রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নওয়াজের সঙ্গে জোট নিয়ে বিলাওয়ালের ঘোষণা সোমবার

পাকিস্তানে নির্বাচন মানেই নাটকীয়তায় ভরা। তবে এবার যেন নাটক কিছুটা বেশিই হচ্ছে। নির্বাচনের ফল ঘোষণা করতেই তিন দিন সময় নিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন ইসিপি! ফল ঘোষণা শেষ হওয়ায় এবার নাটকের পরবর্তী দৃশ্য মঞ্চস্থ হচ্ছে দেশটিতে। কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় জোট সরকার গঠন করতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে বড় দলগুলো। তবে নাটকের এই দৃশ্যে বারবার ঘুরে-ফিরে দুটি দলই আলোচনায় আসছে। একটি নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন ও অন্যটি বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপি। নির্বাচনে ৭৬ আসনে নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে পিএমএল-এন এবং ৫৪ আসন নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পিপিপি।

গত শুক্রবার রাতেই দল দুটির মধ্যে জোট সরকার নিয়ে বৈঠকের খবর গণমাধ্যমে আসতে থাকে। তবে আজ রোববার দল দুটি প্রথমবারের মতো লাহোরে আনুষ্ঠিকভাবে বৈঠকে বসে। পিএমএল-এনের সভাপতি শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো এবং কো-চেয়ারম্যান আসিফ আলি জারদারির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে জোট সরকার গঠনে বিলাওয়াল ও আসিফের সহযোগিতা চান শাহবাজ।

শাহবাজের এমন প্রস্তাবের জবাবে পিএমএল-এন নেতাদের পিপিপি বলেছে, সোমবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হবে।

সূত্রের বরাতে জিও নিউজ জানায়, সরকার গঠনের বিষয়ে শলা-পরামর্শ করতে আগামীকাল সোমবার বৈঠক করবে পিপিপি। এ জন্য রোববার বিলাওয়ালকে ইসলামাবাদ থেকে লাহোরে ডেকে আনেন বাবা আসিফ আলি জারদারি। তাদের বৈঠকে জোট গঠনের প্রক্রিয়া, প্রেসিডেন্ট পদটি কে পাবেন, এসব বিষয়ে আলোচনা হবে।

এর আগে গত শুক্রবার রাতে স্পষ্ট হয়ে যায় এবারের নির্বাচনে কোনো দলই এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবে না। ফলে শুক্রবার রাতেই জোট সরকার গঠনের ঘোষণা দেন নওয়াজ শরিফ। বড় ভাইয়ের এমন ঘোষণার পরই মাঠে নেমে পড়েন শাহবাজ শরিফ। তিনি পিএমএল-এনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শুক্রবার রাতে পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির সঙ্গে দেখা করেন। তাদের এই বেঠক ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। বৈঠক থেকেই কেন্দ্র ও পাঞ্জাবে জোট সরকার গঠনের বার্তা দেন তিনি। শুধু বার্তা দিয়েই ফিরে আসেননি, তাদের সম্মতি পর্যন্ত নিয়ে আসেন শাহবাজ।

অবশ্য এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে বিলাওয়াল তখন বলেছিলেন, এমন কিছু ঘটেনি। তারা এখনো নির্বাচনের ফল ও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন।

নওয়াজের সঙ্গে জোট নিয়ে বিলাওয়ালের ঘোষণা সোমবার

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৭:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাকিস্তানে নির্বাচন মানেই নাটকীয়তায় ভরা। তবে এবার যেন নাটক কিছুটা বেশিই হচ্ছে। নির্বাচনের ফল ঘোষণা করতেই তিন দিন সময় নিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন ইসিপি! ফল ঘোষণা শেষ হওয়ায় এবার নাটকের পরবর্তী দৃশ্য মঞ্চস্থ হচ্ছে দেশটিতে। কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় জোট সরকার গঠন করতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে বড় দলগুলো। তবে নাটকের এই দৃশ্যে বারবার ঘুরে-ফিরে দুটি দলই আলোচনায় আসছে। একটি নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন ও অন্যটি বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপি। নির্বাচনে ৭৬ আসনে নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে পিএমএল-এন এবং ৫৪ আসন নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পিপিপি।

গত শুক্রবার রাতেই দল দুটির মধ্যে জোট সরকার নিয়ে বৈঠকের খবর গণমাধ্যমে আসতে থাকে। তবে আজ রোববার দল দুটি প্রথমবারের মতো লাহোরে আনুষ্ঠিকভাবে বৈঠকে বসে। পিএমএল-এনের সভাপতি শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো এবং কো-চেয়ারম্যান আসিফ আলি জারদারির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে জোট সরকার গঠনে বিলাওয়াল ও আসিফের সহযোগিতা চান শাহবাজ।

শাহবাজের এমন প্রস্তাবের জবাবে পিএমএল-এন নেতাদের পিপিপি বলেছে, সোমবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হবে।

সূত্রের বরাতে জিও নিউজ জানায়, সরকার গঠনের বিষয়ে শলা-পরামর্শ করতে আগামীকাল সোমবার বৈঠক করবে পিপিপি। এ জন্য রোববার বিলাওয়ালকে ইসলামাবাদ থেকে লাহোরে ডেকে আনেন বাবা আসিফ আলি জারদারি। তাদের বৈঠকে জোট গঠনের প্রক্রিয়া, প্রেসিডেন্ট পদটি কে পাবেন, এসব বিষয়ে আলোচনা হবে।

এর আগে গত শুক্রবার রাতে স্পষ্ট হয়ে যায় এবারের নির্বাচনে কোনো দলই এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবে না। ফলে শুক্রবার রাতেই জোট সরকার গঠনের ঘোষণা দেন নওয়াজ শরিফ। বড় ভাইয়ের এমন ঘোষণার পরই মাঠে নেমে পড়েন শাহবাজ শরিফ। তিনি পিএমএল-এনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শুক্রবার রাতে পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির সঙ্গে দেখা করেন। তাদের এই বেঠক ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। বৈঠক থেকেই কেন্দ্র ও পাঞ্জাবে জোট সরকার গঠনের বার্তা দেন তিনি। শুধু বার্তা দিয়েই ফিরে আসেননি, তাদের সম্মতি পর্যন্ত নিয়ে আসেন শাহবাজ।

অবশ্য এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে বিলাওয়াল তখন বলেছিলেন, এমন কিছু ঘটেনি। তারা এখনো নির্বাচনের ফল ও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন।