয়েছে। মদিনাবাসীর বিয়েতে পরিবারের সব স্বজনদের দাওয়াত দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। ফলে একই বাসায় সবার একসাথে সংকুলান হয়ে ওঠে না। এজন্য মসজিদে কুবা ও মসজিদে নববীতে বিয়ের আয়োজন হয়ে থাকে।

তিনি বলেন, অনেকের ধারণা, মসজিদে বিয়ের মাধ্যমে মঙ্গলজনক ও সৌভাগ্য হয়।

বিবাহ বিভাগের এ কর্মকর্তা জানান, বিয়ের জন্য বেশকিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে- জোরে শব্দ করে মুসল্লিদের মনোযোগ নষ্ট না করা, মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা করা এবং কফি, মিষ্টিসহ অন্য খাবার প্রচুর পরিমাণে না আনা।

পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন- এসপি 

কাবা-মসজিদে নববীতে বিয়ের অনুমতি দিল সৌদি

প্রকাশের সময় : ০৯:৩২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪

পবিত্র কাবা ও মসজিদে নববীতে বিয়ের অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরব। ওমরা পালনকারীসহ দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সৌদি সংবাদমাধ্যম আল ওয়াতান জানিয়েছে, দেশটির হজ ও ওমরাবিষয়ক মন্ত্রণালয় বিবাহের কার্যক্রম স্বাচ্ছন্দ্যে সম্পন্ন করতে এ নির্দেশনা দিয়েছে। এজন্য পবিত্র কাবা ও মসজিদে নববীতে বিয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞবা বলছেন, এ ধারণাটি উদ্ভাবনী কোম্পানিগুলোর জন্য সুবর্ণ সুযোগ। এর মাধ্যমে উভয় জায়গায় এসব অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য ব্যতিক্রম ধারণা নিয়ে আসতে পারে।

দেশটির বিবাহ বিভাগের কর্মকর্তা মুসায়েদ আল জানবি বলেন, ইসলামে মসজিদে বিয়ের অনুমতি রয়েছে। মহানবী (সা.)-এর সময়ে এক সাহাবির মসজিদে বিয়ে পড়ানো হয়েছিল।

তিনি জানান, মদিনার স্থানীয়দের মধ্যে মসজিদে বিয়ে পড়ানোর প্রচলন রয়েছে। এর পেছনে বেশ কয়েকটি কারণও রয়েছে। মদিনাবাসীর বিয়েতে পরিবারের সব স্বজনদের দাওয়াত দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। ফলে একই বাসায় সবার একসাথে সংকুলান হয়ে ওঠে না। এজন্য মসজিদে কুবা ও মসজিদে নববীতে বিয়ের আয়োজন হয়ে থাকে।

তিনি বলেন, অনেকের ধারণা, মসজিদে বিয়ের মাধ্যমে মঙ্গলজনক ও সৌভাগ্য হয়।

বিবাহ বিভাগের এ কর্মকর্তা জানান, বিয়ের জন্য বেশকিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে- জোরে শব্দ করে মুসল্লিদের মনোযোগ নষ্ট না করা, মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা করা এবং কফি, মিষ্টিসহ অন্য খাবার প্রচুর পরিমাণে না আনা।