রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সরকার গঠন নিয়ে ইমরান খানের দলের নতুন সিদ্ধান্ত

পাকিস্তানের বড় দুদল পিপিপি, পিএমএল-এন উভয়ের সাথেই আলোচনার কথা অস্বীকার করেছেন পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গোহর আলী খান। এতে স্পষ্ট বলা যায়, কারও সঙ্গে যোগ দিচ্ছে না ইমরানপন্থি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। খবর ডনের।

তবে সরকার গঠন করতে না পারলে তারা বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন গহর আলি খান।

দেশটির গণমাধ্যম ডনের সঙ্গে আলাপকালে গহর বলেন, আমরা পিপিপি ও পিএমএল-এনের সঙ্গে আলাপ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না। তাদের সঙ্গে জোট করে আমরা সরকার গঠন করব না। তাদের সঙ্গে জোট গড়ার চেয়ে এককভাবে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করাই ভালো।

এদিকে চমক লাগিয়েছেন ইমরানপন্থি স্বতন্ত্র প্রার্থী ওয়াসিম কাদির। লাহোরের এনএ-১২১ আসন থেকে বিজয়ী পিটিআই সমর্থিত প্রার্থী এই নেতা নওয়াজের দল পিএমএল-এনে যোগ দিয়েছেন।

দলের পোস্ট করা এক ভিডিওতে কাদির পিএমএল-এনের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মরিয়ম নওয়াজের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, আমি আমার নীড়ে ফিরেছি।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা (১৩৪ আসন) পায়নি। ফলে জোট করতে বাধ্য দলগুলো। তবে এ নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।

এদিকে পিটিআইয়ের প্রার্থী ওয়াসিম কাদির ইমরান খানকে পিঠ দেখিয়ে যোগ দিয়েছেন নওয়াজের দল পিএমএল-এনে। লাহোরের এনএ-১২১ আসন থেকে বিজয়ী পিটিআই সমর্থিত প্রার্থী ছিলেন ওয়াসিম কাদির।

নির্বাচনে ইমরানপন্থি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৯৭টি আসন। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ৭৬টি আসনে জয় পেয়েছে। আর বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ৫৪টি আসনে জয় পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। করাচি-ভিত্তিক দল মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) ১৭টি আসন জিতেছে।

নির্বাচনী উত্তেজনার মধ্যে বিক্ষোভ-সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

সরকার গঠন নিয়ে ইমরান খানের দলের নতুন সিদ্ধান্ত

প্রকাশের সময় : ০৯:৫১:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাকিস্তানের বড় দুদল পিপিপি, পিএমএল-এন উভয়ের সাথেই আলোচনার কথা অস্বীকার করেছেন পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গোহর আলী খান। এতে স্পষ্ট বলা যায়, কারও সঙ্গে যোগ দিচ্ছে না ইমরানপন্থি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। খবর ডনের।

তবে সরকার গঠন করতে না পারলে তারা বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন গহর আলি খান।

দেশটির গণমাধ্যম ডনের সঙ্গে আলাপকালে গহর বলেন, আমরা পিপিপি ও পিএমএল-এনের সঙ্গে আলাপ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না। তাদের সঙ্গে জোট করে আমরা সরকার গঠন করব না। তাদের সঙ্গে জোট গড়ার চেয়ে এককভাবে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করাই ভালো।

এদিকে চমক লাগিয়েছেন ইমরানপন্থি স্বতন্ত্র প্রার্থী ওয়াসিম কাদির। লাহোরের এনএ-১২১ আসন থেকে বিজয়ী পিটিআই সমর্থিত প্রার্থী এই নেতা নওয়াজের দল পিএমএল-এনে যোগ দিয়েছেন।

দলের পোস্ট করা এক ভিডিওতে কাদির পিএমএল-এনের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মরিয়ম নওয়াজের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, আমি আমার নীড়ে ফিরেছি।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা (১৩৪ আসন) পায়নি। ফলে জোট করতে বাধ্য দলগুলো। তবে এ নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।

এদিকে পিটিআইয়ের প্রার্থী ওয়াসিম কাদির ইমরান খানকে পিঠ দেখিয়ে যোগ দিয়েছেন নওয়াজের দল পিএমএল-এনে। লাহোরের এনএ-১২১ আসন থেকে বিজয়ী পিটিআই সমর্থিত প্রার্থী ছিলেন ওয়াসিম কাদির।

নির্বাচনে ইমরানপন্থি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৯৭টি আসন। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ৭৬টি আসনে জয় পেয়েছে। আর বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ৫৪টি আসনে জয় পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। করাচি-ভিত্তিক দল মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) ১৭টি আসন জিতেছে।

নির্বাচনী উত্তেজনার মধ্যে বিক্ষোভ-সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।