বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পবিত্র শবে মেরাজ আজ

পবিত্র শবে মেরাজ আজ। এই মেরাজের মধ্য দিয়েই নামাজ মুসলমানদের জন্য ফরজ করা হয়। এ রাতেই প্রতিদিন ৫ বার নামাজ আদায় করার বিধান নিয়ে আসেন মহানবী। মুসলমানদের ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী, ২৬ রজব দিবাগত রাতে ঊর্ধ্বাকাশে ভ্রমণ করে মহানবী হজরত মোহাম্মদ (স.) আল্লাহ তা’য়ালার সাক্ষাৎ লাভ করেছিলেন।

এ বছর সেই রাতটি পড়েছে ৮ ফেব্রুয়ারি। এদিন রাতে মহান রাব্বুল আলামিনের রহমত কামনায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মসজিদে-মসজিদে, নিজগৃহে ধর্মীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কোরআনখানি, জিকির-আজগার এবং ইবাদত-বন্দেগীর মধ্যদিয়ে পবিত্র শবে মেরাজ উদযাপন করেন।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর নবুয়তপ্রাপ্তির একাদশ বছর ৬২০ খ্রিষ্টাব্দের রজব মাসের ২৬ তারিখের দিনগত রাতে হযরত জিব্রাঈল (আ.) এর সঙ্গে পবিত্র কাবা হতে ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীর ফিলিস্তিনে অবস্থিত পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস হয়ে সপ্তাকাশের ওপর সিদরাতুল মুনতাহা হয়ে ৭০ হাজার নূরের পর্দা পেরিয়ে আরশে আজিমে মহান আল্লাহর দিদার লাভ করেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে দুনিয়াতে প্রত্যাবর্তন করেন। তিনি অবলোকন করেন সৃষ্টি জগতের সমস্ত কিছুর অপার রহস্য।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর জীবনের সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা হচ্ছে ‘মেরাজ’। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব ও রাসুল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ছাড়া অন্য কোনো নবী এ পরম সৌভাগ্য লাভ করতে পারেননি।

পবিত্র কোরআনে একাধিক স্থানে এ ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আয়ালা বলেন– ‘পবিত্র তিনি যিনি তাঁর বান্দাকে রজনীযোগে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত, যার পরিবেশ আমি করেছিলাম বরকতময়, তাকে আমার নিদর্শন দেখাবার জন্য।’’ (সুরা : বনী ইসরাইল : ০১)

এদিকে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররামে পবিত্র শবে মেরাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া রাতভর দেশব্যাপী মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও মাগফেরাত কামনায় মসজিদ ও বাড়িতে ইবাদতে মশগুল থাকবেন মুসলমানরা।

মৌলভীবাজারে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার শিশু মিনহাজ বাদ পড়েনি 

পবিত্র শবে মেরাজ আজ

প্রকাশের সময় : ০৩:০৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পবিত্র শবে মেরাজ আজ। এই মেরাজের মধ্য দিয়েই নামাজ মুসলমানদের জন্য ফরজ করা হয়। এ রাতেই প্রতিদিন ৫ বার নামাজ আদায় করার বিধান নিয়ে আসেন মহানবী। মুসলমানদের ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী, ২৬ রজব দিবাগত রাতে ঊর্ধ্বাকাশে ভ্রমণ করে মহানবী হজরত মোহাম্মদ (স.) আল্লাহ তা’য়ালার সাক্ষাৎ লাভ করেছিলেন।

এ বছর সেই রাতটি পড়েছে ৮ ফেব্রুয়ারি। এদিন রাতে মহান রাব্বুল আলামিনের রহমত কামনায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মসজিদে-মসজিদে, নিজগৃহে ধর্মীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কোরআনখানি, জিকির-আজগার এবং ইবাদত-বন্দেগীর মধ্যদিয়ে পবিত্র শবে মেরাজ উদযাপন করেন।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর নবুয়তপ্রাপ্তির একাদশ বছর ৬২০ খ্রিষ্টাব্দের রজব মাসের ২৬ তারিখের দিনগত রাতে হযরত জিব্রাঈল (আ.) এর সঙ্গে পবিত্র কাবা হতে ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীর ফিলিস্তিনে অবস্থিত পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস হয়ে সপ্তাকাশের ওপর সিদরাতুল মুনতাহা হয়ে ৭০ হাজার নূরের পর্দা পেরিয়ে আরশে আজিমে মহান আল্লাহর দিদার লাভ করেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে দুনিয়াতে প্রত্যাবর্তন করেন। তিনি অবলোকন করেন সৃষ্টি জগতের সমস্ত কিছুর অপার রহস্য।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর জীবনের সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা হচ্ছে ‘মেরাজ’। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব ও রাসুল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ছাড়া অন্য কোনো নবী এ পরম সৌভাগ্য লাভ করতে পারেননি।

পবিত্র কোরআনে একাধিক স্থানে এ ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আয়ালা বলেন– ‘পবিত্র তিনি যিনি তাঁর বান্দাকে রজনীযোগে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত, যার পরিবেশ আমি করেছিলাম বরকতময়, তাকে আমার নিদর্শন দেখাবার জন্য।’’ (সুরা : বনী ইসরাইল : ০১)

এদিকে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররামে পবিত্র শবে মেরাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া রাতভর দেশব্যাপী মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও মাগফেরাত কামনায় মসজিদ ও বাড়িতে ইবাদতে মশগুল থাকবেন মুসলমানরা।