বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জে কলেজ শিক্ষক ক্লাস না নিয়েই বেতন উত্তোলন করেন  

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ভূগোল বিভাগের প্রভাষক ঝর্ণা খাতুনের নামে ক্লাস না করে বেতন উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার লক্ষিকোলা বেগম নূরুন নাহার তর্কবাগীশ অর্নাস কলেজে এমন ঘটনা ঘটেছে।
জানাযায়, প্রভাষক ঝর্ণা খাতুন ২০১৬ সালে লক্ষিকোলা বেগম নূরুন নাহার তর্কবাগীশ কলেজে ভূগোল বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে কলেজটি নব্য জাতীয় করনের আওতায় আসায় তিনি বেপরোয়া হয়ে উঠেন। অভিযুক্ত শিক্ষক সরকারি ভাবে যোগদান করার পর থেকেই তিনি নানা অজুহাতে দেখিয়ে কলেজে অনিয়মিত ভাবে আসেন। তাঁর এই অনিয়মিত ক্লাশ করার খুঁটির জোর কোথায়? জানতে চায় সচেতন মহল। অনিয়মিত ক্লাস পরিচালনা করায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।’
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রভাষক ঝর্ণা খাতুনের সহকর্মী মোছাঃ রাশেদা খাতুনের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঝর্ণা খাতুন নানা অজুহাতে মাঝে মধ্যেই অনিয়মিত ভাবে ক্লাসে আসেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভূগোল বিভাগের প্রভাষক ঝর্ণা খাতুনের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি সংবাদকর্মীর উপর চড়াও হয়ে অশোভন আচরণ করেন।
অনিয়মিত ক্লাশের বিষয়ে কলেজে অধ্যক্ষ সেরাজুল ইসলামের কাছে মেবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি, বিষয়টি অস্বীকার করেন।’

মৌলভীবাজারে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার শিশু মিনহাজ বাদ পড়েনি 

সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জে কলেজ শিক্ষক ক্লাস না নিয়েই বেতন উত্তোলন করেন  

প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ভূগোল বিভাগের প্রভাষক ঝর্ণা খাতুনের নামে ক্লাস না করে বেতন উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার লক্ষিকোলা বেগম নূরুন নাহার তর্কবাগীশ অর্নাস কলেজে এমন ঘটনা ঘটেছে।
জানাযায়, প্রভাষক ঝর্ণা খাতুন ২০১৬ সালে লক্ষিকোলা বেগম নূরুন নাহার তর্কবাগীশ কলেজে ভূগোল বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে কলেজটি নব্য জাতীয় করনের আওতায় আসায় তিনি বেপরোয়া হয়ে উঠেন। অভিযুক্ত শিক্ষক সরকারি ভাবে যোগদান করার পর থেকেই তিনি নানা অজুহাতে দেখিয়ে কলেজে অনিয়মিত ভাবে আসেন। তাঁর এই অনিয়মিত ক্লাশ করার খুঁটির জোর কোথায়? জানতে চায় সচেতন মহল। অনিয়মিত ক্লাস পরিচালনা করায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।’
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রভাষক ঝর্ণা খাতুনের সহকর্মী মোছাঃ রাশেদা খাতুনের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঝর্ণা খাতুন নানা অজুহাতে মাঝে মধ্যেই অনিয়মিত ভাবে ক্লাসে আসেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভূগোল বিভাগের প্রভাষক ঝর্ণা খাতুনের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি সংবাদকর্মীর উপর চড়াও হয়ে অশোভন আচরণ করেন।
অনিয়মিত ক্লাশের বিষয়ে কলেজে অধ্যক্ষ সেরাজুল ইসলামের কাছে মেবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি, বিষয়টি অস্বীকার করেন।’