বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

অধ্যক্ষের পদায়ন প্রত্যাহার চায় সিরাজগঞ্জ মেরিন টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা 

বিভিন্ন কর্মস্থলে দূর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত এবং দূর্নীতি প্রমাণ হওয়ায় পদাবনতি হন অভিযোগ করে, সিরাজুল ইসলামকে সিরাজগঞ্জ ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজিতে অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করায় তার সিরাজগঞ্জের পদায়ন প্রত্যাহার চেয়ে মানববন্ধন করেছে সিরাজগঞ্জের ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় সিরাজগঞ্জের মুলিবাড়ি এলাকায় অবস্থিত সিরাজগঞ্জ ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তারা। এসময় তারা নানান ধরনের লেখা সম্বলিত প্লেকার্ড প্রদর্শন করেন।’
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, তৎকালীন সিনিয়র পদবীতে কর্মরত সিনিয়র ইনট্রাক্টর সিরাজুল ইসলাম ২০১৪ থেকে ২০১৮ এর ২৮ ফেব্রুয়ারি পূর্যন্ত চার বছরের অধিক সময় আইএমটি বাগেরহাটে অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালনের সময় অনিয়ম ও দুর্নীতির বিপুল অভিযোগ তৈরি করেন। পরবর্তীতে ৪০ লাখ টাকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলনের মুখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্তের ভিত্তিতে তাকে বাগেরহাট থেকে অপসারন করে বিআইএমটি (BIMT) নারায়নগঞ্জে সাধারণ শিক্ষক হিসেবে বদলী করা হয়।
এরপর নারায়ণগঞ্জ বিআইএমটি (BIMT) তে চাকরীরত অবস্থায় ২০১৯ সালে বিদেশ গামী পিডিও ট্রেনিংয়ে দুর্নীতি ও সার্টিফিকেট বিক্রি করে ২ মাসে চার লাক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন এবং সিঙ্গাইর টিটিসিতে তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমান হওয়ায় তাকে বদলি করা হয়।’
তারপর বিভিন্ন অবৈধ তদবির ও বিভিন্ন যোগসাজোশ করে ২০২২ এর এপ্রিলে ফরিদপুর আইএমটিতে প্রিন্সিপাল হিসাবে নিযুক্ত হোন। পরবর্তী ১৯ মাসে তার দুর্নীতি ও অনিয়মে অতিষ্ঠ হয়ে ফরিদপুর ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির ছাত্রছাত্রীরা ১৩ টি অভিযোগ, শিক্ষক বৃন্দ ১৫টি অভিযোগ, ও কর্মচারী বৃন্দ ৪টি অভিযোগ করেন। এভাবে মোট ভিন্ন ভিন্ন ৩২ টি অভিযোগের ভিত্তিতে ১১ নভেম্বর ২০২৩ সাল থেকে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, অধ্যক্ষ সিরাজের বিরুদ্ধে তাদের এই দাবীর মুখে অবশেষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ এ ফরিদপুর থেকে ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি সিরাজগঞ্জে বদলি করা হয়। আগামীকাল রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) তার এখানে যোগদান করার কথা রয়েছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, এর পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি, সিরাজগঞ্জের সকল ছাত্র-ছাত্রীর একটাই দাবি, বারবার দুর্নীতি ও অনিয়মে অভিযুক্ত বাগেরহাট ও ফরিদপুর থেকে বিতাড়িত অধ্যক্ষকে সিরাজগঞ্জ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজিতে পদায়ন করে প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা যাবে না।’
পঞ্চম পর্বের শিক্ষার্থী মুবতাসিম ফুয়াদ রিফাতের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী এই মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ও সামনের মহাসড়ক দিয়ে অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামকে নিয়ে লেখা নানান রকমের প্লেকার্ড নিয়ে র‍্যালী করেন।

মৌলভীবাজারে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার শিশু মিনহাজ বাদ পড়েনি 

অধ্যক্ষের পদায়ন প্রত্যাহার চায় সিরাজগঞ্জ মেরিন টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা 

প্রকাশের সময় : ১১:৩৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
বিভিন্ন কর্মস্থলে দূর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত এবং দূর্নীতি প্রমাণ হওয়ায় পদাবনতি হন অভিযোগ করে, সিরাজুল ইসলামকে সিরাজগঞ্জ ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজিতে অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করায় তার সিরাজগঞ্জের পদায়ন প্রত্যাহার চেয়ে মানববন্ধন করেছে সিরাজগঞ্জের ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় সিরাজগঞ্জের মুলিবাড়ি এলাকায় অবস্থিত সিরাজগঞ্জ ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তারা। এসময় তারা নানান ধরনের লেখা সম্বলিত প্লেকার্ড প্রদর্শন করেন।’
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, তৎকালীন সিনিয়র পদবীতে কর্মরত সিনিয়র ইনট্রাক্টর সিরাজুল ইসলাম ২০১৪ থেকে ২০১৮ এর ২৮ ফেব্রুয়ারি পূর্যন্ত চার বছরের অধিক সময় আইএমটি বাগেরহাটে অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালনের সময় অনিয়ম ও দুর্নীতির বিপুল অভিযোগ তৈরি করেন। পরবর্তীতে ৪০ লাখ টাকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলনের মুখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্তের ভিত্তিতে তাকে বাগেরহাট থেকে অপসারন করে বিআইএমটি (BIMT) নারায়নগঞ্জে সাধারণ শিক্ষক হিসেবে বদলী করা হয়।
এরপর নারায়ণগঞ্জ বিআইএমটি (BIMT) তে চাকরীরত অবস্থায় ২০১৯ সালে বিদেশ গামী পিডিও ট্রেনিংয়ে দুর্নীতি ও সার্টিফিকেট বিক্রি করে ২ মাসে চার লাক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন এবং সিঙ্গাইর টিটিসিতে তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমান হওয়ায় তাকে বদলি করা হয়।’
তারপর বিভিন্ন অবৈধ তদবির ও বিভিন্ন যোগসাজোশ করে ২০২২ এর এপ্রিলে ফরিদপুর আইএমটিতে প্রিন্সিপাল হিসাবে নিযুক্ত হোন। পরবর্তী ১৯ মাসে তার দুর্নীতি ও অনিয়মে অতিষ্ঠ হয়ে ফরিদপুর ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির ছাত্রছাত্রীরা ১৩ টি অভিযোগ, শিক্ষক বৃন্দ ১৫টি অভিযোগ, ও কর্মচারী বৃন্দ ৪টি অভিযোগ করেন। এভাবে মোট ভিন্ন ভিন্ন ৩২ টি অভিযোগের ভিত্তিতে ১১ নভেম্বর ২০২৩ সাল থেকে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, অধ্যক্ষ সিরাজের বিরুদ্ধে তাদের এই দাবীর মুখে অবশেষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ এ ফরিদপুর থেকে ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি সিরাজগঞ্জে বদলি করা হয়। আগামীকাল রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) তার এখানে যোগদান করার কথা রয়েছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, এর পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি, সিরাজগঞ্জের সকল ছাত্র-ছাত্রীর একটাই দাবি, বারবার দুর্নীতি ও অনিয়মে অভিযুক্ত বাগেরহাট ও ফরিদপুর থেকে বিতাড়িত অধ্যক্ষকে সিরাজগঞ্জ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজিতে পদায়ন করে প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা যাবে না।’
পঞ্চম পর্বের শিক্ষার্থী মুবতাসিম ফুয়াদ রিফাতের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী এই মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ও সামনের মহাসড়ক দিয়ে অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামকে নিয়ে লেখা নানান রকমের প্লেকার্ড নিয়ে র‍্যালী করেন।