সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কাঁপছে পঞ্চগড়, তাপমাত্রা ৫.৫ ডিগ্রি

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে ঘন কুয়াশার সঙ্গে জেঁকে বসেছে কনকনে শীত। বইছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। বিরাজ করছে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা গত ৫ বছরের রেকর্ডের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে, শনিবার সকাল ৯টায় এখানে তাপমাত্রা ছিলো ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ছিলো মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বিরাজ করলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। সে হিসাবে জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।

এদিকে, হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। রাতভর বৃষ্টির মতো ঝরেছে কুয়াশা, সঙ্গে হিমেল বাতাস। এতে জনজীবন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। দুর্ভোগে রয়েছে খেটে খাওয়া মানুষ। সময়মত কাজে যেতে পারছেন না তারা। কেউ কেউ শীত উপেক্ষা করেই ছুটছেন জীবিকার তাগিদে। অনেকে খড়খুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। দিনের বেলাতেও গাড়ির হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ্ বলেন, গত ৫ বছরের মধ্যে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিলো ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে নেমেছে। আকাশের উপরিভাগে মেঘ ও ঘন কুয়াশা থাকায় সূর্যের তাপ ভূপৃষ্ঠে আসছে না। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি রয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ১০০ শতাংশ, আর গতিবেগ ঘণ্টায় ৩-৪ কিলোমিটার হওয়ায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভুত হচ্ছে।

বিএনপির নেতাকর্মীদের কারাগারে প্রেরণ সরকারের প্রধান কর্মসূচি -মির্জা ফখরুল

কাঁপছে পঞ্চগড়, তাপমাত্রা ৫.৫ ডিগ্রি

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে ঘন কুয়াশার সঙ্গে জেঁকে বসেছে কনকনে শীত। বইছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। বিরাজ করছে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা গত ৫ বছরের রেকর্ডের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে, শনিবার সকাল ৯টায় এখানে তাপমাত্রা ছিলো ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ছিলো মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বিরাজ করলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। সে হিসাবে জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।

এদিকে, হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। রাতভর বৃষ্টির মতো ঝরেছে কুয়াশা, সঙ্গে হিমেল বাতাস। এতে জনজীবন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। দুর্ভোগে রয়েছে খেটে খাওয়া মানুষ। সময়মত কাজে যেতে পারছেন না তারা। কেউ কেউ শীত উপেক্ষা করেই ছুটছেন জীবিকার তাগিদে। অনেকে খড়খুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। দিনের বেলাতেও গাড়ির হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ্ বলেন, গত ৫ বছরের মধ্যে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিলো ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে নেমেছে। আকাশের উপরিভাগে মেঘ ও ঘন কুয়াশা থাকায় সূর্যের তাপ ভূপৃষ্ঠে আসছে না। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি রয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ১০০ শতাংশ, আর গতিবেগ ঘণ্টায় ৩-৪ কিলোমিটার হওয়ায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভুত হচ্ছে।