বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে বিজ্ঞানী হিসেবে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে বাংলাদেশি টুটুল

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ পদের বিজ্ঞানী হিসেবে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মেধাবী প্রকৌশলী আমির উজ্জামান টুটুল। তিনি ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ)-এর টেরেস্ট্রিয়াল ও স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রকল্প পরিচালক হিসাবে কাজ করবেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল গভর্ণমেন্টের জিএস-১৪ গ্রেড (সর্বোচ্চ গ্রেড জিএস-১৫)পদ মর্যাদায় গত ১৬ জানুয়ারি তিনি কর্মস্থলে যোগদান করেন। রাজশাহী শহরের কোর্ট অঞ্চলের কৃতি সন্তান আমির উজ্জামান টুটুল যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে যোগদানের খবরে গর্ববোধ করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। যুক্তরাষ্ট্রের বাংলা সংবাদমাধ্যম বাংলা প্রেস এ খবর জানিয়েছে।
টুটুল আমেরিকার একজন বিজ্ঞানী হিসেবে পর্যাক্রমে- জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা, ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ), টেরেস্ট্রিয়াল ৫জি এবং স্পেস ইন্জিনিয়ারিং এর প্রজেক্ট গুলোতে জাতিসংঘ সদর দফতর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড বা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘের অন্যান্য আইটিইউ’র শাখাগুলোতে অংশগ্রহন করবেন। এছাড়াও তিনি ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ)এর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে জাতিসংঘের বিভিন্ন সদস্য দেশের স্পেশ এজেন্সি প্রতিনিধি বা বিজ্ঞানীদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের একজন টেরেস্ট্রিয়াল এবং মহাকাশ বিজ্ঞানী হিসেবেও তিনি জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
ফ্রিকোয়েন্সি পরিকল্পনা এবং ফ্রিকোয়েন্সি স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট, সমন্বয় ও পরামর্শ, ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দকরণ, ব্যবহার, ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাসাইনমেন্ট, ফ্রিকোয়েন্সি অনুমোদন, নীতি এবং রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইন্টারফেয়ারেন্স (আরএফআই) এর জন্য আমেরিকান স্পেস এজেন্সি নাসা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সদস্য দেশের স্পেস এজেন্সির সাথে যুক্তরাষ্ট্রের একজন মহাকাশ বিজ্ঞানী হিসাবে তিনি সম্মিলিত গবেষণা ও উন্নয়নের কাজে জড়িত থাকবেন।
তার এ নিয়োগের পুর্বে তিনি আমেরিকান এয়ার ফোর্স, লকহীড মার্টিন কর্পোরেশন, টি-মোবাইল ইউএসএ, এটি অ্যান্ড টিইউএসএ, ইত্যাদি কোম্পানিগুলোতে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইন্জিনিয়ারিং ফিল্ডের বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন।
তার ফিল্ড অব এক্সপার্টিজ, এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, রাডার ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার (ই ডাব্লিউ), দুরপাল্লার মিসাইল, সেন্সর, অ্যাটাক, জ্যামিং, স্যাটেলাইট, মহাকাশ এবং নাসার ডিপ স্পেস সায়েন্টিফিক রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ডিজাইন, ৫-জি এনআর, ৪-জি এলটিই, ডোমেস্টিক ও আন্তর্জাতিক ফ্রিকোয়েন্সি স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট, আর্কিটেকচার, ডিজাইন, ইমপ্লিমেন্টেশন এবং পারফরমেন্স অ্যানালাইসিস ইত্যাদি।
টুটুল রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিকের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এ্যপ্লাইড ফিজিক্স অ্যান্ড ইলেক্ট্রোনিক ইন্জিনিয়ারিং এ ব্যাচেলর এবং মাস্টার ডিগ্রী শেষ করেন। পরে তিনি আমেরিকার হার্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এ মাস্টার ডিগ্রী এবং কানেকটিকাট স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রী লাভ করে। ২০১৯ সালে তিনি নিউ ইয়র্কের বিং-হামটন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পিএইচডি প্রোগ্রাম শুরু করেন কিন্তু ২০২০-২০২২ সাল পর্যন্ত মরণ ব্যাধি কোভিডের কারনে মাঝপথে এসে তার পিএইচডি প্রোগ্রাম থমকে যায়। তবে এফএএ’র মাধ্যমে তার পিএইচডি প্রোগ্রামের বাকি কাজগুলো আবারো শুরু করবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
টুটুল রাজশাহী শহর কোর্ট অঞ্চলের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রয়াত আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ ও প্রয়াত  আলহাজ্ব খোকন বেগমের পুত্র। নওগাঁ ও দিনাজপুরের সাবেক জেলা প্রসাশক ও  যুগ্মসচিব (অবঃ) লুৎফর রহমানের জামাতা। সদা হাস্যোজ্জল, সাদালাপী, বিনয়ী ও বন্ধু বৎসল আমির উজ্জামান টুটুল শৈশব, কৈশরসহ তার বাল্যকাল রাজশাহী শহরের কোর্ট অঞ্চলে পার করেছেন। ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেট এবং ফুটবল ছিলো তার প্রিয় খেলা। তাই এখনও তিনি যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির যুবক, কিশোরদের বিভিন্ন খেলাধুলার সাথে নিজেকে জড়িয়ে রাখেন।
টুটুল যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যে স্বপরিবারে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। কানেকটিকাট তথা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিরা তার এ বিশেষ কৃতিত্বের জন্য গর্বিত। এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত বাংলাদেশিরা অনেক বুদ্ধিমান, মেধাবী, পরিশ্রমী এবং তাদের নিজেদের পেশাগতভাবে তারা খুব মনোযোগী। বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সেক্টর যেমন ইন্জিনিয়ারিং, বিজ্ঞান, শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা, অর্থনীতি, আইন, সাংবাদিকতা, অন্যান্য কারিগরি এবং প্রসাশনিক ইত্যাদি ক্ষেত্রে দক্ষতা এবং সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মনে করেন আমাদের এই মেধাবী প্রজন্ম বাংলাদেশকে অচিরেই যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিটি স্তরে উপস্থাপন করতে সক্ষম হবে।

মৌলভীবাজারে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার শিশু মিনহাজ বাদ পড়েনি 

যুক্তরাষ্ট্রে বিজ্ঞানী হিসেবে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে বাংলাদেশি টুটুল

প্রকাশের সময় : ১১:২৯:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ পদের বিজ্ঞানী হিসেবে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মেধাবী প্রকৌশলী আমির উজ্জামান টুটুল। তিনি ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ)-এর টেরেস্ট্রিয়াল ও স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রকল্প পরিচালক হিসাবে কাজ করবেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল গভর্ণমেন্টের জিএস-১৪ গ্রেড (সর্বোচ্চ গ্রেড জিএস-১৫)পদ মর্যাদায় গত ১৬ জানুয়ারি তিনি কর্মস্থলে যোগদান করেন। রাজশাহী শহরের কোর্ট অঞ্চলের কৃতি সন্তান আমির উজ্জামান টুটুল যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে যোগদানের খবরে গর্ববোধ করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। যুক্তরাষ্ট্রের বাংলা সংবাদমাধ্যম বাংলা প্রেস এ খবর জানিয়েছে।
টুটুল আমেরিকার একজন বিজ্ঞানী হিসেবে পর্যাক্রমে- জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা, ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ), টেরেস্ট্রিয়াল ৫জি এবং স্পেস ইন্জিনিয়ারিং এর প্রজেক্ট গুলোতে জাতিসংঘ সদর দফতর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড বা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘের অন্যান্য আইটিইউ’র শাখাগুলোতে অংশগ্রহন করবেন। এছাড়াও তিনি ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ)এর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে জাতিসংঘের বিভিন্ন সদস্য দেশের স্পেশ এজেন্সি প্রতিনিধি বা বিজ্ঞানীদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের একজন টেরেস্ট্রিয়াল এবং মহাকাশ বিজ্ঞানী হিসেবেও তিনি জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
ফ্রিকোয়েন্সি পরিকল্পনা এবং ফ্রিকোয়েন্সি স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট, সমন্বয় ও পরামর্শ, ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দকরণ, ব্যবহার, ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাসাইনমেন্ট, ফ্রিকোয়েন্সি অনুমোদন, নীতি এবং রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইন্টারফেয়ারেন্স (আরএফআই) এর জন্য আমেরিকান স্পেস এজেন্সি নাসা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সদস্য দেশের স্পেস এজেন্সির সাথে যুক্তরাষ্ট্রের একজন মহাকাশ বিজ্ঞানী হিসাবে তিনি সম্মিলিত গবেষণা ও উন্নয়নের কাজে জড়িত থাকবেন।
তার এ নিয়োগের পুর্বে তিনি আমেরিকান এয়ার ফোর্স, লকহীড মার্টিন কর্পোরেশন, টি-মোবাইল ইউএসএ, এটি অ্যান্ড টিইউএসএ, ইত্যাদি কোম্পানিগুলোতে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইন্জিনিয়ারিং ফিল্ডের বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন।
তার ফিল্ড অব এক্সপার্টিজ, এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, রাডার ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার (ই ডাব্লিউ), দুরপাল্লার মিসাইল, সেন্সর, অ্যাটাক, জ্যামিং, স্যাটেলাইট, মহাকাশ এবং নাসার ডিপ স্পেস সায়েন্টিফিক রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ডিজাইন, ৫-জি এনআর, ৪-জি এলটিই, ডোমেস্টিক ও আন্তর্জাতিক ফ্রিকোয়েন্সি স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট, আর্কিটেকচার, ডিজাইন, ইমপ্লিমেন্টেশন এবং পারফরমেন্স অ্যানালাইসিস ইত্যাদি।
টুটুল রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিকের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এ্যপ্লাইড ফিজিক্স অ্যান্ড ইলেক্ট্রোনিক ইন্জিনিয়ারিং এ ব্যাচেলর এবং মাস্টার ডিগ্রী শেষ করেন। পরে তিনি আমেরিকার হার্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এ মাস্টার ডিগ্রী এবং কানেকটিকাট স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রী লাভ করে। ২০১৯ সালে তিনি নিউ ইয়র্কের বিং-হামটন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পিএইচডি প্রোগ্রাম শুরু করেন কিন্তু ২০২০-২০২২ সাল পর্যন্ত মরণ ব্যাধি কোভিডের কারনে মাঝপথে এসে তার পিএইচডি প্রোগ্রাম থমকে যায়। তবে এফএএ’র মাধ্যমে তার পিএইচডি প্রোগ্রামের বাকি কাজগুলো আবারো শুরু করবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
টুটুল রাজশাহী শহর কোর্ট অঞ্চলের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রয়াত আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ ও প্রয়াত  আলহাজ্ব খোকন বেগমের পুত্র। নওগাঁ ও দিনাজপুরের সাবেক জেলা প্রসাশক ও  যুগ্মসচিব (অবঃ) লুৎফর রহমানের জামাতা। সদা হাস্যোজ্জল, সাদালাপী, বিনয়ী ও বন্ধু বৎসল আমির উজ্জামান টুটুল শৈশব, কৈশরসহ তার বাল্যকাল রাজশাহী শহরের কোর্ট অঞ্চলে পার করেছেন। ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেট এবং ফুটবল ছিলো তার প্রিয় খেলা। তাই এখনও তিনি যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির যুবক, কিশোরদের বিভিন্ন খেলাধুলার সাথে নিজেকে জড়িয়ে রাখেন।
টুটুল যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যে স্বপরিবারে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। কানেকটিকাট তথা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিরা তার এ বিশেষ কৃতিত্বের জন্য গর্বিত। এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত বাংলাদেশিরা অনেক বুদ্ধিমান, মেধাবী, পরিশ্রমী এবং তাদের নিজেদের পেশাগতভাবে তারা খুব মনোযোগী। বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সেক্টর যেমন ইন্জিনিয়ারিং, বিজ্ঞান, শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা, অর্থনীতি, আইন, সাংবাদিকতা, অন্যান্য কারিগরি এবং প্রসাশনিক ইত্যাদি ক্ষেত্রে দক্ষতা এবং সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মনে করেন আমাদের এই মেধাবী প্রজন্ম বাংলাদেশকে অচিরেই যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিটি স্তরে উপস্থাপন করতে সক্ষম হবে।